ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েই মিমিকে হত্যা: কাউসার গ্রেপ্তার মাদারগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, তিন দোকানিকে জরিমানা সরিষাবাড়ীতে নদীতে গোসলে নেমে শিশুর মৃত্যু  মাদারগঞ্জে ৮০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ ধ্বংস ঘোষণার মধ্যদিয়ে সামাজিক ব্যধিমুক্তির আন্দোলন আরো জোরদার হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন সরিষাবাড়ীতে রাসেল হত্যার রহস্য উদঘাটন করল পিবিআই মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী : মিল্লাত নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের ১২ ঘন্টা পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরের জেল পলাতক ৩০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ফিরোজ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার কয়েদি ফিরোজ মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর জেলা কারাগার থেকে পলাতক ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত কয়েদি ফিরোজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কলাকান্দা গ্রামের ফটো মিয়ার ছেলে তিনি। র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের একটি আভিযানিক দল ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে এ অভিযান পরিচালনা করেন। র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পতনের পর ৫ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে কয়েক হাজার দুষ্কৃতিকারী শেরপুর জেলা কারাগারে আক্রমণ করে। এ সময় আক্রমণকারীরা জেলা কারাাগারের বিবিধ স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি সাধনসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বিভিন্ন মামলার প্রায় পাঁচ শতাধিক কয়েদিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে।

জেল থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর কোম্পানি, শেরপুর জেলা কারা কর্তৃপক্ষ এবং শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সরবরাহ করা পলাতক কয়েদিদের তালিকা সংগ্রহ করে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে আসছে র‌্যাব-১৪। ইতিমধ্যে পলাতক আসামিদের কয়েকজন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, জেল পলাতক কয়েদি (নং-৬০৯৪/এ) ফিরোজ মিয়া (৩৫) শেরপুরের দায়রা মামলা নং ১৫/০৪, ৩০২/৩৪ ধারার পেনাল কোড মামলায় ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক কয়েদি। ৫ আগস্ট শেরপুর জেলা কারাগারে দুষ্কৃতিকারীদের আক্রমণের সময় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে তিনিও পালিয়ে এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেল পলাতক কয়েদি ফিরোজ মিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল। অভিযানের সময় রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে এবং স্কোয়াড কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ টি এম আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে র‌্যাবের দলটি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কলাকান্দা গ্রাম থেকে কয়েদি ফিরোজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য তাকে শেরপুর জেলার নকলা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ফিরোজ মিয়া ৫ আগস্ট শেরপুর জেলা কারাগারে দুষ্কৃতিকারীদের আক্রমণের ঘটনার দিন অন্যান্য কয়েদিদের সাথে কৌশলে কারাগার থেকে পালিয়ে শেরপুর জেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। জেল পলাতক এসব হাজতি ও কয়েদিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‌্যাবের জোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র, অপহরণ, হত্যা, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। যা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। র‌্যাব-১৪ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় হত্যার মত জঘন্য অপরাধ কর্মকাণ্ড দমনের লক্ষ্যে র‌্যাব ফোর্সেস অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে সমাজ ও দেশকে বাঁচাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুরের জেল পলাতক ৩০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদি ফিরোজ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১২:৫৬:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর জেলা কারাগার থেকে পলাতক ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত কয়েদি ফিরোজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কলাকান্দা গ্রামের ফটো মিয়ার ছেলে তিনি। র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের একটি আভিযানিক দল ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে এ অভিযান পরিচালনা করেন। র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার পতনের পর ৫ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে কয়েক হাজার দুষ্কৃতিকারী শেরপুর জেলা কারাগারে আক্রমণ করে। এ সময় আক্রমণকারীরা জেলা কারাাগারের বিবিধ স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি সাধনসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন বিভিন্ন মামলার প্রায় পাঁচ শতাধিক কয়েদিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে।

জেল থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর কোম্পানি, শেরপুর জেলা কারা কর্তৃপক্ষ এবং শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সরবরাহ করা পলাতক কয়েদিদের তালিকা সংগ্রহ করে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করে আসছে র‌্যাব-১৪। ইতিমধ্যে পলাতক আসামিদের কয়েকজন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, জেল পলাতক কয়েদি (নং-৬০৯৪/এ) ফিরোজ মিয়া (৩৫) শেরপুরের দায়রা মামলা নং ১৫/০৪, ৩০২/৩৪ ধারার পেনাল কোড মামলায় ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত পলাতক কয়েদি। ৫ আগস্ট শেরপুর জেলা কারাগারে দুষ্কৃতিকারীদের আক্রমণের সময় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে তিনিও পালিয়ে এতদিন আত্মগোপনে ছিলেন।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেল পলাতক কয়েদি ফিরোজ মিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর কোম্পানির একটি চৌকস আভিযানিক দল। অভিযানের সময় রাত ১টা ৫ মিনিটের দিকে কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে এবং স্কোয়াড কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ টি এম আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে র‌্যাবের দলটি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কলাকান্দা গ্রাম থেকে কয়েদি ফিরোজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য তাকে শেরপুর জেলার নকলা থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ফিরোজ মিয়া ৫ আগস্ট শেরপুর জেলা কারাগারে দুষ্কৃতিকারীদের আক্রমণের ঘটনার দিন অন্যান্য কয়েদিদের সাথে কৌশলে কারাগার থেকে পালিয়ে শেরপুর জেলাসহ আশেপাশের বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে স্বীকার করেছেন। জেল পলাতক এসব হাজতি ও কয়েদিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে র‌্যাবের জোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, র‌্যাব তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জঙ্গি ও সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র, অপহরণ, হত্যা, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণসহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। যা দেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে ইতোমধ্যেই বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে। র‌্যাব-১৪ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় হত্যার মত জঘন্য অপরাধ কর্মকাণ্ড দমনের লক্ষ্যে র‌্যাব ফোর্সেস অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে সমাজ ও দেশকে বাঁচাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।