ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ নিলেন বকশীগঞ্জের বিএনপি নেতা শাকিল যুবদল নেতা মোখলেস ও মহিলা দলনেত্রী মনির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল জামালপুরে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ফোরাম গঠিত জামালপুর লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে এম্পাওয়ারহারের মতবিনিময় জামালপুরে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পানি জমে মরে গেছে জামালপুরে হর্টিকালচার সেন্টারের ১৩৭টি মাতৃ লিচু গাছ শরিফপুরে ত্রিশ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন দুই নেতা টিএসপিতে অসামান্য অবদানে মিজানুর রহমানকে সংবর্ধনা

বাহাদুরাবাদ-বালাসি দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

দেওয়ানগঞ্জ : বাহাদুরাবাদ-বালাসী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পুরাতন বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ জুন, শনিবার বিকালে উপজেলার ঝালোরচর বাজারে বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

​মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক সময় বাহাদুরাবাদ-বালাসি ঘাট ছিল উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই রুট দিয়ে নিয়মিত মানুষ ও পণ্য পারাপার হত। তাই দেওয়ানগঞ্জবাসীর এখন একটাই দাবি- বাহাদুরাবাদ থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট পর্যন্ত ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণ করতে হবে।

​বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত সরকার প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করে বাহাদুরাবাদ ঘাটে আধুনিক ফেরিঘাট টার্মিনাল নির্মাণ করেছিল। সেখানে বিশাল টার্মিনাল ভবন, ব্যারাক ও টোল প্লাজাসহ অবকাঠামোর কোনো কমতি নেই। কিন্তু ঘাটে বর্তমানে কোন ফেরি নেই। নেই যাত্রীও। নদীতে নাব্যতা সংকট ও চর জেগে উঠায় ফেরি চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যেখানে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে একটি অচল ফেরিঘাট নির্মাণ করা সম্ভব। সেখানে জনস্বার্থে একটি পরিকল্পিত ও টেকসই সেতু নির্মাণ কেন করা যাবে না- এমন প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা।

বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছইম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই এলাকা সফরে এসে বাহাদুরাবাদ-পেল্লাকান্দি থেকে বালাসি ঘাট পর্যন্ত যমুনা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা প্রথম যমুনা সেতুটি এখানে পাইনি। সেটি সিরাজগঞ্জ দিয়ে নির্মিত হয়েছে। আজ আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন বাহাদুরাবাদ থেকে বালাসি ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হয়।

​ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব রতন বলেন, বাহাদুরাবাদ-বালাসি নৌ-রুটে সেতু নির্মিত হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আটটি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের দূরত্ব প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার কমে যাবে। ফলে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনি ওই অঞ্চলে তৈরি হবে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।

বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছইম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আ. ন. ম মুছা আলম, সাবেক সভাপতি হামিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমজাদ হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর, যুবনেতা আকরাম হোসেন ও কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

কর্মসূচিতে ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

বাহাদুরাবাদ-বালাসি দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১১:১৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পুরাতন বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট পর্যন্ত যমুনা নদীতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ জুন, শনিবার বিকালে উপজেলার ঝালোরচর বাজারে বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

​মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এক সময় বাহাদুরাবাদ-বালাসি ঘাট ছিল উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এই রুট দিয়ে নিয়মিত মানুষ ও পণ্য পারাপার হত। তাই দেওয়ানগঞ্জবাসীর এখন একটাই দাবি- বাহাদুরাবাদ থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাট পর্যন্ত ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণ করতে হবে।

​বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত সরকার প্রায় ১৪৫ কোটি টাকা ব্যয় করে বাহাদুরাবাদ ঘাটে আধুনিক ফেরিঘাট টার্মিনাল নির্মাণ করেছিল। সেখানে বিশাল টার্মিনাল ভবন, ব্যারাক ও টোল প্লাজাসহ অবকাঠামোর কোনো কমতি নেই। কিন্তু ঘাটে বর্তমানে কোন ফেরি নেই। নেই যাত্রীও। নদীতে নাব্যতা সংকট ও চর জেগে উঠায় ফেরি চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যেখানে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করে একটি অচল ফেরিঘাট নির্মাণ করা সম্ভব। সেখানে জনস্বার্থে একটি পরিকল্পিত ও টেকসই সেতু নির্মাণ কেন করা যাবে না- এমন প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা।

বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছইম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই এলাকা সফরে এসে বাহাদুরাবাদ-পেল্লাকান্দি থেকে বালাসি ঘাট পর্যন্ত যমুনা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা প্রথম যমুনা সেতুটি এখানে পাইনি। সেটি সিরাজগঞ্জ দিয়ে নির্মিত হয়েছে। আজ আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, যেন বাহাদুরাবাদ থেকে বালাসি ঘাট পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হয়।

​ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব রতন বলেন, বাহাদুরাবাদ-বালাসি নৌ-রুটে সেতু নির্মিত হলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত আটটি জেলার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এতে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের দূরত্ব প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার কমে যাবে। ফলে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ যেমন বাঁচবে, তেমনি ওই অঞ্চলে তৈরি হবে নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা।

বাহাদুরাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছইম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আ. ন. ম মুছা আলম, সাবেক সভাপতি হামিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আমজাদ হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবীর, যুবনেতা আকরাম হোসেন ও কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

কর্মসূচিতে ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ অংশ নেন।