ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রাকৃতিক দুর্যোগ

বকশীগঞ্জ দেওয়ানগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় ১৭ মেট্রিক টন জিআর চাল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জামালপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অতিবর্ষণে মেরুরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত আইরমারী নতুনপাড়ায় দশানি নদীর আনুমানিক ছয় কিলোমিটার জায়গায় বসতবাড়ি ভাঙন শুরু হয়েছে। ওই নদীর উপর এলজিইডির মাধ্যমে একটি নির্মিত সেতুও ভেঙে পড়েছে। এতে বকশীগঞ্জ থেকে দেওয়ানগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়।

উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে উপজেলা পরিষদ থেকে রাজস্ব উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ও এলজিইডি অফিসের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তাৎক্ষণিক বালু, ইট ও খোয়া অন্যান্য সামগ্রী দ্বারা প্রাথমিক মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০৬টি পরিবারের নামের তালিকা তৈরি করে প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি হারে ৩ দশমিক ১৮০ মেট্রিক টন জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে ১৭ মে, শনিবার জেলার ইসলামপুর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৬৮০টি পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারের অনুকূলে ২০ কেজি হারে ১৩ দশমিক ৬০০ মেট্রিক টন জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে ভূমিসেবা মেলা সমাপ্ত

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

বকশীগঞ্জ দেওয়ানগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় ১৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

আপডেট সময় ০৯:১৭:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় ১৭ মেট্রিক টন জিআর চাল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জামালপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বকশীগঞ্জ উপজেলায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অতিবর্ষণে মেরুরচর ইউনিয়নের অন্তর্গত আইরমারী নতুনপাড়ায় দশানি নদীর আনুমানিক ছয় কিলোমিটার জায়গায় বসতবাড়ি ভাঙন শুরু হয়েছে। ওই নদীর উপর এলজিইডির মাধ্যমে একটি নির্মিত সেতুও ভেঙে পড়েছে। এতে বকশীগঞ্জ থেকে দেওয়ানগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়।

উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙন রোধে উপজেলা পরিষদ থেকে রাজস্ব উন্নয়ন তহবিলের অর্থ ও এলজিইডি অফিসের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে তাৎক্ষণিক বালু, ইট ও খোয়া অন্যান্য সামগ্রী দ্বারা প্রাথমিক মেরামতের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০৬টি পরিবারের নামের তালিকা তৈরি করে প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি হারে ৩ দশমিক ১৮০ মেট্রিক টন জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে ১৭ মে, শনিবার জেলার ইসলামপুর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৬৮০টি পরিবারের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারের অনুকূলে ২০ কেজি হারে ১৩ দশমিক ৬০০ মেট্রিক টন জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে।