‘শিশু থেকে প্রবীণ, পুষ্টিকর খাবার সর্বজনীন’ এ স্লোগান সামনে রেখে জাতীয় পু্ষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে ৩১ মে, শনিবার উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসির শেওলা সভাকক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সিভিল সার্জনের কার্যালয় আয়োজিত এই মা সমাবেশে সার্বিক সহযোগিতা করে উন্নয়ন সংঘ।
মা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক সকল মায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় তার ও মায়ের পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন। গর্ভে পুষ্টি না পেলে সন্তান পুষ্ট হয়ে জন্মলাভ করবে না। একজন গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের সাথে স্বামীর বাড়িতে বৈষম্য যেন চিরাচরিত নিয়মে পরণত হয়েছে। তাই অধিকাংশ মেয়ের প্রসব হয় বাবার বাড়িতে। বৈষম্যের শিকার প্রতিটি গর্ভজাত সন্তানের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিষয়টি আমরা সচেতনভাবেই চর্চা করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে বিরুপ আচরণে গড়ে তুলছি।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, প্রজাতন্ত্রের মালিক হিসাবে জনগণকে সম্মানের সাথে স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা দিতে এবং জনবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অবদান রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যেকোনো সময় যে কেউ স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতাল অথবা সরকারি যেকোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান তিনি।
মা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা। সংস্থার মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মোবাশ্বেরা হক, জেলা স্বাস্থ্য শিক্ষাা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা রকিবুল ইসলাম, উন্নয়ন সংঘের পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল, স্ক্রিপ্ট প্রকল্পের ব্যবস্থাপক লিটন সরকার, মায়েদের প্রতিনিধি সম্পা আক্তার ও রিমা আক্তার প্রমুখ। মা সমাবেশে পুষ্টি কর্মীসহ অর্ধশতাধিক মা অংশ নেন।
জানা যায়, জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে শোভাযাত্রা, উঠান বৈঠক, আলোচনা সভা, মা সমাবেশ, পুষ্টিকর খাদ্য প্রদর্শন, লিফলেট বিতরণ, মাইকিংসহ বিভিন্ন উদ্বুদ্ধমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। ৩ জুন মঙ্গলবার জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন শেষ হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 









