ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপিত

জামালপুর : আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মোহাব্বত আলী ফকির। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

১৩ মার্চ ১৯৭১ সালে জামালপুরের প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপন উপলক্ষে উদযাপন পরিষদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া (হিরু) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ মার্চ, শুক্রবার বিকালে জামালপুর শহরের বকুলতলায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আমীর উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মোহাব্বত আলী ফকির।

মোহাব্বত আলী ফকির বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে। আমরা কোনভাবেই আপস করছি না। মধুপুর পর্যন্ত যখন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী চলে আসে। তখন জামালপুরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিদিন একদল সাহসী এবং মুক্তিকামী মানুষ মধুপুরের যে সড়ক দিয়ে জামালপুরে প্রবেশ করা হয় সেই সড়কে গাছ কেটে রাস্তাকে প্রতিরোধ করে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তখন এমন সময় ছিল। ছাত্র সংসদ পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মার্চের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে মিছিল আসত।

তিনি আরও বলেন, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশাল মিছিল। সেই মিছিলে স্লোগান দিত, তুমি কে? আমি কে? বাঙালি, বাঙালি। জাগো, জাগো, বাঙালি জাগো। ঢাকা না পিণ্ডি? ঢাকা, ঢাকা। ইত্যাদি স্লোগান দিত। তবে সেই দিন পাকিস্তানী পতাকাকে পুড়িয়ে ফেলার পূর্বে কেরোসিন দিয়ে ভেজানোর প্রয়োজন পড়ে। তা না হলে পতাকাটা সঠিকভাবে পুড়ত না। পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে তারপর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

গোপালপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক সাযযাদ আনসারী, মানবাধিকারকর্মী ও বাংলারচিঠিডটকম এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক নুরুল মোমেন আকন্দ কাওছার, জাসাস জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম সজল, ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম, জেএসডি ছাত্রলীগ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া হিরুসহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপিত

আপডেট সময় ১০:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

১৩ মার্চ ১৯৭১ সালে জামালপুরের প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপন উপলক্ষে উদযাপন পরিষদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া (হিরু) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ মার্চ, শুক্রবার বিকালে জামালপুর শহরের বকুলতলায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আমীর উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মোহাব্বত আলী ফকির।

মোহাব্বত আলী ফকির বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে। আমরা কোনভাবেই আপস করছি না। মধুপুর পর্যন্ত যখন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী চলে আসে। তখন জামালপুরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিদিন একদল সাহসী এবং মুক্তিকামী মানুষ মধুপুরের যে সড়ক দিয়ে জামালপুরে প্রবেশ করা হয় সেই সড়কে গাছ কেটে রাস্তাকে প্রতিরোধ করে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তখন এমন সময় ছিল। ছাত্র সংসদ পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মার্চের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে মিছিল আসত।

তিনি আরও বলেন, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশাল মিছিল। সেই মিছিলে স্লোগান দিত, তুমি কে? আমি কে? বাঙালি, বাঙালি। জাগো, জাগো, বাঙালি জাগো। ঢাকা না পিণ্ডি? ঢাকা, ঢাকা। ইত্যাদি স্লোগান দিত। তবে সেই দিন পাকিস্তানী পতাকাকে পুড়িয়ে ফেলার পূর্বে কেরোসিন দিয়ে ভেজানোর প্রয়োজন পড়ে। তা না হলে পতাকাটা সঠিকভাবে পুড়ত না। পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে তারপর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

গোপালপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক সাযযাদ আনসারী, মানবাধিকারকর্মী ও বাংলারচিঠিডটকম এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক নুরুল মোমেন আকন্দ কাওছার, জাসাস জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম সজল, ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম, জেএসডি ছাত্রলীগ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া হিরুসহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।