ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কারো অভিযান চালানোর অধিকার নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঢাকার তোপখানা রোডে ফারইস্ট টাওয়ারে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে ৬ মার্চ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কারো অভিযান চালানোর অধিকার নেই।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মব প্রতিরোধে কাজ করছে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা তৎপর রয়েছে।

৬ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে ফারইস্ট ভবনের নিচতলায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রমজান ও ঈদকে ঘিরে ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’ মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে।

তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তাদের জনবলের অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। তাদের নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই, যানবাহনের অনেক সমস্যা রয়েছে। এরকম অনেক সমস্যার কথা আজকে শুনলাম। তারা দেশে অনেক ভালো কাজ করছে। এই ট্যুরিস্ট পুলিশ যদি আরো সক্রিয় হয়, তাহলে বিদেশি পর্যটকরা আমাদের দেশে আসবে, যা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সংখ্যা, যানবাহন বাড়ানোসহ তাদের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, তারা একটি ভাড়া বিল্ডিংয়ে থাকে। নিজস্ব একটি বিল্ডিং দরকার। এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের সংখ্যা অনেক কম হলেও স্পট অনেক বেশি। তাই তাদের জনবল বাড়ানো দরকার।

এরআগে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুমে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মো. মাইনুল হাসান অতিরিক্ত আইজিপির (চলতি দায়িত্ব) সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর ‘ট্যুরিস্ট পুলিশ’ নামে বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হয়। বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের অধীনে ৪টি ডিভিশন, ১১টি রিজিয়ন, ৪২টি জোনে ৩২টি জেলায় মোট ১৩০টি স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে। বর্তমানে ১৩৯৪ জন অনুমোদিত জনবলের বিপরীতে ১২১০ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্য ১৩০টি পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।সূত্র:বাসস।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কারো অভিযান চালানোর অধিকার নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কারো অভিযান চালানোর অধিকার নেই।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মব প্রতিরোধে কাজ করছে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা তৎপর রয়েছে।

৬ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে ফারইস্ট ভবনের নিচতলায় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রমজান ও ঈদকে ঘিরে ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’ মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে।

তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তাদের জনবলের অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। তাদের নিজস্ব কোনো থাকার জায়গা নেই, যানবাহনের অনেক সমস্যা রয়েছে। এরকম অনেক সমস্যার কথা আজকে শুনলাম। তারা দেশে অনেক ভালো কাজ করছে। এই ট্যুরিস্ট পুলিশ যদি আরো সক্রিয় হয়, তাহলে বিদেশি পর্যটকরা আমাদের দেশে আসবে, যা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সংখ্যা, যানবাহন বাড়ানোসহ তাদের থাকার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, তারা একটি ভাড়া বিল্ডিংয়ে থাকে। নিজস্ব একটি বিল্ডিং দরকার। এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের সংখ্যা অনেক কম হলেও স্পট অনেক বেশি। তাই তাদের জনবল বাড়ানো দরকার।

এরআগে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের কনফারেন্স রুমে ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান মো. মাইনুল হাসান অতিরিক্ত আইজিপির (চলতি দায়িত্ব) সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বর ‘ট্যুরিস্ট পুলিশ’ নামে বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হয়। বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের অধীনে ৪টি ডিভিশন, ১১টি রিজিয়ন, ৪২টি জোনে ৩২টি জেলায় মোট ১৩০টি স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করছে। বর্তমানে ১৩৯৪ জন অনুমোদিত জনবলের বিপরীতে ১২১০ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্য ১৩০টি পর্যটন স্পটে নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে।সূত্র:বাসস।