ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জামালপুর : মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে আদালতে হাজির করেন কোর্ট পুলিশ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার মামলার রায়ে আসামি ওই নারীর স্বামী হাফিজুল হককে (৩৯) মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত।

২০ জুলাই, সোমবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে জানান, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মায়া কলমী গ্রামের আমেনা বেগম দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় সবজি ব্যবসা করতেন। ঢাকার মিরপুর এলাকায় একটি কলার আড়তের পাশের একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করতেন তারা।

ওই কলার আড়তে কাজ করার সুবাদে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর গ্রামের মৃত প্রধান মিয়ার ছেলে হাফিজুল হকের সাথে আমেনা বেগমের দ্বিতীয় মেয়ে হুনফা আক্তারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে ২০১২ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। পরে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মেনে নেয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী হুনুফাকে এক লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিলেন তার স্বামী হাফিজুল হক।

তিনি আরও জানান, যৌতুকের দাবিতে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর হাফিজুল হক জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী হুনফাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এই ঘটনার কয়েকদিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়ার পর সাতজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ১৪ বছর পর ২০ জুলাই আসামির উপস্থিতিতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ওই নারীর স্বামী হাফিজুল হককে মৃত্যুদণ্ড ও ভূক্তভোগীকে দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। মামলায় আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. মোজাম্মেল হক।

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ১০:০২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

জামালপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার মামলার রায়ে আসামি ওই নারীর স্বামী হাফিজুল হককে (৩৯) মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত।

২০ জুলাই, সোমবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় দেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে জানান, ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মায়া কলমী গ্রামের আমেনা বেগম দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় সবজি ব্যবসা করতেন। ঢাকার মিরপুর এলাকায় একটি কলার আড়তের পাশের একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করতেন তারা।

ওই কলার আড়তে কাজ করার সুবাদে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর গ্রামের মৃত প্রধান মিয়ার ছেলে হাফিজুল হকের সাথে আমেনা বেগমের দ্বিতীয় মেয়ে হুনফা আক্তারের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে ২০১২ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। পরে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মেনে নেয়া হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী হুনুফাকে এক লাখ টাকা যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আসছিলেন তার স্বামী হাফিজুল হক।

তিনি আরও জানান, যৌতুকের দাবিতে ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর হাফিজুল হক জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় তার নিজ বাড়িতে স্ত্রী হুনফাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এই ঘটনার কয়েকদিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘদিন আইনি প্রক্রিয়ার পর সাতজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ১৪ বছর পর ২০ জুলাই আসামির উপস্থিতিতে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ওই নারীর স্বামী হাফিজুল হককে মৃত্যুদণ্ড ও ভূক্তভোগীকে দেওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেন বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম। মামলায় আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মো. মোজাম্মেল হক।