ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ মেলান্দহে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ইটভাটার চিমনি ধ্বংস বকশীগঞ্জে অ্যাপসে সার বিতরণের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জ : সিলিং ফ্যানে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি, গ্রেপ্তার ৫ মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী

জামালপুর : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি : সংগৃহীত

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। ফলে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

৭ মার্চ, শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি ব্রিফ করেছি। তবে আগেও বলেছি, এখনও বলেছি-তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই।

তিনি জানান, যুদ্ধ কতদিন চলবে তা নিশ্চিত না হওয়ায় সরকার সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত আকারে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে তা দেখে অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আসলে আমাদের দেশে তেলের কোনো অভাব নেই। ৯ তারিখে আরও দুটি ভেসেল আসছে। গণমাধ্যমের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে-আপনারা জনগণকে এই বার্তাটা দিন যে তাড়াহুড়া করে তেল কেনার কোনো দরকার নেই। আমাদের কাছে মজুত আছে, আমরা নিয়মিত পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ করছি। মানুষ তেল নিতে গেলে তেল পাবে। সারা রাত লাইন দিয়ে থাকারও কোনো প্রয়োজন নেই।

কিছু পাম্পে তেল না পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল দিচ্ছি। কোন পাম্প যদি দ্রুত বিক্রি করে ফেলে, তাহলে তো আর সঙ্গে সঙ্গে তেল পাবে না। পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে আমরা বিষয়টি মনিটর করছি।

কোনো পাম্প কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি লাভের আশায় তেল বিক্রি বন্ধ রাখছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দেখা হবে। আমাদের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আছে, কাল থেকেই আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নামাবো। সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন, আমরা কাতার থেকে এলএনজি আনি। এর বাইরে বিকল্প ব্যবস্থাও আছে। আমরা সেগুলো নিয়েও কাজ করছি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংকট না হয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এলএনজি, এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো সংকট না হয়, সে জন্য সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।

এ সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমান উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস

বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি তেলবাহী জাহাজ আসছে। ফলে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

৭ মার্চ, শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি ব্রিফ করেছি। তবে আগেও বলেছি, এখনও বলেছি-তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোন কারণ নেই।

তিনি জানান, যুদ্ধ কতদিন চলবে তা নিশ্চিত না হওয়ায় সরকার সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত আকারে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে তা দেখে অনেক মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আসলে আমাদের দেশে তেলের কোনো অভাব নেই। ৯ তারিখে আরও দুটি ভেসেল আসছে। গণমাধ্যমের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে-আপনারা জনগণকে এই বার্তাটা দিন যে তাড়াহুড়া করে তেল কেনার কোনো দরকার নেই। আমাদের কাছে মজুত আছে, আমরা নিয়মিত পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ করছি। মানুষ তেল নিতে গেলে তেল পাবে। সারা রাত লাইন দিয়ে থাকারও কোনো প্রয়োজন নেই।

কিছু পাম্পে তেল না পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল দিচ্ছি। কোন পাম্প যদি দ্রুত বিক্রি করে ফেলে, তাহলে তো আর সঙ্গে সঙ্গে তেল পাবে না। পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে আমরা বিষয়টি মনিটর করছি।

কোনো পাম্প কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি লাভের আশায় তেল বিক্রি বন্ধ রাখছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দেখা হবে। আমাদের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা আছে, কাল থেকেই আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে নামাবো। সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেন, আমরা কাতার থেকে এলএনজি আনি। এর বাইরে বিকল্প ব্যবস্থাও আছে। আমরা সেগুলো নিয়েও কাজ করছি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংকট না হয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে এলএনজি, এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো সংকট না হয়, সে জন্য সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নিচ্ছে।

এ সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমান উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস