ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল কড়ি কাইট্টা উদ্ধারকারী সেই স্কুলছাত্রী রিশাকে পুরস্কৃত করলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প আল আকাবা সমিতিতে আমানতকৃত অর্থ উদ্ধারে গ্রাহকদের ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন যমুনা সার কারখানার ইউরিয়া সার উৎপাদন ২৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে গেছে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হাম এলার্মিং! জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল সেবা কার্যক্রম নিয়ে একটি পর্যালোচনা বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

স্কুলছাত্রী অপহরণের দায়ে তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুর : জেলা ও দায়রা জজ আলাদত। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে প্রাইভেট পড়তে যাবার সময় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে শামীম, শিপন ও জালাল নামের তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা পাবেন ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী।

২০ জুলাই, সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীম জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী শেখবাড়ি এলাকার সাদেক আলীর ছেলে এবং শিপন একই উপজেলার ভারুয়াখালি হরিপুর এলাকার খোশ মাহমুদের ছেলে। অপর আসামি প্রাইভেটকার চালক জালাল বাঁশচড়া ইউনিয়নের বীরজপুর এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে।

মামলার রায় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় প্রতিদিনের মত প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় ওই স্কুলছাত্রী। ভ্যানগাড়িযোগে প্রাইভেটে যাবার পথে একটি সাদা প্রাইভেট কার ভ্যানগাড়িটির পথ আটকায়।

প্রাইভেট কার থেকে বের হয়ে ধারালো অস্ত্র ধরে ওই স্কুলছাত্রীর মুখে ওড়না পেঁচিয়ে অপহরণ করে গাজীপুর নিয়ে যায় আসামিরা। স্কুলছাত্রীকে গাড়িতে রেখে আসামিরা পাশেই বিকাশের দোকানে টাকা তুলতে যায়। এই সুযোগে বাড়িতে ফোন করে ঘটনাটি জানায় ওই স্কুলছাত্রী। ঘটনাটি তার বাবা জামালপুর সদর থানায় জানালে ঘটনাস্থল গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে বলেন, অপহরণের ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শামীম ও শিপনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য দেন সাতজন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ওই তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা ভুক্তভোগী পাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী

স্কুলছাত্রী অপহরণের দায়ে তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

জামালপুরে প্রাইভেট পড়তে যাবার সময় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে শামীম, শিপন ও জালাল নামের তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা পাবেন ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী।

২০ জুলাই, সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীম জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী শেখবাড়ি এলাকার সাদেক আলীর ছেলে এবং শিপন একই উপজেলার ভারুয়াখালি হরিপুর এলাকার খোশ মাহমুদের ছেলে। অপর আসামি প্রাইভেটকার চালক জালাল বাঁশচড়া ইউনিয়নের বীরজপুর এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে।

মামলার রায় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় প্রতিদিনের মত প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় ওই স্কুলছাত্রী। ভ্যানগাড়িযোগে প্রাইভেটে যাবার পথে একটি সাদা প্রাইভেট কার ভ্যানগাড়িটির পথ আটকায়।

প্রাইভেট কার থেকে বের হয়ে ধারালো অস্ত্র ধরে ওই স্কুলছাত্রীর মুখে ওড়না পেঁচিয়ে অপহরণ করে গাজীপুর নিয়ে যায় আসামিরা। স্কুলছাত্রীকে গাড়িতে রেখে আসামিরা পাশেই বিকাশের দোকানে টাকা তুলতে যায়। এই সুযোগে বাড়িতে ফোন করে ঘটনাটি জানায় ওই স্কুলছাত্রী। ঘটনাটি তার বাবা জামালপুর সদর থানায় জানালে ঘটনাস্থল গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে বলেন, অপহরণের ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শামীম ও শিপনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য দেন সাতজন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ওই তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা ভুক্তভোগী পাবেন।