ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ মেলান্দহে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ইটভাটার চিমনি ধ্বংস বকশীগঞ্জে অ্যাপসে সার বিতরণের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জ : সিলিং ফ্যানে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি, গ্রেপ্তার ৫ মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ভারতের বিপক্ষে শুরুটা ভাল না হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছে : শান্ত

ম্যাচের শুরুটা ভাল না হওয়ার কারণেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে দল ৬ উইকেটে হেরেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৩৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

এরপর ষষ্ঠ উইকেটে তাওহদি হৃদয় এবং জাকের আলীর রেকর্ড ১৫৪ রানের জুটিতে ইনিংসের ২ বল বাকী থাকতে সব উইকেট হারিয়ে ২২৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। হৃদয় ১০০ ও জাকের ৬৮ রান করেন।

জবাবে ওপেনার শুভমান গিলের ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে ২১ বল বাকী থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রথম পাওয়ার প্লেতে আমরা যেভাবে ব্যাট করেছি, সেখানেই আমরা হেরে গেছি।’

হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘চাপের মধ্যে লড়াই করা নিচের দিকের ব্যাটারদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিং ছিল অসাধারণ।’

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফিল্ডিংও আশানুরূপ হয়নি। ক্যাচ মিস ও রান আউট মিস করাটা টাইগারদের হারের পেছনে আরও একটি কারণ বলে মনে করেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।’

ভারতীয় ব্যাটারদের পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণও। এতে সহজেই রান তুলেছে ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও গিল।

অবশ্য পরবর্তীতে নিজেদের সেরাটা দেখিয়েছে বাংলাদেশের দুই স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ভারতীয় ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। বিশেষভাবে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ১০ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। উইকেট না পেলেও ১০ ওভারে ৩৭ রান দেন মিরাজ। তাই ম্যাচ শেষে প্রশ্ন উঠেছে- বাংলাদেশ একজন স্পিনার কম নিয়ে খেলেছে কী-না। যেখানে ভারতের একাদশে তিন স্পিনার ছিল।

কিন্তু এমন আলোচনার সাথে একমত হতে পারেননি শান্ত। তিনি বলেন, ‘এ ধরণের উইকেটে টার্ন পায় স্পিনাররা। কিন্তু আমার মনে হয় না আমরা স্পিনার কম নিয়ে খেলেছি।’

ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দলের প্রয়োজনে স্পিন বোলিংও করতে পারেন রিয়াদ। তবে শান্তর মতে, ইনিংসের শুরুতে উইকেট নিতে পারলে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো।

শান্ত বলেন, ‘মাহমুদুল্লাহর ইনজুরি ছিলো। আমরা খারাপ বোলিং করিনি, আমাদের পেসাররা ভালো বোলিং করেছে। আমরা যদি শুরুতেই উইকেট পেতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হতে পারতো।’

বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

ভারতের বিপক্ষে শুরুটা ভাল না হওয়ার খেসারত দিতে হয়েছে : শান্ত

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ম্যাচের শুরুটা ভাল না হওয়ার কারণেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে দল ৬ উইকেটে হেরেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে ৮ দশমিক ৩ ওভারে ৩৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

এরপর ষষ্ঠ উইকেটে তাওহদি হৃদয় এবং জাকের আলীর রেকর্ড ১৫৪ রানের জুটিতে ইনিংসের ২ বল বাকী থাকতে সব উইকেট হারিয়ে ২২৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ। হৃদয় ১০০ ও জাকের ৬৮ রান করেন।

জবাবে ওপেনার শুভমান গিলের ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংসের সুবাদে ২১ বল বাকী থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত।

ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রথম পাওয়ার প্লেতে আমরা যেভাবে ব্যাট করেছি, সেখানেই আমরা হেরে গেছি।’

হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করে শান্ত বলেন, ‘চাপের মধ্যে লড়াই করা নিচের দিকের ব্যাটারদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। হৃদয় এবং জাকেরের ব্যাটিং ছিল অসাধারণ।’

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফিল্ডিংও আশানুরূপ হয়নি। ক্যাচ মিস ও রান আউট মিস করাটা টাইগারদের হারের পেছনে আরও একটি কারণ বলে মনে করেন শান্ত।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারত।’

ভারতীয় ব্যাটারদের পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি বাংলাদেশের পেস বোলিং আক্রমণও। এতে সহজেই রান তুলেছে ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও গিল।

অবশ্য পরবর্তীতে নিজেদের সেরাটা দেখিয়েছে বাংলাদেশের দুই স্পিনার রিশাদ হোসেন ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ভারতীয় ব্যাটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন তারা। বিশেষভাবে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ১০ ওভারে ৩৮ রানে ২ উইকেট নেন তিনি। উইকেট না পেলেও ১০ ওভারে ৩৭ রান দেন মিরাজ। তাই ম্যাচ শেষে প্রশ্ন উঠেছে- বাংলাদেশ একজন স্পিনার কম নিয়ে খেলেছে কী-না। যেখানে ভারতের একাদশে তিন স্পিনার ছিল।

কিন্তু এমন আলোচনার সাথে একমত হতে পারেননি শান্ত। তিনি বলেন, ‘এ ধরণের উইকেটে টার্ন পায় স্পিনাররা। কিন্তু আমার মনে হয় না আমরা স্পিনার কম নিয়ে খেলেছি।’

ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি অভিজ্ঞ মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। দলের প্রয়োজনে স্পিন বোলিংও করতে পারেন রিয়াদ। তবে শান্তর মতে, ইনিংসের শুরুতে উইকেট নিতে পারলে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো।

শান্ত বলেন, ‘মাহমুদুল্লাহর ইনজুরি ছিলো। আমরা খারাপ বোলিং করিনি, আমাদের পেসাররা ভালো বোলিং করেছে। আমরা যদি শুরুতেই উইকেট পেতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হতে পারতো।’