ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন

জামালপুরে সেফটিক ট্যাংকে নৈশ্যপ্রহরীর মরদেহ

নৈশ্যপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ। ছবি: আসমাউল আসিফ

জামালপুরে নির্মাণাধীন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার সেফটিক ট্যাংক থেকে চাঁন মিয়া (৬৫) নামে এক নৈশ্যপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১১ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে শহরের বিসিক শান্তিনগর বাইপাস মোড় সংলগ্ন নির্মাণাধীন ওই ভবনের নিচতলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত চাঁন মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের গওহেরপাড়া গ্রামের মৃত ছাবেদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় দোকান মালিক সমিতির উপদেষ্টা এনামুল হক খান মিলন বলেন, গত একমাস আগে চাঁন মিয়া দোকান মালিক সমিতির অধীনে নৈশ্যপ্রহরীর কাজ নেন। আজ শুক্রবার সকালে নির্মানাধীন ভবনের নিচতলায় সেফটিক ট্যাংকে নৈশ্যপ্রহরী চাঁন মিয়াকে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করে পুলিশকে খবর দিলে দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, অরক্ষিত অবস্থায় ভবনের নির্মাণ কাজ করায় যথাযথ নিরাপত্তার অভাবে সেফটিক ট্যাংকে পড়ে নৈশ্যপ্রহরীর মৃত্যুর ঘটনায় ভবন মালিকের কাছে আমরা দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

এদিকে, নির্মানাধীন ওই ভবনের মালিক বা সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

অপর নৈশ্যপ্রহরী সদর উপজেলার কৈডুলা গ্রামের ঠান্ডা মিয়া (৫৫) জানান, প্রতিদিনের মত তারা দুইজন নৈশ্যপ্রহরী বৃহস্পতিবার রাতে টহল শুরু করেন। তবে ভোররাত ৪টার দিকে টহলের উদ্দেশ্যে তারা আলাদা হয়ে দুইদিকে চলে যান। পরে ঠান্ডা মিয়া বিসিক মোড়ে ফিরে এসে ভোর ৬টা পর্যন্ত অনেক খোঁজাখুঁজি করেও চাঁন মিয়াকে সে আর খুঁজে পাননি। তিনি বলেন, আমরা আলাদা হওয়ার পর বিসিক মোড়ের একটি হোটেলে সে রুটি খেয়েছে, তারপর আর কেউ তাকে দেখেনি।

জামালপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তিনি সেফটিক ট্যাংকে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কেউ জড়িত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তা না হলে পরিবারের সাথে কথা বলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

জামালপুরে সেফটিক ট্যাংকে নৈশ্যপ্রহরীর মরদেহ

আপডেট সময় ০৪:৪৩:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪

জামালপুরে নির্মাণাধীন একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার সেফটিক ট্যাংক থেকে চাঁন মিয়া (৬৫) নামে এক নৈশ্যপ্রহরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১১ অক্টোবর শুক্রবার দুপুরে শহরের বিসিক শান্তিনগর বাইপাস মোড় সংলগ্ন নির্মাণাধীন ওই ভবনের নিচতলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত চাঁন মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের গওহেরপাড়া গ্রামের মৃত ছাবেদ আলীর ছেলে।

স্থানীয় দোকান মালিক সমিতির উপদেষ্টা এনামুল হক খান মিলন বলেন, গত একমাস আগে চাঁন মিয়া দোকান মালিক সমিতির অধীনে নৈশ্যপ্রহরীর কাজ নেন। আজ শুক্রবার সকালে নির্মানাধীন ভবনের নিচতলায় সেফটিক ট্যাংকে নৈশ্যপ্রহরী চাঁন মিয়াকে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করে পুলিশকে খবর দিলে দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আরও বলেন, অরক্ষিত অবস্থায় ভবনের নির্মাণ কাজ করায় যথাযথ নিরাপত্তার অভাবে সেফটিক ট্যাংকে পড়ে নৈশ্যপ্রহরীর মৃত্যুর ঘটনায় ভবন মালিকের কাছে আমরা দোকান মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করছি।

এদিকে, নির্মানাধীন ওই ভবনের মালিক বা সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

অপর নৈশ্যপ্রহরী সদর উপজেলার কৈডুলা গ্রামের ঠান্ডা মিয়া (৫৫) জানান, প্রতিদিনের মত তারা দুইজন নৈশ্যপ্রহরী বৃহস্পতিবার রাতে টহল শুরু করেন। তবে ভোররাত ৪টার দিকে টহলের উদ্দেশ্যে তারা আলাদা হয়ে দুইদিকে চলে যান। পরে ঠান্ডা মিয়া বিসিক মোড়ে ফিরে এসে ভোর ৬টা পর্যন্ত অনেক খোঁজাখুঁজি করেও চাঁন মিয়াকে সে আর খুঁজে পাননি। তিনি বলেন, আমরা আলাদা হওয়ার পর বিসিক মোড়ের একটি হোটেলে সে রুটি খেয়েছে, তারপর আর কেউ তাকে দেখেনি।

জামালপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহরাব হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে তিনি সেফটিক ট্যাংকে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়ে মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে কেউ জড়িত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তা না হলে পরিবারের সাথে কথা বলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।