ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকবিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ক্রীড়া সংস্থা একাদশের বিজয় মাদারগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী মুক্তা চৌধুরী, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এপেক্স ক্লাব অব শেরপুরের ৩য় পালাবদল অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জের গারো পাহাড় থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার জামালপুরে আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ জামালপুরে পঞ্চগ্রাম ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাহাদুরাবাদ-বালাসি রুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন দেশকে নিয়ে স্বপ্নযাত্রার পথে মাদকের প্রতিবন্ধকতা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন সরিষাবাড়ীতে শাপলা ফুল তুলতে গিয়ে বিলের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু জামালপুরে উন্নয়ন সংঘ সিডস প্রকল্পের উদ্যোগে বাল্যবিয়ে বন্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

মুহুরির ৭ দিনের কারাদণ্ড

দেওয়ানগঞ্জ : দণ্ডপ্রাপ্ত মুহুরী রফিকুল ইসলাম রবিন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জমির নামজারি (খারিজ) করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং বেআইনিভাবে অন্যের নথিপত্র নিজের কাছে রাখার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম রবিন (৪৫) নামে একজন মুহুরীকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রফিকুল ইসলাম রবিন উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সাপমারি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে মুহুরি হিসেবে কর্মরত আছেন।

৭ জুন, রবিবার দুপুরে পৌর শহরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন।

​​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৭ জুন দুপুরে রফিকুল ইসলাম রবিন একাধিক ব্যক্তির জমির নামজারি সংক্রান্ত তদবিরের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যান। বিষয়টি তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেনের নজরে আসে। সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মূল মালিক ছাড়া অন্য চারজন ব্যক্তির নামজারির গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বেআইনি তদবিরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, জমির প্রকৃত মালিক বা তার মনোনীত আইনগত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কারও নামজারিসংক্রান্ত কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্যের জমির নামজারি করে দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন এবং ভূমি অফিসে তদবির করছিলেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ​ভূমিসেবায় দালালি ও হয়রানি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ক্রীড়া সংস্থা একাদশের বিজয়

মুহুরির ৭ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:২৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় জমির নামজারি (খারিজ) করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং বেআইনিভাবে অন্যের নথিপত্র নিজের কাছে রাখার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম রবিন (৪৫) নামে একজন মুহুরীকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রফিকুল ইসলাম রবিন উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের সাপমারি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি দেওয়ানগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে মুহুরি হিসেবে কর্মরত আছেন।

৭ জুন, রবিবার দুপুরে পৌর শহরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জহুরুল হোসেন।

​​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৭ জুন দুপুরে রফিকুল ইসলাম রবিন একাধিক ব্যক্তির জমির নামজারি সংক্রান্ত তদবিরের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে যান। বিষয়টি তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ইউএনও শাহ জহুরুল হোসেনের নজরে আসে। সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে মূল মালিক ছাড়া অন্য চারজন ব্যক্তির নামজারির গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও বেআইনি তদবিরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ জহুরুল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, জমির প্রকৃত মালিক বা তার মনোনীত আইনগত প্রতিনিধি ছাড়া অন্য কারও নামজারিসংক্রান্ত কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তি বেআইনিভাবে অন্যের জমির নামজারি করে দেওয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন এবং ভূমি অফিসে তদবির করছিলেন। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ​ভূমিসেবায় দালালি ও হয়রানি বন্ধে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।