ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদেরকে প্রার্থী হতে সুযোগ না দেওয়ার পক্ষে ইসি মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বকশীগঞ্জে বিদ্যালয় ভবনে বিকট শব্দে পাঠদান বন্ধ দেওয়ানগঞ্জে নদীতে ভাসছিল অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ স্কুলছাত্রী অপহরণের দায়ে তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের নতুন স্কুল ড্রেস দিলেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু সরিষাবাড়ীতে জিলবাংলা সুগার মিলে ৩ দফা দাবিতে শ্রমিকদের সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

বকশীগঞ্জে বিদ্যালয় ভবনে বিকট শব্দে পাঠদান বন্ধ

বকশীগঞ্জ : ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন পরিদর্শন করেন ইউএনও মুরাদ হোসেন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান রেজাউল করিম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কামালের বার্ত্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ২১ জুলাই, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিকট শব্দের পর ওই ভবনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়েছে। পুরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, কামালের বার্ত্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯-২০০০ অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বিদ্যালয়ের একতলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করে দেয়। এরপর থেকে ওই ভবনেই পাঠদান কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

দীর্ঘ ২৬ বছরে বিদ্যালয়ের ভবনের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বৃষ্টি এলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়া ও ছাদের পলেস্তরা ভেঙে পড়ে এই ভবনের। যে কারণে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য আবেদন করা হলেও তা করা হয়নি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইব্রাহিম মোল্লা এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আজ বিদ্যালয়ের ভবনে বিকট শব্দ হলে শিক্ষার্থীসহ সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। আতঙ্কের কারণে শিক্ষার্থীরা ভবন থেকে বেরিয়ে যায়। তাই এই ভবনটি পরিত্যক্ত করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে বিকট শব্দে আতঙ্কিত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান রেজাউল করিম। পরিদর্শন শেষে ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় কে বি মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয়ে সাময়িক সময়ের জন্য পাঠদান কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা

বকশীগঞ্জে বিদ্যালয় ভবনে বিকট শব্দে পাঠদান বন্ধ

আপডেট সময় ১০:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কামালের বার্ত্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ২১ জুলাই, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিকট শব্দের পর ওই ভবনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়েছে। পুরাতন ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, কামালের বার্ত্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯-২০০০ অর্থ বছরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বিদ্যালয়ের একতলা বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করে দেয়। এরপর থেকে ওই ভবনেই পাঠদান কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

দীর্ঘ ২৬ বছরে বিদ্যালয়ের ভবনের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বৃষ্টি এলেই ছাদ চুয়ে পানি পড়া ও ছাদের পলেস্তরা ভেঙে পড়ে এই ভবনের। যে কারণে প্রতিনিয়ত আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য আবেদন করা হলেও তা করা হয়নি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইব্রাহিম মোল্লা এই প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আজ বিদ্যালয়ের ভবনে বিকট শব্দ হলে শিক্ষার্থীসহ সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। আতঙ্কের কারণে শিক্ষার্থীরা ভবন থেকে বেরিয়ে যায়। তাই এই ভবনটি পরিত্যক্ত করে নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে বিকট শব্দে আতঙ্কিত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান রেজাউল করিম। পরিদর্শন শেষে ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবনে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় কে বি মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয়ে সাময়িক সময়ের জন্য পাঠদান কার্যক্রম স্থানান্তর করা হয়।