ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবি আইন, ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন শেরপুরে ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে ৩০০ দরিদ্র পরিবার পেল দানের মাঝে আনন্দ : মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য পক্ষ : জামালপুরে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : সরিষাবাড়ীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ভারতের বিপক্ষে শুরুটা ভাল না হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছে : শান্ত

ম্যাচের শুরুটা ভাল না হওয়ার কারণেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে দল ৬ উইকেটে হেরেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৩৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

এরপর ষষ্ঠ উইকেটে তাওহদি হৃদয় এবং জাকের আলীর রেকর্ড ১৫৪ রানের জুটিতে ইনিংসের ২ বল বাকী থাকতে সব উইকেট হারিয়ে ২২৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। হৃদয় ১০০ ও জাকের ৬৮ রান করেন।

জবাবে ওপেনার শুভমান গিলের ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে ২১ বল বাকী থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রথম পাওয়ার প্লেতে আমরা যেভাবে ব্যাট করেছি, সেখানেই আমরা হেরে গেছি।’

হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘চাপের মধ্যে লড়াই করা নিচের দিকের ব্যাটারদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিং ছিল অসাধারণ।’

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফিল্ডিংও আশানুরূপ হয়নি। ক্যাচ মিস ও রান আউট মিস করাটা টাইগারদের হারের পেছনে আরও একটি কারণ বলে মনে করেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।’

ভারতীয় ব্যাটারদের পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণও। এতে সহজেই রান তুলেছে ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও গিল।

অবশ্য পরবর্তীতে নিজেদের সেরাটা দেখিয়েছে বাংলাদেশের দুই স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ভারতীয় ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। বিশেষভাবে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ১০ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। উইকেট না পেলেও ১০ ওভারে ৩৭ রান দেন মিরাজ। তাই ম্যাচ শেষে প্রশ্ন উঠেছে- বাংলাদেশ একজন স্পিনার কম নিয়ে খেলেছে কী-না। যেখানে ভারতের একাদশে তিন স্পিনার ছিল।

কিন্তু এমন আলোচনার সাথে একমত হতে পারেননি শান্ত। তিনি বলেন, ‘এ ধরণের উইকেটে টার্ন পায় স্পিনাররা। কিন্তু আমার মনে হয় না আমরা স্পিনার কম নিয়ে খেলেছি।’

ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দলের প্রয়োজনে স্পিন বোলিংও করতে পারেন রিয়াদ। তবে শান্তর মতে, ইনিংসের শুরুতে উইকেট নিতে পারলে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো।

শান্ত বলেন, ‘মাহমুদুল্লাহর ইনজুরি ছিলো। আমরা খারাপ বোলিং করিনি, আমাদের পেসাররা ভালো বোলিং করেছে। আমরা যদি শুরুতেই উইকেট পেতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হতে পারতো।’

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

ভারতের বিপক্ষে শুরুটা ভাল না হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছে : শান্ত

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ম্যাচের শুরুটা ভাল না হওয়ার কারণেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে দল ৬ উইকেটে হেরেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৩৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

এরপর ষষ্ঠ উইকেটে তাওহদি হৃদয় এবং জাকের আলীর রেকর্ড ১৫৪ রানের জুটিতে ইনিংসের ২ বল বাকী থাকতে সব উইকেট হারিয়ে ২২৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। হৃদয় ১০০ ও জাকের ৬৮ রান করেন।

জবাবে ওপেনার শুভমান গিলের ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে ২১ বল বাকী থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রথম পাওয়ার প্লেতে আমরা যেভাবে ব্যাট করেছি, সেখানেই আমরা হেরে গেছি।’

হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘চাপের মধ্যে লড়াই করা নিচের দিকের ব্যাটারদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিং ছিল অসাধারণ।’

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফিল্ডিংও আশানুরূপ হয়নি। ক্যাচ মিস ও রান আউট মিস করাটা টাইগারদের হারের পেছনে আরও একটি কারণ বলে মনে করেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।’

ভারতীয় ব্যাটারদের পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণও। এতে সহজেই রান তুলেছে ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও গিল।

অবশ্য পরবর্তীতে নিজেদের সেরাটা দেখিয়েছে বাংলাদেশের দুই স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ভারতীয় ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। বিশেষভাবে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ১০ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। উইকেট না পেলেও ১০ ওভারে ৩৭ রান দেন মিরাজ। তাই ম্যাচ শেষে প্রশ্ন উঠেছে- বাংলাদেশ একজন স্পিনার কম নিয়ে খেলেছে কী-না। যেখানে ভারতের একাদশে তিন স্পিনার ছিল।

কিন্তু এমন আলোচনার সাথে একমত হতে পারেননি শান্ত। তিনি বলেন, ‘এ ধরণের উইকেটে টার্ন পায় স্পিনাররা। কিন্তু আমার মনে হয় না আমরা স্পিনার কম নিয়ে খেলেছি।’

ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দলের প্রয়োজনে স্পিন বোলিংও করতে পারেন রিয়াদ। তবে শান্তর মতে, ইনিংসের শুরুতে উইকেট নিতে পারলে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো।

শান্ত বলেন, ‘মাহমুদুল্লাহর ইনজুরি ছিলো। আমরা খারাপ বোলিং করিনি, আমাদের পেসাররা ভালো বোলিং করেছে। আমরা যদি শুরুতেই উইকেট পেতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হতে পারতো।’