ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৬ স্থান পরিদর্শন

শেরপুরে হচ্ছে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

‎শেরপুর : সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতিনিধি দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‎শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থানসমূহ পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

৮ জুন, ‎সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাক্তার ফারুক আহাম্মদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি জেলার প্রস্তাবিত বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

‎প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের ডিন অধ্যাপক ডাক্তার মো. রফিকুল হক, জামালপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার মো. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) মনোনীত প্রতিনিধি অধ্যাপক ডাক্তার মো. খালেকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাক্তার ওয়াসেক-বিন-শহীদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

‎এ সময় শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ. কে. এম জহিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহীন, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার সেলিম মিঞা, শেরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

‎শেরপুর : সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতিনিধি দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‎প্রতিনিধি দলটি নৌহাটা (খোয়ারপাড়), শেরপুর (ঢাকলহাটি), নৌহাটা (অর্কিড এলাকা), শেরীব্রিজের লছমনপুর পূর্বপাশ ও পশ্চিমপাশ এবং মোবারকপুরের ইছলিবিলসহ মোট ছয়টি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে স্থানগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়।

‎‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ের এই পরিদর্শনের পর প্রতিনিধি দল তাদের পর্যবেক্ষণ, কারিগরি বিশ্লেষণ ও সুপারিশ আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দেবে। পরবর্তীতে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শেরপুর সরকারি মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে।

‎প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের আগমনে জেলার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় শেরপুরবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

৬ স্থান পরিদর্শন

শেরপুরে হচ্ছে সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

আপডেট সময় ১০:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

‎শেরপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থানসমূহ পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।

৮ জুন, ‎সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাক্তার ফারুক আহাম্মদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি জেলার প্রস্তাবিত বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

‎প্রতিনিধি দলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের ডিন অধ্যাপক ডাক্তার মো. রফিকুল হক, জামালপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার মো. আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) মনোনীত প্রতিনিধি অধ্যাপক ডাক্তার মো. খালেকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাক্তার ওয়াসেক-বিন-শহীদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

‎এ সময় শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ. কে. এম জহিরুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডাক্তার মুহাম্মদ শাহীন, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার সেলিম মিঞা, শেরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি কাকন রেজা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।

‎শেরপুর : সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতিনিধি দল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‎প্রতিনিধি দলটি নৌহাটা (খোয়ারপাড়), শেরপুর (ঢাকলহাটি), নৌহাটা (অর্কিড এলাকা), শেরীব্রিজের লছমনপুর পূর্বপাশ ও পশ্চিমপাশ এবং মোবারকপুরের ইছলিবিলসহ মোট ছয়টি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে স্থানগুলোর ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের উপযোগিতা মূল্যায়ন করা হয়।

‎‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাঠপর্যায়ের এই পরিদর্শনের পর প্রতিনিধি দল তাদের পর্যবেক্ষণ, কারিগরি বিশ্লেষণ ও সুপারিশ আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা দেবে। পরবর্তীতে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শেরপুর সরকারি মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত স্থান নির্ধারণ করা হবে।

‎প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের আগমনে জেলার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় শেরপুরবাসীর মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।