ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

কিম সৈন্যদের বলেছেন দক্ষিণ ‘শত্রু, বিদেশি’ দেশ

কিম জং উন নিজ দেশের সৈন্যদের বলেছেন, দক্ষিণ একটি ‘বিদেশি দেশ। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পিয়ংইয়ং পুনরেকত্রীকরণের যে কোনো পরিকল্পনা বাতিল করেছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে থাকা সত্ত্বেও, দুই কোরিয়া দীর্ঘ দিন ধরে চূড়ান্ত পুনর্মিলনের লক্ষ্যে সম্পর্ককে একটি ‘বিশেষ সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে, ‘রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্র সম্পর্ক নয়।’

কিন্তু কিম জানুয়ারিতে সিউলকে তার দেশের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং শুক্রবার দক্ষিণের সাথে সম্পর্ককে ‘জঘণ্য সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সিউল থেকে এএফপি জানায়।

কয়েক মাস তাজা মাইন পুঁতে রাখা এবং সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করার পর পিয়ংইয়ং এই সপ্তাহে সড়ক ও রেলপথ গুড়িয়ে দিয়েছে। এই সড়ক ও রেলপথ দক্ষিণের সাথে সংযুক্ত করেছে এবং পিয়ংইয়ং বলেছে, উত্তর কোরিয়ার সংবিধান এখন দক্ষিণকে একটি ‘শত্রু’ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পিয়ংইয়ংয়ের সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘কেসিএনএ’ জানিয়েছে, কিম কোরিয়ান পিপলস আর্মির দ্বিতীয় কর্পসকে বলেছেন ‘আমাদের সেনাবাহিনীর আবারো এই সত্যটি মনে রাখা উচিত যে দক্ষিণ কোরিয়া একটি ‘বিদেশি’ দেশ এবং একটি দৃশ্যত শত্রু দেশ’।

কিম বলেছেন, এই সপ্তাহে সড়ক ও রেলপথকে গতিশীল করার অর্থ হল ‘সিউলের সাথে খারাপ সম্পর্কের অবসান’ এবং ‘পুনর্মিলনের অযৌক্তিক ধারণার সম্পূর্ণ বাতিল।’

কেসিএনএ জানিয়েছে, তিনি আরও বলেছেন, উত্তরের সেনাবাহিনী প্রয়োজন হলে ‘শত্রু দেশের বিরুদ্ধে, যুদ্ধ করতে হবে সহদেশিদের বিরুদ্ধে নয়।

উত্তর কোরিয়া গত সপ্তাহে তার রাবার-স্ট্যাম্প সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার কিম উত্তরের ‘পরিস্থিতির বিভিন্ন উন্নয়নের সাথে মোকাবেলা করার জন্য সামরিক কর্ম পরিকল্পনার রূপরেখা দিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও পরীক্ষা করেছেন।’

দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

কিম সৈন্যদের বলেছেন দক্ষিণ ‘শত্রু, বিদেশি’ দেশ

আপডেট সময় ০৭:০১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

কিম জং উন নিজ দেশের সৈন্যদের বলেছেন, দক্ষিণ একটি ‘বিদেশি দেশ। ১৮ অক্টোবর শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, পিয়ংইয়ং পুনরেকত্রীকরণের যে কোনো পরিকল্পনা বাতিল করেছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধে থাকা সত্ত্বেও, দুই কোরিয়া দীর্ঘ দিন ধরে চূড়ান্ত পুনর্মিলনের লক্ষ্যে সম্পর্ককে একটি ‘বিশেষ সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে, ‘রাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্র সম্পর্ক নয়।’

কিন্তু কিম জানুয়ারিতে সিউলকে তার দেশের ‘প্রধান শত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং শুক্রবার দক্ষিণের সাথে সম্পর্ককে ‘জঘণ্য সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

সিউল থেকে এএফপি জানায়।

কয়েক মাস তাজা মাইন পুঁতে রাখা এবং সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করার পর পিয়ংইয়ং এই সপ্তাহে সড়ক ও রেলপথ গুড়িয়ে দিয়েছে। এই সড়ক ও রেলপথ দক্ষিণের সাথে সংযুক্ত করেছে এবং পিয়ংইয়ং বলেছে, উত্তর কোরিয়ার সংবিধান এখন দক্ষিণকে একটি ‘শত্রু’ রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পিয়ংইয়ংয়ের সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘কেসিএনএ’ জানিয়েছে, কিম কোরিয়ান পিপলস আর্মির দ্বিতীয় কর্পসকে বলেছেন ‘আমাদের সেনাবাহিনীর আবারো এই সত্যটি মনে রাখা উচিত যে দক্ষিণ কোরিয়া একটি ‘বিদেশি’ দেশ এবং একটি দৃশ্যত শত্রু দেশ’।

কিম বলেছেন, এই সপ্তাহে সড়ক ও রেলপথকে গতিশীল করার অর্থ হল ‘সিউলের সাথে খারাপ সম্পর্কের অবসান’ এবং ‘পুনর্মিলনের অযৌক্তিক ধারণার সম্পূর্ণ বাতিল।’

কেসিএনএ জানিয়েছে, তিনি আরও বলেছেন, উত্তরের সেনাবাহিনী প্রয়োজন হলে ‘শত্রু দেশের বিরুদ্ধে, যুদ্ধ করতে হবে সহদেশিদের বিরুদ্ধে নয়।

উত্তর কোরিয়া গত সপ্তাহে তার রাবার-স্ট্যাম্প সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার কিম উত্তরের ‘পরিস্থিতির বিভিন্ন উন্নয়নের সাথে মোকাবেলা করার জন্য সামরিক কর্ম পরিকল্পনার রূপরেখা দিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও পরীক্ষা করেছেন।’