ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপিত

জামালপুর : আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মোহাব্বত আলী ফকির। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

১৩ মার্চ ১৯৭১ সালে জামালপুরের প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপন উপলক্ষে উদযাপন পরিষদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া (হিরু) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ মার্চ, শুক্রবার বিকালে জামালপুর শহরের বকুলতলায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আমীর উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মোহাব্বত আলী ফকির।

মোহাব্বত আলী ফকির বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে। আমরা কোনভাবেই আপস করছি না। মধুপুর পর্যন্ত যখন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী চলে আসে। তখন জামালপুরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিদিন একদল সাহসী এবং মুক্তিকামী মানুষ মধুপুরের যে সড়ক দিয়ে জামালপুরে প্রবেশ করা হয় সেই সড়কে গাছ কেটে রাস্তাকে প্রতিরোধ করে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তখন এমন সময় ছিল। ছাত্র সংসদ পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মার্চের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে মিছিল আসত।

তিনি আরও বলেন, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশাল মিছিল। সেই মিছিলে স্লোগান দিত, তুমি কে? আমি কে? বাঙালি, বাঙালি। জাগো, জাগো, বাঙালি জাগো। ঢাকা না পিণ্ডি? ঢাকা, ঢাকা। ইত্যাদি স্লোগান দিত। তবে সেই দিন পাকিস্তানী পতাকাকে পুড়িয়ে ফেলার পূর্বে কেরোসিন দিয়ে ভেজানোর প্রয়োজন পড়ে। তা না হলে পতাকাটা সঠিকভাবে পুড়ত না। পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে তারপর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

গোপালপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক সাযযাদ আনসারী, মানবাধিকারকর্মী ও বাংলারচিঠিডটকম এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক নুরুল মোমেন আকন্দ কাওছার, জাসাস জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম সজল, ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম, জেএসডি ছাত্রলীগ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া হিরুসহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার প্রথম পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপিত

আপডেট সময় ১০:৫৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

১৩ মার্চ ১৯৭১ সালে জামালপুরের প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন দিবস উদযাপন উপলক্ষে উদযাপন পরিষদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া (হিরু) ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ মার্চ, শুক্রবার বিকালে জামালপুর শহরের বকুলতলায় পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক আমীর উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী মোহাব্বত আলী ফকির।

মোহাব্বত আলী ফকির বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করতে হবে। আমরা কোনভাবেই আপস করছি না। মধুপুর পর্যন্ত যখন পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী চলে আসে। তখন জামালপুরকে রক্ষা করার জন্য প্রতিদিন একদল সাহসী এবং মুক্তিকামী মানুষ মধুপুরের যে সড়ক দিয়ে জামালপুরে প্রবেশ করা হয় সেই সড়কে গাছ কেটে রাস্তাকে প্রতিরোধ করে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। তখন এমন সময় ছিল। ছাত্র সংসদ পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিদিন মার্চের সেই উত্তাল দিনগুলোতে আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে মিছিল আসত।

তিনি আরও বলেন, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিশাল মিছিল। সেই মিছিলে স্লোগান দিত, তুমি কে? আমি কে? বাঙালি, বাঙালি। জাগো, জাগো, বাঙালি জাগো। ঢাকা না পিণ্ডি? ঢাকা, ঢাকা। ইত্যাদি স্লোগান দিত। তবে সেই দিন পাকিস্তানী পতাকাকে পুড়িয়ে ফেলার পূর্বে কেরোসিন দিয়ে ভেজানোর প্রয়োজন পড়ে। তা না হলে পতাকাটা সঠিকভাবে পুড়ত না। পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে তারপর জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

গোপালপুর ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ফেরদৌসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কবি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক সাযযাদ আনসারী, মানবাধিকারকর্মী ও বাংলারচিঠিডটকম এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক নুরুল মোমেন আকন্দ কাওছার, জাসাস জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম সজল, ডাক্তার ফরিদুল ইসলাম, জেএসডি ছাত্রলীগ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মিয়া হিরুসহ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল বীর শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।