বাংলাদেশ চিনি শিল্প করপোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে জিলবাংলা সুগার মিলস্ শ্রমিক-কর্মচারীদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গেইট মিটিং বা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০ জুলাই, সোমবার সকালে মিলের প্রশাসনিক চত্বরের ২ নম্বর ফটকে এই সভার আয়োজন করা হয়।
জিলবাংলা সুগারমিলস্ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. রায়হানুল আজম ইমরানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শওকত উর রহমান সোহাগ, জিলবাংলা সুগারমিলস্ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সহ-সভাপতি সোলাইমান কবির, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নাছিম মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল মোল্লা, অর্থবিষয়ক সম্পাদক জাহিদ আনোয়ার কবির, প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
জিলবাংলা সুগারমিলস্ ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি মো. রায়হানুল আজম ইমরান তিনদফা দাবির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, অভ্যন্তরীণ পদে সমন্বয় ও পদোন্নতি, মিলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও দক্ষ জনবল তৈরির স্বার্থে মৌসুমী শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে আগের মত অভ্যন্তরীণভাবে স্থায়ী পদে সমন্বয় করতে হবে। এছাড়া প্রতি ৫ ও ১০ বছর পর পর নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
তিনি আরও বলেন, সরকার ঘোষিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মত মজুরি কমিশনের আওতাভুক্ত শ্রমিকদেরও অবিলম্বে শতকরা ১৫ ভাগ বিশেষ সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দিতে হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন পে-স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের জন্যও নতুন মজুরি স্কেল ঘোষণা করতে হবে।
সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, চিনি শিল্পের চালিকাশক্তি শ্রমিকদের বঞ্চিত করে এই শিল্পের উন্নয়ন সম্ভব নয়। অবিলম্বে দাবি মানা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিল্লাল হোসেন মন্ডল : নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 



















