ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

ইসলামপুরে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ

ইসলামপুর : ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জ্বালানি তেল পাম্প ও খুচরা দোকানে তেল বিক্রি বন্ধ করে দোকানপাট তালা লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা উধাও হয়েছে। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও ট্রাক্টর চালকসহ সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। এই গুজবে সংকট সৃষ্টি ও অধিক লাভের আশায় মজুত তেল রেখেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ও ডিলারেরা দোকান তালা দিয়ে উধাও হয়েছেন। অন্যদিকে ডিলারেরা ডিপো থেকে চাহিদামত জ্বালানি না পাওয়ার অভিযোগ করছেন।

৬ মার্চ, শুক্রবার রাত ও ৭ মার্চ, শনিবার পৌর এলাকার টংগের আলগা এলাকায় উপজেলার একমাত্র ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, খোলা বাজারের সকল দোকান বন্ধ থাকায় তেল নিতে পাম্পে ভিড় করেছেন চালকেরা। মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও সংশ্লিষ্টরা তেল বিক্রি বন্ধ রাখায় অপেক্ষার পরও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে উপজেলায় প্রায় ৬০ জন খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। এছাড়াও পৌর শহরের গুরুস্থান মোড়ে সওদাগর পেট্রোলিয়াম মোশারফ গঞ্জ বাজারে ফকির পেট্রোলিয়াম, ধর্মকুড়া বাজারে ঝর্ণা অয়েল মিল, গুঠাইল বাজারে জাহাঙ্গীর ট্রেডার্স, বঙ্গবন্ধু মোড়ে মুন্নি টেডার্সসহ উপজেলায় প্রায় ১০ জন ডিলার রয়েছেন। সিরাজগঞ্জের ডিপো থেকে প্রতিদিন চাহিদা মত জ্বালানি তেল না পাওয়া ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সওদাগর পেট্রোলিয়াম ডিলার মিস্টার আলী বলেন, যতটুকু জ্বালানি তেল পাই তা দিয়ে গ্রাহকের চাহিদা পুরণ হচ্ছে না। সকালেই দোকান খোলা মাত্রই শেষ হয়ে যায়।

মুন্নি ট্রেডার্সের ডিলার আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন যা প্রয়োজন তার অর্ধেকও ডিপো থেকে পাচ্ছিনা। তাই দোকান বন্ধ করে রেখেছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্তে¡ও তেল বিক্রি বন্ধ রাখাকে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন। এ বিষয়ে সচেতন মহল অবিলম্বে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

ইসলামপুরে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ

আপডেট সময় ১১:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় জ্বালানি তেল পাম্প ও খুচরা দোকানে তেল বিক্রি বন্ধ করে দোকানপাট তালা লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা উধাও হয়েছে। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও ট্রাক্টর চালকসহ সাধারণ মানুষ।

জানা গেছে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। এই গুজবে সংকট সৃষ্টি ও অধিক লাভের আশায় মজুত তেল রেখেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ও ডিলারেরা দোকান তালা দিয়ে উধাও হয়েছেন। অন্যদিকে ডিলারেরা ডিপো থেকে চাহিদামত জ্বালানি না পাওয়ার অভিযোগ করছেন।

৬ মার্চ, শুক্রবার রাত ও ৭ মার্চ, শনিবার পৌর এলাকার টংগের আলগা এলাকায় উপজেলার একমাত্র ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, খোলা বাজারের সকল দোকান বন্ধ থাকায় তেল নিতে পাম্পে ভিড় করেছেন চালকেরা। মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিনচালিত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও সংশ্লিষ্টরা তেল বিক্রি বন্ধ রাখায় অপেক্ষার পরও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে উপজেলায় প্রায় ৬০ জন খুচরা বিক্রেতা রয়েছে। এছাড়াও পৌর শহরের গুরুস্থান মোড়ে সওদাগর পেট্রোলিয়াম মোশারফ গঞ্জ বাজারে ফকির পেট্রোলিয়াম, ধর্মকুড়া বাজারে ঝর্ণা অয়েল মিল, গুঠাইল বাজারে জাহাঙ্গীর ট্রেডার্স, বঙ্গবন্ধু মোড়ে মুন্নি টেডার্সসহ উপজেলায় প্রায় ১০ জন ডিলার রয়েছেন। সিরাজগঞ্জের ডিপো থেকে প্রতিদিন চাহিদা মত জ্বালানি তেল না পাওয়া ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা তাদের চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

সওদাগর পেট্রোলিয়াম ডিলার মিস্টার আলী বলেন, যতটুকু জ্বালানি তেল পাই তা দিয়ে গ্রাহকের চাহিদা পুরণ হচ্ছে না। সকালেই দোকান খোলা মাত্রই শেষ হয়ে যায়।

মুন্নি ট্রেডার্সের ডিলার আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন যা প্রয়োজন তার অর্ধেকও ডিপো থেকে পাচ্ছিনা। তাই দোকান বন্ধ করে রেখেছি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছেন। পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্তে¡ও তেল বিক্রি বন্ধ রাখাকে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন। এ বিষয়ে সচেতন মহল অবিলম্বে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।