ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ গণতন্ত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে সংলাপ, গঠিত হল মানবাধিকার সাংবাদিক নেটওয়ার্ক জামালপুরে শিক্ষার্থী অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষি বিভাগের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ইসলামপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পেল নতুন পোশাক একাত্তর টিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সরিষাবাড়ীতে হয়ে গেল ঘুড়ি উৎসব মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার যে জাতি সঙ্গীতকে গুরুত্ব দেয়, সে জাতি উন্নত মানসিকতার পরিচয় বহন করে : সংস্কৃতি মন্ত্রী

সরিষাবাড়ীর সীমান্ত এলাকায় জমির বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫

সরিষাবাড়ী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সীমান্তবর্তী এলাকায় জমির বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে সরিষাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী কাজিপুরের মনসুর নগর ইউনিয়নের ছালালচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- মানিক মিয়া, দুলাল মিয়া, জাহিদুল ইসলাম, আলম মিয়া, হেলাল উদ্দিন, আকাশ মিয়া, রফিকুল ইসলাম, দুলাল মিয়া, রাসেল মিয়া, সোহাগ মিয়া, সাব্বির ও শাহীন আলম। এ ছাড়াও বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান।

আহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকার জয়নাল খন্দকারের ছেলে সামছুল খন্দকার ও মৃত আব্দুর রহিম মুন্সির ছেলে রফিকুল ইসলামের মধ্যে প্রায় ৫ একর ৪২ শতাংশ ফসলি জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে ওই জমিতে রফিকুল ইসলামের লোকজন হাল দিতে গেলে সামছুল হক খন্দকারের লোকজন বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি বাঁধে। একপর্যায় রফিকুল ইসলামের লোকজন সামছুল খন্দকারের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

ভুক্তভোগী সামছুল হক খন্দকার বলেন, জমির (সিএস, আরওআর ও বিআরএস) সকল রেকর্ড আমাদের নামে হয়েছে। এলাকায় এই নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শালিস বৈঠকে মাতাব্বরগণ জমির কাগজপত্র দেখে আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তবুও তারা জমি ছাড়তে রাজি নয়। পরে আদালতে সাত ধারা মামলা করা হয়। প্রতিপক্ষ আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা দিয়ে আসে। ফের জমিতে হালচাষ করতে যায়। এতে বাধা দিলে তাদের লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর বিচার দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ওই জমি আমাদের এবং আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছি। হঠাৎ করে তারা জমির মালিকানা দাবি করছে। কয়েকদিন আগে জমিতে তারা জোরপূর্বক কলাই বুনেছে। আজ সেই জমিতে হাল চাষ করতে গেলে তারা বাধা দেয়। পরে এই নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের জানান, জমির বিরোধে মারামারি ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুধর্ষণ মামলার আসামিকে ১০ বছরের আটকাদেশ

সরিষাবাড়ীর সীমান্ত এলাকায় জমির বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫

আপডেট সময় ১০:৪৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সীমান্তবর্তী এলাকায় জমির বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে সরিষাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী কাজিপুরের মনসুর নগর ইউনিয়নের ছালালচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- মানিক মিয়া, দুলাল মিয়া, জাহিদুল ইসলাম, আলম মিয়া, হেলাল উদ্দিন, আকাশ মিয়া, রফিকুল ইসলাম, দুলাল মিয়া, রাসেল মিয়া, সোহাগ মিয়া, সাব্বির ও শাহীন আলম। এ ছাড়াও বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে যান।

আহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ একই এলাকার জয়নাল খন্দকারের ছেলে সামছুল খন্দকার ও মৃত আব্দুর রহিম মুন্সির ছেলে রফিকুল ইসলামের মধ্যে প্রায় ৫ একর ৪২ শতাংশ ফসলি জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার দুপুরে ওই জমিতে রফিকুল ইসলামের লোকজন হাল দিতে গেলে সামছুল হক খন্দকারের লোকজন বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি বাঁধে। একপর্যায় রফিকুল ইসলামের লোকজন সামছুল খন্দকারের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

ভুক্তভোগী সামছুল হক খন্দকার বলেন, জমির (সিএস, আরওআর ও বিআরএস) সকল রেকর্ড আমাদের নামে হয়েছে। এলাকায় এই নিয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শালিস বৈঠকে মাতাব্বরগণ জমির কাগজপত্র দেখে আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তবুও তারা জমি ছাড়তে রাজি নয়। পরে আদালতে সাত ধারা মামলা করা হয়। প্রতিপক্ষ আদালতে হাজির হয়ে মুচলেকা দিয়ে আসে। ফের জমিতে হালচাষ করতে যায়। এতে বাধা দিলে তাদের লোকজন অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর বিচার দাবি করেন তিনি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ওই জমি আমাদের এবং আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছি। হঠাৎ করে তারা জমির মালিকানা দাবি করছে। কয়েকদিন আগে জমিতে তারা জোরপূর্বক কলাই বুনেছে। আজ সেই জমিতে হাল চাষ করতে গেলে তারা বাধা দেয়। পরে এই নিয়ে উভয়ের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের জানান, জমির বিরোধে মারামারি ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।