ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস : মাদারগঞ্জে শোভাযাত্রা আলোচনা সভা নকলায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই সবকিছু শেরপুরে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন ৩৫ বিজিবির অভিযান : ভারতীয় মদ, কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার একদিকে নদীভাঙন প্রতিরোধ : অন্যদিকে ড্রেজার বসিয়ে বালু লুট : এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

হাটচন্দ্রায় মাকে হত্যা, ছেলে গ্রেপ্তার

জামালপুর : গ্রেপ্তার মনজুরুল ইসলাম। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছেলে মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার চর নাওভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৭ এপ্রিল দুপুরে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সল মো. আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১৫ এপ্রিল সকালে জামালপুর পৌরশহরের হাটচন্দ্রা এলাকায় নিজ বাড়িতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে (৬৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম। এ সময় গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। ঘটনার পরের দিন নিহতের ছোট ছেলে জীবন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারে জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায় পুলিশ। এক পর্যায়ে ১৭ এপ্রিল ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার নাওভাঙ্গা চর থেকে আসামি মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, মনজিলা বেগম জিরা নিজের চোখের চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাতে কম্পপুর এলাকার গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলের কাছে ১৬ হাজার টাকায় নিজ বাড়ির তিনটি গাছ বিক্রি করেন এবং অগ্রীম ৯ হাজার টাকা বুঝে নেন। গত ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে ফরিদ মন্ডল (৪৫) ও তার লোকজন গাছ কাটতে আসলে বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম (৪০) বাধা দেয়। মনজুরুল তার মাকে বলে আরও বেশি দামে গাছ বিক্রি করা যাবে কিন্তু এনিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ মন্ডলকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে মনজুরুল। এ সময় ছেলেকে বাধা দিলে মাকেও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। বাড়িতে লোকজন আসতে দেখে মনজুরুল পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা আহত গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনার পরের দিন ১৬ এপ্রিল নিহতের ছোট ছেলে জীবন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের

হাটচন্দ্রায় মাকে হত্যা, ছেলে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৯:০৯:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

জামালপুরে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছেলে মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার চর নাওভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৭ এপ্রিল দুপুরে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সল মো. আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১৫ এপ্রিল সকালে জামালপুর পৌরশহরের হাটচন্দ্রা এলাকায় নিজ বাড়িতে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মা মনজিলা বেগম জিরাকে (৬৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম। এ সময় গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। ঘটনার পরের দিন নিহতের ছোট ছেলে জীবন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিকে গ্রেপ্তারে জামালপুরসহ বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালায় পুলিশ। এক পর্যায়ে ১৭ এপ্রিল ভোরে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার নাওভাঙ্গা চর থেকে আসামি মনজুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

উল্লেখ্য, মনজিলা বেগম জিরা নিজের চোখের চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাতে কম্পপুর এলাকার গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলের কাছে ১৬ হাজার টাকায় নিজ বাড়ির তিনটি গাছ বিক্রি করেন এবং অগ্রীম ৯ হাজার টাকা বুঝে নেন। গত ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকালে ফরিদ মন্ডল (৪৫) ও তার লোকজন গাছ কাটতে আসলে বড় ছেলে মনজুরুল ইসলাম (৪০) বাধা দেয়। মনজুরুল তার মাকে বলে আরও বেশি দামে গাছ বিক্রি করা যাবে কিন্তু এনিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ মন্ডলকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে মনজুরুল। এ সময় ছেলেকে বাধা দিলে মাকেও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। বাড়িতে লোকজন আসতে দেখে মনজুরুল পালিয়ে যায় এবং স্থানীয়রা আহত গাছ ব্যবসায়ী ফরিদ মন্ডলকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনার পরের দিন ১৬ এপ্রিল নিহতের ছোট ছেলে জীবন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।