ঢাকা ০৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

অপরিকল্পিত ড্রেন পুনরায় নির্মাণের আশ্বাস সড়ক বিভাগের

জামালপুর : সওজ’র দু’জন প্রকৌশলী স্থানীয়দের নিয়ে বকুলতলা এলাকায় নির্মাণাধীন ড্রেনের কাজ পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মোড় হচ্ছে বকুলতলা। সড়ক বিভাগের ৮ ফুট বাড়তি জায়গা থাকার পরও রাস্তা কেটে ড্রেন নির্মাণ করায় সড়কটি আরও চাপা হয়ে গেছে।

এটা একটা টার্নিং স্থান। যেখানে রাস্তা প্রশস্ত হওয়ার কথা, সেখানে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে।বকুলতলা মোড়ে রয়েছে একাধিক সরকারি অফিস, পূবালি ব্যাংক, কোচিং সেন্টার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ট্রাফিক পুলিশ অফিস, পুলিশ ফাঁড়ি, সন্নিকটেই পৌরসভা, শহীদ অডিটরিয়াম, জিলা স্কুল, একাধিক বেসরকারি হাসপাতালসহ অসংখ্য শপিং মল, বাসাবাড়ি।ডিসি, অফিস, এসপি অফিস, জেনারেল হাসপাতাল, জেলা পরিষদ, জজ কোর্ট, সরকারি কোয়ার্টার, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জেলখানাসহ অসংখ্য সরকারি অফিসে যেতে হলে এ মোড় হয়ে যেতে হয়।

এর আগেও আমি এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। আজ ৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর ডাকে সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এই ড্রেন করায় মসজিদে যাতায়াতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মুসল্লিরা। টিএনটি অফিস জলমগ্ন হয়ে আছে। বড় গাড়ি চলাচলের সময় অসহনীয় যানজট তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা সঙ্কট তৈরি হয়েছে। স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সময় ক্ষেপণের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝু্ঁকি সৃষ্ট হয়েছে।

অবশেষে জামালপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে ফোনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। তিনি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন। এরপর তিনি তার দপ্তরের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তারা সরেজমিনে দেখে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে ড্রেনটি পুনরায় নির্মাণের আশ্বাস দেন। ঠিকাদারের সাথে কথা বললে তিনি স্থানীয় জনগণের মতামতের উপর গুরুত্ব দিয়ে ভর্তুকি দিয়ে হলেও কাজটি করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী আসছে ১৪ সেপ্টেম্বর, রবিবার মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারের আশ্বাসে তা তারা স্থগিত করেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ অভিমত প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন যদি হয় মানুষের কল্যাণে, তাহলে নীতিনির্ধারকেরা কেন তাদের মতামত নেন না। তারা বলেন, ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এর সমাধানের জন্য কাজ শুরু করা না হলে সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন। এখন অপেক্ষা কত দ্রুত কাজটি শুরু করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

অপরিকল্পিত ড্রেন পুনরায় নির্মাণের আশ্বাস সড়ক বিভাগের

আপডেট সময় ০৮:৩৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জামালপুর শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও মোড় হচ্ছে বকুলতলা। সড়ক বিভাগের ৮ ফুট বাড়তি জায়গা থাকার পরও রাস্তা কেটে ড্রেন নির্মাণ করায় সড়কটি আরও চাপা হয়ে গেছে।

এটা একটা টার্নিং স্থান। যেখানে রাস্তা প্রশস্ত হওয়ার কথা, সেখানে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে।বকুলতলা মোড়ে রয়েছে একাধিক সরকারি অফিস, পূবালি ব্যাংক, কোচিং সেন্টার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ট্রাফিক পুলিশ অফিস, পুলিশ ফাঁড়ি, সন্নিকটেই পৌরসভা, শহীদ অডিটরিয়াম, জিলা স্কুল, একাধিক বেসরকারি হাসপাতালসহ অসংখ্য শপিং মল, বাসাবাড়ি।ডিসি, অফিস, এসপি অফিস, জেনারেল হাসপাতাল, জেলা পরিষদ, জজ কোর্ট, সরকারি কোয়ার্টার, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ, জেলখানাসহ অসংখ্য সরকারি অফিসে যেতে হলে এ মোড় হয়ে যেতে হয়।

এর আগেও আমি এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। আজ ৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর ডাকে সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এই ড্রেন করায় মসজিদে যাতায়াতে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন মুসল্লিরা। টিএনটি অফিস জলমগ্ন হয়ে আছে। বড় গাড়ি চলাচলের সময় অসহনীয় যানজট তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বেচাকেনা সঙ্কট তৈরি হয়েছে। স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সময় ক্ষেপণের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝু্ঁকি সৃষ্ট হয়েছে।

অবশেষে জামালপুর সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে ফোনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি। তিনি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছেন। এরপর তিনি তার দপ্তরের জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তারা সরেজমিনে দেখে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে ড্রেনটি পুনরায় নির্মাণের আশ্বাস দেন। ঠিকাদারের সাথে কথা বললে তিনি স্থানীয় জনগণের মতামতের উপর গুরুত্ব দিয়ে ভর্তুকি দিয়ে হলেও কাজটি করে দেওয়ার আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী আসছে ১৪ সেপ্টেম্বর, রবিবার মানববন্ধনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারের আশ্বাসে তা তারা স্থগিত করেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ অভিমত প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন যদি হয় মানুষের কল্যাণে, তাহলে নীতিনির্ধারকেরা কেন তাদের মতামত নেন না। তারা বলেন, ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এর সমাধানের জন্য কাজ শুরু করা না হলে সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন। এখন অপেক্ষা কত দ্রুত কাজটি শুরু করা হবে।