ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

জামালপুর লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে এম্পাওয়ারহারের মতবিনিময়

জামালপুর : এম্পাওয়ারহার প্রকল্প আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ এ. কে. এম শিফাতুল্লাহ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নারী, শিশু এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়ের সদস্যদের ক্ষমতায়ন, তাদের কণ্ঠস্বর জোরদার করা এবং নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও জবাবদিহিতামূলক শাসন ব্যবস্থা জন্য সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নেয়ার লক্ষ্যে জামালপুরে এম্পাওয়ারহার প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

এই প্রকল্পের অন্যতম কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ২৭ জুলাই, সোমবার জামালপুর জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় জামালপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের লিগ্যাল এইড অফিস কার্যালয়ে এই সভা হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এ. কে. এম. শিফাতুল্লাহ।

উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মেধ্যে আলোচনায় অংশ নেন আইনজীবী এম. এ মান্নান, আইনজীবী মাহমুদা বেগম, আইনজীবী আব্দুল্লাহ মতি প্রমুখ। সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের স্টাফ আইনজীবী আসমাউল হুসনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উন্নয়ন সংঘের এম্পাওয়ারহার প্রকল্পের সমন্বয়কারী আরজু মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ এ. কে. এম শিফাতুল্লাহ বলেন, এম্পাওয়ারের কার্যক্রম নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। এই প্রকল্পটি সরিষাবাড়ীর পাশাপাশি জেলার অন্য ছয়টি উপজেলায় সম্প্রসারণ করার দরকার। তিনি লিগ্যাল কার্যক্রম সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এম্পাওয়ার কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সাথে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

জামালপুর : মতবিনিময় সভায় এম্পাওয়ারহার প্রকল্পের কর্মকর্তা ও আইনজীবীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যায়, আটটি ইউনিয়ন ও একটি উপজেলায় জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফোরাম গঠন করা যার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের নাগরিক সমাজ নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে অবদান রাখা। জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি নিশ্চিতকরণ ও জেন্ডার বেইজ ভায়োলেশন প্রতিরোধে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।লক্ষিত জনগোষ্ঠীর সম্মান, মর্যাদা বৃদ্ধি করা এবং তাদের প্রতি বৈষম্য কমিয়ে আনতে অবদান রাখা এবং লক্ষিত জনগোষ্ঠীর ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে অবদান রাখা। সরকার এবং এনজিওদের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।

সভার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যগুলো হল – আইনী অধিকার বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে সমন্বিত কার্যক্রম ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক জোরদারকরণ। প্রকল্পের আওতায় এ যাবৎ ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটি পুনর্গঠনে এ্যাডভোকেসি সভা করা হয়েছে আটটি। কমিটি সক্রিয়করণ সভা করা হয়েছে আটটি। জেলা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে ১৯টি। পারিবারিক সহিংসতা ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতার তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে ১৫টি। মামলা পরিচালনায় অসমর্থ ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান সাতটি। বাল্যবিবাহ বন্ধে সহায়তায় ২২টি। জর্জ কোটে মামলায় সহায়তায় ১৪টি এবং জামালপুর সদর থানায় মামলায় সহায়তা দেওয়া হয়েছে ১৫টি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

জামালপুর লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে এম্পাওয়ারহারের মতবিনিময়

আপডেট সময় ০৯:৫৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

নারী, শিশু এবং প্রান্তিক সম্প্রদায়ের সদস্যদের ক্ষমতায়ন, তাদের কণ্ঠস্বর জোরদার করা এবং নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও জবাবদিহিতামূলক শাসন ব্যবস্থা জন্য সহযোগিতামূলক পদক্ষেপ নেয়ার লক্ষ্যে জামালপুরে এম্পাওয়ারহার প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

এই প্রকল্পের অন্যতম কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ২৭ জুলাই, সোমবার জামালপুর জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০ টায় জামালপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের লিগ্যাল এইড অফিস কার্যালয়ে এই সভা হয়। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার এ. কে. এম. শিফাতুল্লাহ।

উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মেধ্যে আলোচনায় অংশ নেন আইনজীবী এম. এ মান্নান, আইনজীবী মাহমুদা বেগম, আইনজীবী আব্দুল্লাহ মতি প্রমুখ। সভায় মুখ্য আলোচক ছিলেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের স্টাফ আইনজীবী আসমাউল হুসনা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উন্নয়ন সংঘের এম্পাওয়ারহার প্রকল্পের সমন্বয়কারী আরজু মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ এ. কে. এম শিফাতুল্লাহ বলেন, এম্পাওয়ারের কার্যক্রম নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। এই প্রকল্পটি সরিষাবাড়ীর পাশাপাশি জেলার অন্য ছয়টি উপজেলায় সম্প্রসারণ করার দরকার। তিনি লিগ্যাল কার্যক্রম সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এম্পাওয়ার কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে সরেজমিনে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সাথে অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

জামালপুর : মতবিনিময় সভায় এম্পাওয়ারহার প্রকল্পের কর্মকর্তা ও আইনজীবীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানা যায়, আটটি ইউনিয়ন ও একটি উপজেলায় জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি ফোরাম গঠন করা যার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের নাগরিক সমাজ নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে অবদান রাখা। জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি নিশ্চিতকরণ ও জেন্ডার বেইজ ভায়োলেশন প্রতিরোধে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।লক্ষিত জনগোষ্ঠীর সম্মান, মর্যাদা বৃদ্ধি করা এবং তাদের প্রতি বৈষম্য কমিয়ে আনতে অবদান রাখা এবং লক্ষিত জনগোষ্ঠীর ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে অবদান রাখা। সরকার এবং এনজিওদের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা।

সভার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যগুলো হল – আইনী অধিকার বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে সমন্বিত কার্যক্রম ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক জোরদারকরণ। প্রকল্পের আওতায় এ যাবৎ ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটি পুনর্গঠনে এ্যাডভোকেসি সভা করা হয়েছে আটটি। কমিটি সক্রিয়করণ সভা করা হয়েছে আটটি। জেলা লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়েছে ১৯টি। পারিবারিক সহিংসতা ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতার তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয়েছে ১৫টি। মামলা পরিচালনায় অসমর্থ ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান সাতটি। বাল্যবিবাহ বন্ধে সহায়তায় ২২টি। জর্জ কোটে মামলায় সহায়তায় ১৪টি এবং জামালপুর সদর থানায় মামলায় সহায়তা দেওয়া হয়েছে ১৫টি।