সিএনজি চালকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে বকশীগঞ্জ-জামালপুর সড়কে তিনদিন ধরে বন্ধ রয়েছে সিএনজি চলাচল। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই রুটের যাত্রীরা। দুর্ভোগ নিয়েই বাড়তি ভাড়া দিয়ে অটোরিকশা যোগে যাত্রী চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
জানা গেছে, ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার জামালপুর থেকে রৌমারী গামী সিএনজি চালকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। জামালপুর সিএনজি স্টেশনের কয়েকজন চালক রৌমারী গামী এক চালককে মারধর করেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বকশীগঞ্জ ও রৌমারী থেকে জামালপুর গামী কোন সিএনজি জামালপুরে ঢুকতে দিচ্ছে না। ফলে তিন দিন ধরে জামালপুর-বকশীগঞ্জ রুটে সিএনজি চলাচল বন্ধ রয়েছে। সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকায় বকশীগঞ্জ থেকে জামালপুর পর্যন্ত প্রতিদিন ১৪০ টি সিএনজির চালক বেকার হয়ে রয়েছে।
সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকায় জামালপুর গামী ও বকশীগঞ্জ গামী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যাত্রীরা সিএনজিতে করে গন্তব্যস্থলে যেতে না পেরে অটোরিকশা ও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে করে যেতে হচ্ছে। এতে করে বাড়তি ভাড়া ও অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে। দ্রুত আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধানের দাবি জানান সিএনজি চালক ও সাধারণ যাত্রীরা।
সাধারণ যাত্রীরা জানান, সিএনজি চলাচল না করায় জামালপুর শহর বা অফিসের কাজে যেতে হলে বেশি টাকা খরচ করে বিকল্প ব্যবস্থায় যেতে হচ্ছে। এতে করে দুর্ভোগের পাশাপাশি সময় ক্ষেপন হচ্ছে।
বকশীগঞ্জ সিএনজির মাস্টার পপুলার মিয়া বলেন, দ্রুত এর সমাধান না হলে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েই যাবে। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই বিষয়ে পদক্ষেপ দরকার।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচলের অনুমোদন নেই। তবে জনভোগান্তীর কথা চিন্তা করে চালকদের মধ্যে সমঝোতা হওয়া উচিত।
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অহনা জিন্নাত বলেন, সিএনজি চলাচল বন্ধের বিষয়ে একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জেনেছি। খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু : নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম 



















