জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলায় বীর নিবাস নির্মাণকাজে ধীরগতি, অনিয়ম, ঘুষ দাবি ও মুক্তিযোদ্ধাকে কটাক্ষের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষকে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ও দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম বামনা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম ইসলামপুর প্রেসক্লাবে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, বীর নিবাস নির্মাণে কাজের অনিয়ম ও ধীরগতি বিষয় নিয়ে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে অফিস সহকারীর সঙ্গে ফাইল ‘ঠিক’ করার পরামর্শ দেন পিআইও। ওই অফিস সহকারী বিল ছাড়ের জন্য ৪ শতাংশ অর্থ ঘুষের ইঙ্গিত দেন।
পরে আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে আবারও গিয়ে ঘুষ দাবির বিষয়টি বললে ওই কর্মকর্তা রাগান্তিত হয়ে তাকে যান যান আমি বীর নিবাস করব না, বলে কটাক্ষ করে তাড়িয়ে দেন।
জানা গেছে, বীর মুক্তিযুদ্ধা রফিকুল ইসলামের জন্য সরকারি বরাদ্দে বীর নিবাস নির্মাণের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ঠিকাদার বিল না পাওয়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ রেখেছেন। সরকারের দেওয়া ঘর নির্মাণে অগ্রগতি না থাকায় কয়েকদিনে একাধিকবার উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে কটাক্ষের স্বীকার হন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাৎক্ষণিক প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি তার এখতিয়ারভুক্ত নয় বলে মুক্তিযোদ্ধাকে জানিয়ে দিয়েছেন ইউএনও।
এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তা নূর-এ শেফা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাজমুল হোসাইন এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বিষয়ে আপাতত কোন মন্তব্য করতে পারছি না।
লিয়াকত হোসাইন লায়ন : নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম 



















