ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার দলেই গুপ্ত’র ছড়াছড়ি : সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম

শেরপুর : ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন  সংসদ সদস্য হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

শেরপুর-১ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেছেন, এই সরকার সবসময় নানা কথাবার্তা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা জামায়াত শিবিরকে বলেন ‘গুপ্ত’। অথচ তাদের দলেই ‘গুপ্ত’র ছড়াছড়ি।

তিনি ২ জুন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেরপুর পৌর টাউন হলে সদর উপজেলা ও শহর জামায়াত আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শহর শাখার আমীর মাওলানা নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আমির মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা মজলিশে শুরার সদস্য ডাক্তার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, সদর আমির মাওলানা আতাউর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, ডাক্তার মো. হাছানুজ্জামান হাছান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. আব্দুস সোবহান।

প্রধান অতিথি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম আরও বলেন, গোপালগঞ্জের একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেত্রীকে সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য বানিয়েছেন তারা (বিএনপি সরকার)। পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রীর ৫ আগস্টের আগে ও নির্বাচনের আগে তাদের অবস্থান কোথায় ছিল এটা কি আমরা ও দেশের জনগণ জানে না। এ ধরনের উদ্ভট কথা বলে জাতির দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তারা। সচেতন নাগরিকের এ দেশে এ ধরনের ষড়যন্ত্র আর কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোন ভূঁইফোড় সংগঠন নয়। জামায়াতে ইসলামী একটি নৈতিক সংগঠন। যারা এ দেশের মানুষের উন্নতি ও নৈতিকভাবে গড়ার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে আমাদের নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় নানাভাবে কটাক্ষ করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান রক্ষাসহ ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তাদের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করতে কখনোই পিছপা হবে না।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকে আবারও এস আলমসহ তাদের প্রেতাত্মাদের ফিরিয়ে আনার সকল ষড়যন্ত্র বানচাল করে দেওয়া হবে।

তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণ্যের জন্য কাজ করেন, তাই আপনারা সব সময় জামায়াতে ইসলামীকে আপনাদের পাশেই পাবেন।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনও বৈষম্যের রাজনীতি করে না। জামায়াতে ইসলামী ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার জন্য দেয়া রাষ্ট্রীয় ত্রাণ তহবিলের টাকা সংশ্লিষ্ট দরিদ্র অসহায় মানুষের মধ্যে সঠিক ও ইনসাফভিত্তিক বিতরণ করলেও সরকার দলের সংসদ সদস্যরা তাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করেছেন। এটি কিন্তু জনগণের কাছে আজ পরিষ্কার হয়ে গেছে। যারা গরিবের জন্য দেওয়া সামান্য দশ লাখ টাকার লোভ সামলাতে পারেন না তাদের হাতে দেশ, দেশের জনগণ ও অর্থনৈতিক অবস্থা কখনও নিরাপদ থাকতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, এই সরকারের চোখের সামনে বিগত পতিত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকারের দোসররা নানাভাবে মিছিল মিটিং করলেও এ বিষয় নিয়ে তাদের কোনরকম দৃষ্টি নাই। এতে বোঝাই যাচ্ছে এই সরকার আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। সুতরাং যারা ফ্যাসিবাদী কায়দায় নতুন করে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদকে পুনরায় প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে, তাদেরকে এই বাংলাদেশের মানুষ চিনে রাখছে। সময় হলে এর সমুচিত জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ। তাই সবাইকে চোখ কান খোলা রেখে সজাগ থাকার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, শেরপুরে আর চাঁদাবাজি ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রাখতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা কোন দলের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি না। আমরা বিদ্বেষ পোষণ করি সকল প্রকার অন্যায় অবিচারের। এই সরকার বলছে কোনরকম তেল সংকট নেই। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধি করে জাতির সাথে তামাশা শুরু করেছে। শুধু তেলের দাম নয় আজ নিত্যপণ্যসহ সকল পণ্যের দামই বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে জনগণের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।

মোটর সাইকেলের উপর ট্যাক্স আরোপের সিদ্ধান্তে সরকারকে উদ্যেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা যাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করার কথা তাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করছেন না। পাচার হয়ে যাওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনছেন না। অথচ খেটে খাওয়া মানুষের উপর ট্যাক্স আরোপ করতে চাইছেন সত্যিই এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য দুর্ভাগ্য। বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু এতো বোকা নয়। এ ধরনের উৎকট, উদ্ভট চিন্তা চেতনা কখনোই জনগণ মেনে নেবে না। আপনারা ঋণ খেলাপীকে দিয়েছেন ব্যাংকের দায়িত্ব। ঋণ খেলাপীকে বানিয়েছেন মন্ত্রী। আর ঋণ খেলাপীকেই দিচ্ছেন লাখ লাখ হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ। এভাবে একটা দেশ কখনও উন্নয়ন, শান্তি আর গণতন্ত্রের পথে এগুতে পারে না।

তিনি বলেন, আপনারা একদিকে প্রফেসর ইউনুসের সমালোচনা করছেন আবার তার ভাল কাজকে পছন্দ করছেন। এই দ্বিচারিতা জনগণ কিন্তু ভাল চোখে দেখছে না। এই দ্বিচারিতা থেকে সরে না আসলে বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু আপনাদেরকে সরিয়ে দিবে।

আমরা দৃঢ়তার সাথে বলছি, যারা এই বাংলাদেশে অন্যায়, অশ্লীলতা ও ন্যায় বিচারের বিপক্ষে অবস্থান নিবে তাদেরকে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করা হবে। যেমন করে শেখ হাসিনা ও তাদের সঙ্গী সাথীদেরকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সমন্বয় করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামী দিনে জনগণের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কোন চক্রান্ত আমরা বাস্তবায়ন হতে দিব না ইনশাআল্লাহ।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার দলেই গুপ্ত’র ছড়াছড়ি : সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম

আপডেট সময় ১০:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

শেরপুর-১ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেছেন, এই সরকার সবসময় নানা কথাবার্তা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা জামায়াত শিবিরকে বলেন ‘গুপ্ত’। অথচ তাদের দলেই ‘গুপ্ত’র ছড়াছড়ি।

তিনি ২ জুন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শেরপুর পৌর টাউন হলে সদর উপজেলা ও শহর জামায়াত আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শহর শাখার আমীর মাওলানা নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আমির মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা মজলিশে শুরার সদস্য ডাক্তার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, সদর আমির মাওলানা আতাউর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী, ডাক্তার মো. হাছানুজ্জামান হাছান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. আব্দুস সোবহান।

প্রধান অতিথি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম আরও বলেন, গোপালগঞ্জের একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেত্রীকে সংরক্ষিত আসনে নারী সংসদ সদস্য বানিয়েছেন তারা (বিএনপি সরকার)। পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রীর ৫ আগস্টের আগে ও নির্বাচনের আগে তাদের অবস্থান কোথায় ছিল এটা কি আমরা ও দেশের জনগণ জানে না। এ ধরনের উদ্ভট কথা বলে জাতির দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন তারা। সচেতন নাগরিকের এ দেশে এ ধরনের ষড়যন্ত্র আর কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোন ভূঁইফোড় সংগঠন নয়। জামায়াতে ইসলামী একটি নৈতিক সংগঠন। যারা এ দেশের মানুষের উন্নতি ও নৈতিকভাবে গড়ার জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে আমাদের নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় নানাভাবে কটাক্ষ করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা বলতে চাই, জামায়াতে ইসলামী দেশের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান রক্ষাসহ ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তাদের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করতে কখনোই পিছপা হবে না।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকে আবারও এস আলমসহ তাদের প্রেতাত্মাদের ফিরিয়ে আনার সকল ষড়যন্ত্র বানচাল করে দেওয়া হবে।

তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, জামায়াতে ইসলামী সবসময় দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণ্যের জন্য কাজ করেন, তাই আপনারা সব সময় জামায়াতে ইসলামীকে আপনাদের পাশেই পাবেন।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনও বৈষম্যের রাজনীতি করে না। জামায়াতে ইসলামী ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার জন্য দেয়া রাষ্ট্রীয় ত্রাণ তহবিলের টাকা সংশ্লিষ্ট দরিদ্র অসহায় মানুষের মধ্যে সঠিক ও ইনসাফভিত্তিক বিতরণ করলেও সরকার দলের সংসদ সদস্যরা তাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিতরণ করেছেন। এটি কিন্তু জনগণের কাছে আজ পরিষ্কার হয়ে গেছে। যারা গরিবের জন্য দেওয়া সামান্য দশ লাখ টাকার লোভ সামলাতে পারেন না তাদের হাতে দেশ, দেশের জনগণ ও অর্থনৈতিক অবস্থা কখনও নিরাপদ থাকতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, এই সরকারের চোখের সামনে বিগত পতিত ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকারের দোসররা নানাভাবে মিছিল মিটিং করলেও এ বিষয় নিয়ে তাদের কোনরকম দৃষ্টি নাই। এতে বোঝাই যাচ্ছে এই সরকার আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার কাজে নিয়োজিত রয়েছে। সুতরাং যারা ফ্যাসিবাদী কায়দায় নতুন করে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদকে পুনরায় প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে, তাদেরকে এই বাংলাদেশের মানুষ চিনে রাখছে। সময় হলে এর সমুচিত জবাব দেবে বাংলাদেশের জনগণ। তাই সবাইকে চোখ কান খোলা রেখে সজাগ থাকার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, শেরপুরে আর চাঁদাবাজি ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম রাখতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা কোন দলের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি না। আমরা বিদ্বেষ পোষণ করি সকল প্রকার অন্যায় অবিচারের। এই সরকার বলছে কোনরকম তেল সংকট নেই। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধি করে জাতির সাথে তামাশা শুরু করেছে। শুধু তেলের দাম নয় আজ নিত্যপণ্যসহ সকল পণ্যের দামই বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে জনগণের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।

মোটর সাইকেলের উপর ট্যাক্স আরোপের সিদ্ধান্তে সরকারকে উদ্যেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা যাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করার কথা তাদের কাছ থেকে ট্যাক্স আদায় করছেন না। পাচার হয়ে যাওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে আনছেন না। অথচ খেটে খাওয়া মানুষের উপর ট্যাক্স আরোপ করতে চাইছেন সত্যিই এটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য দুর্ভাগ্য। বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু এতো বোকা নয়। এ ধরনের উৎকট, উদ্ভট চিন্তা চেতনা কখনোই জনগণ মেনে নেবে না। আপনারা ঋণ খেলাপীকে দিয়েছেন ব্যাংকের দায়িত্ব। ঋণ খেলাপীকে বানিয়েছেন মন্ত্রী। আর ঋণ খেলাপীকেই দিচ্ছেন লাখ লাখ হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ। এভাবে একটা দেশ কখনও উন্নয়ন, শান্তি আর গণতন্ত্রের পথে এগুতে পারে না।

তিনি বলেন, আপনারা একদিকে প্রফেসর ইউনুসের সমালোচনা করছেন আবার তার ভাল কাজকে পছন্দ করছেন। এই দ্বিচারিতা জনগণ কিন্তু ভাল চোখে দেখছে না। এই দ্বিচারিতা থেকে সরে না আসলে বাংলাদেশের জনগণ কিন্তু আপনাদেরকে সরিয়ে দিবে।

আমরা দৃঢ়তার সাথে বলছি, যারা এই বাংলাদেশে অন্যায়, অশ্লীলতা ও ন্যায় বিচারের বিপক্ষে অবস্থান নিবে তাদেরকে আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করা হবে। যেমন করে শেখ হাসিনা ও তাদের সঙ্গী সাথীদেরকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সমন্বয় করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামী দিনে জনগণের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কোন চক্রান্ত আমরা বাস্তবায়ন হতে দিব না ইনশাআল্লাহ।