ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে ইইউর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত

বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়াকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার সিরিয়ার জ্বালানি, পরিবহণ ও ব্যাংকিং খাতে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

সিরিয়ার নতুন নেতারা গৃহযুদ্ধের সময় আসাদ সরকারের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার জন্য পশ্চিমাদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গড়ার বিষয়ে দামেস্কের নতুন ইসলামপন্থি শাসকদের গুরুত্বসহকারে ভাবনাচিন্তার ইঙ্গিত না পাওয়া পর্যন্ত ইউরোপ ও অন্য শক্তিধর দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে অনড় ছিল।

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে অনুমোদিত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সিরিয়ার জ্বালানি, পরিবহণ খাতসহ পাঁচ ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরের অনুমোদন এবং দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য তহবিল সহজলভ্য করার পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইইউর কর্মকর্তারা অবশ্য সাবধান করে দিয়ে বলেছে, সিরিয়ার নতুন নেতারা যদি সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রতি সম্মান ও গণতন্ত্রের দিকে যাওয়ার অঙ্গীকার ভাঙে তাহলে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল হতে পারে।

সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি বলেছেন, দেশটির নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

তিনি এক্স-এ এক পোস্টে বলেছেন, আমরা এ পদক্ষেপকে আমাদের জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের দিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি।

২০১১ সালে বিরোধীদের ওপর তৎকালীন আসাদ সরকারের দমন-পীড়নকে ঘিরে সিরিয়ায় দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। সিরিয়ার বেশিরভাগ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায় এবং বছরের পর বছর আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে অর্থনীতি বিধ্বস্ত হয়।

জাতিসংঘ গত সপ্তাহে বলেছে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির হারে, সিরিয়ার ধ্বংসাত্মক গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তার অর্থনৈতিক স্তরে ফিরে যেতে ৫০ বছরেরও বেশি সময় লাগবে।

যে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হচ্ছে, তার মধ্যে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা এবং তার ইসলামপন্থি দল হায়াত তাহরির আল-শামের উপর নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সিরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে ইইউর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত

আপডেট সময় ০৮:১০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়াকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার লক্ষ্যে ২৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার সিরিয়ার জ্বালানি, পরিবহণ ও ব্যাংকিং খাতে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

সিরিয়ার নতুন নেতারা গৃহযুদ্ধের সময় আসাদ সরকারের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার জন্য পশ্চিমাদের কাছে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু অন্তর্ভুক্তিমূলক সরকার গড়ার বিষয়ে দামেস্কের নতুন ইসলামপন্থি শাসকদের গুরুত্বসহকারে ভাবনাচিন্তার ইঙ্গিত না পাওয়া পর্যন্ত ইউরোপ ও অন্য শক্তিধর দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে অনড় ছিল।

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইইউর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে অনুমোদিত পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সিরিয়ার জ্বালানি, পরিবহণ খাতসহ পাঁচ ব্যাংকে অর্থ স্থানান্তরের অনুমোদন এবং দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য তহবিল সহজলভ্য করার পদক্ষেপে অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইইউর কর্মকর্তারা অবশ্য সাবধান করে দিয়ে বলেছে, সিরিয়ার নতুন নেতারা যদি সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রতি সম্মান ও গণতন্ত্রের দিকে যাওয়ার অঙ্গীকার ভাঙে তাহলে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল হতে পারে।

সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি বলেছেন, দেশটির নতুন সরকার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

তিনি এক্স-এ এক পোস্টে বলেছেন, আমরা এ পদক্ষেপকে আমাদের জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের দিকে একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি।

২০১১ সালে বিরোধীদের ওপর তৎকালীন আসাদ সরকারের দমন-পীড়নকে ঘিরে সিরিয়ায় দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়। সিরিয়ার বেশিরভাগ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায় এবং বছরের পর বছর আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে অর্থনীতি বিধ্বস্ত হয়।

জাতিসংঘ গত সপ্তাহে বলেছে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির হারে, সিরিয়ার ধ্বংসাত্মক গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তার অর্থনৈতিক স্তরে ফিরে যেতে ৫০ বছরেরও বেশি সময় লাগবে।

যে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হচ্ছে, তার মধ্যে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা এবং তার ইসলামপন্থি দল হায়াত তাহরির আল-শামের উপর নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত নয়।