ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী জলাবদ্ধতা নিরসনে পদক্ষেপ নিলেন বকশীগঞ্জের বিএনপি নেতা শাকিল যুবদল নেতা মোখলেস ও মহিলা দলনেত্রী মনির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল জামালপুরে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন ফোরাম গঠিত জামালপুর লিগ্যাল এইড অফিসারের সাথে এম্পাওয়ারহারের মতবিনিময় জামালপুরে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে হবে : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী পানি জমে মরে গেছে জামালপুরে হর্টিকালচার সেন্টারের ১৩৭টি মাতৃ লিচু গাছ শরিফপুরে ত্রিশ বছরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মাঠে নামলেন দুই নেতা টিএসপিতে অসামান্য অবদানে মিজানুর রহমানকে সংবর্ধনা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জামালপুরে সনাকের মানববন্ধন

জামালপুর : বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সনাক আয়োজিত মানববন্ধন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‘পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন, এখনই সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরে কার্যকর পদক্ষেপের’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়েছে। ৭ জুন, রবিবার দুপুরে এ উপলক্ষ্যে জামালপুর শহরের ফৌজদারি মোড়ে মানববন্ধনের আয়োজন করে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) জামালপুর ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।

সনাক সভাপতি শামীমা খানের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ক্যাব জামালপুরের সভাপতি অধ্যাপক মাসুম আলম খান, সনাক সদস্য মনোয়ারা খানম, পরিবেশ বাচাঁও আন্দোলন-পবা জামালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী ইউসুফ আলী, জামালপুর পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা জামালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মো, শফিকুল ইসলাম, সনাক সদস্য আসমাউল আসিফ, ইয়েস গ্রুপের সহ-দলনেতা রত্ন বারই প্রমুখ।

সনাক সভাপতি শামীমা খান বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা সংক্রান্ত আইন, নীতি ও পরিকল্পনায় জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অভিযোজন ও টিকে থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করতে হবে। জলাভূমি দখল ও বন উজাড় বন্ধের মাধ্যমে পরিবেশের উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর প্রাকৃতিক সম্পদকেন্দ্রিক অভিযোজনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। প্লাস্টিক দূষণসহ অকার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা ঢেলে সাজাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট ই-বর্জ্য কিভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে তার নির্দেশনা সম্বলিত একটি ‘দুর্যোগকালীন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রটোকল’ প্রস্তুত করতে হবে।

এছাড়াও অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার সংক্রান্ত কার্যক্রমে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরকারের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সরকারের উদাসীনতার কারণে নদী, খাল, বিল দখল ও দূষণের শিকার হচ্ছে। পরিবেশের বিরূপ প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও আইনি জটিলতায় মামলা করার ক্ষেত্রে হয়রানি হতে হয়। এছাড়াও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের উপর। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার ও দূষণ রোধে সরকার ও বিশ্ব নেতাদের এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জামালপুরে সনাকের মানববন্ধন

আপডেট সময় ১০:০২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

‘পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন, এখনই সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরে কার্যকর পদক্ষেপের’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপিত হয়েছে। ৭ জুন, রবিবার দুপুরে এ উপলক্ষ্যে জামালপুর শহরের ফৌজদারি মোড়ে মানববন্ধনের আয়োজন করে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) জামালপুর ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।

সনাক সভাপতি শামীমা খানের সভাপতিত্বে এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ক্যাব জামালপুরের সভাপতি অধ্যাপক মাসুম আলম খান, সনাক সদস্য মনোয়ারা খানম, পরিবেশ বাচাঁও আন্দোলন-পবা জামালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী ইউসুফ আলী, জামালপুর পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা জামালপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়কারী মো, শফিকুল ইসলাম, সনাক সদস্য আসমাউল আসিফ, ইয়েস গ্রুপের সহ-দলনেতা রত্ন বারই প্রমুখ।

সনাক সভাপতি শামীমা খান বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা সংক্রান্ত আইন, নীতি ও পরিকল্পনায় জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর অভিযোজন ও টিকে থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কার্যক্রমে প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করতে হবে। জলাভূমি দখল ও বন উজাড় বন্ধের মাধ্যমে পরিবেশের উপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর প্রাকৃতিক সম্পদকেন্দ্রিক অভিযোজনের সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। প্লাস্টিক দূষণসহ অকার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা থেকে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা ঢেলে সাজাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট ই-বর্জ্য কিভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে তার নির্দেশনা সম্বলিত একটি ‘দুর্যোগকালীন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রটোকল’ প্রস্তুত করতে হবে।

এছাড়াও অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার সংক্রান্ত কার্যক্রমে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সরকারের পক্ষ থেকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সরকারের উদাসীনতার কারণে নদী, খাল, বিল দখল ও দূষণের শিকার হচ্ছে। পরিবেশের বিরূপ প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও আইনি জটিলতায় মামলা করার ক্ষেত্রে হয়রানি হতে হয়। এছাড়াও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের উপর। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার ও দূষণ রোধে সরকার ও বিশ্ব নেতাদের এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।