ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইসলামপুরে মুক্তিযোদ্ধাকে কটাক্ষ! বীর নিবাস নির্মাণে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ

ইসলামপুর : বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলায় বীর নিবাস নির্মাণকাজে ধীরগতি, অনিয়ম, ঘুষ দাবি ও মুক্তিযোদ্ধাকে কটাক্ষের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষকে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ও দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় ২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম বামনা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম ইসলামপুর প্রেসক্লাবে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, বীর নিবাস নির্মাণে কাজের অনিয়ম ও ধীরগতি বিষয় নিয়ে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে অফিস সহকারীর সঙ্গে ফাইল ‘ঠিক’ করার পরামর্শ দেন পিআইও। ওই অফিস সহকারী বিল ছাড়ের জন্য ৪ শতাংশ অর্থ ঘুষের ইঙ্গিত দেন।

পরে আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে আবারও গিয়ে ঘুষ দাবির বিষয়টি বললে ওই কর্মকর্তা রাগান্তিত হয়ে তাকে যান যান আমি বীর নিবাস করব না, বলে কটাক্ষ করে তাড়িয়ে দেন।

জানা গেছে, বীর মুক্তিযুদ্ধা রফিকুল ইসলামের জন্য সরকারি বরাদ্দে বীর নিবাস নির্মাণের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ঠিকাদার বিল না পাওয়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ রেখেছেন। সরকারের দেওয়া ঘর নির্মাণে অগ্রগতি না থাকায় কয়েকদিনে একাধিকবার উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে কটাক্ষের স্বীকার হন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাৎক্ষণিক প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি তার এখতিয়ারভুক্ত নয় বলে মুক্তিযোদ্ধাকে জানিয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তা নূর-এ শেফা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাজমুল হোসাইন এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বিষয়ে আপাতত কোন মন্তব্য করতে পারছি না।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ইসলামপুরে মুক্তিযোদ্ধাকে কটাক্ষ! বীর নিবাস নির্মাণে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুরে উপজেলায় বীর নিবাস নির্মাণকাজে ধীরগতি, অনিয়ম, ঘুষ দাবি ও মুক্তিযোদ্ধাকে কটাক্ষের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষকে নিরপেক্ষ তদন্ত করে ও দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় ২৬ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম বামনা এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম ইসলামপুর প্রেসক্লাবে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, বীর নিবাস নির্মাণে কাজের অনিয়ম ও ধীরগতি বিষয় নিয়ে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে অফিস সহকারীর সঙ্গে ফাইল ‘ঠিক’ করার পরামর্শ দেন পিআইও। ওই অফিস সহকারী বিল ছাড়ের জন্য ৪ শতাংশ অর্থ ঘুষের ইঙ্গিত দেন।

পরে আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে আবারও গিয়ে ঘুষ দাবির বিষয়টি বললে ওই কর্মকর্তা রাগান্তিত হয়ে তাকে যান যান আমি বীর নিবাস করব না, বলে কটাক্ষ করে তাড়িয়ে দেন।

জানা গেছে, বীর মুক্তিযুদ্ধা রফিকুল ইসলামের জন্য সরকারি বরাদ্দে বীর নিবাস নির্মাণের কাজ দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে আছে। ঠিকাদার বিল না পাওয়ার অজুহাতে কাজ বন্ধ রেখেছেন। সরকারের দেওয়া ঘর নির্মাণে অগ্রগতি না থাকায় কয়েকদিনে একাধিকবার উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে কটাক্ষের স্বীকার হন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাৎক্ষণিক প্রতিকার চেয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি তার এখতিয়ারভুক্ত নয় বলে মুক্তিযোদ্ধাকে জানিয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

এ বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তা নূর-এ শেফা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাজমুল হোসাইন এ প্রতিবেদককে বলেন, এ বিষয়ে আপাতত কোন মন্তব্য করতে পারছি না।