ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদ জানালেন মেহেদী নতুন ভোট কেন্দ্র চায় ইসলামপুরের টেংরাকুড়াবাসী মাদারগঞ্জে ভাঙারি ব্যবসায়ী ফকির আলীর মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে ৭২ বস্তা সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যয় সাশ্রয় করেছে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা : মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক:

বিদ্যুৎ জালানি ও খনিজ সম্পদ এবং সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় সাশ্রয় করেছে।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের সর্বশেষ প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ব্যয় সংকোচননীতি অবলম্বন করে সর্বশেষ চূড়ান্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এখানে প্রায় ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। এটা থেকে বুঝা যায় যে আগে যদি ভালো সরকার থাকতো তাহলে আরও ব্যয় সংকোচন করা যেত।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ৩০ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায়  শরীয়তপুর জেলার জাজিরা সার্ভিস এরিয়া-২’র কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় কথা বলেন।

এরআগে তিনি পদ্মা সেতু পরিদর্শন করেন।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে মূল সেতুতে ৫৩০ কোটি টাকা, নদী শাসনে ৮০ কেটি টাকা, সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এড়িয়ায় ১৭৮ কোটি টাকা, ভূমি অধিগ্রহণ ১০৩ কোটি টাকা ও অন্যান্য সকল ব্যয় ১ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা সাশ্রয় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে যে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে, তা নিরসনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শুধু সংখ্যাগত উন্নয়ন হলেই হবে না, গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, তিনি মূলত খুলনা যাচ্ছেন রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করতে। খুলনার রূপসায় ৮৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্যাস সরবরাহ নাই। কিন্তু উন্নয়ন দেখানো হয়েছে, বিভ্রান্ত করা হয়েছে যে জিডিপি বাড়ছে, গ্রোথ বাড়ছে। কিন্তু এ গ্রোথ তো কাজের না। যদি বিদ্যুৎ না থাকে তাহলে তো এ গ্রোথ একটা সংখ্যা মাত্র । রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কি করা যায়, তা নিয়ে পরদর্শন শেষে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এসময় সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মুনজুর হোসেন, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. নূরুল আলম, শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইফুদ্দিন গিয়াসসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে ব্যয় সাশ্রয় করেছে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা : মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান

আপডেট সময় ০৯:৪১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক:

বিদ্যুৎ জালানি ও খনিজ সম্পদ এবং সড়ক পরিবহন, সেতু ও রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা ব্যয় সাশ্রয় করেছে।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের সর্বশেষ প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ব্যয় সংকোচননীতি অবলম্বন করে সর্বশেষ চূড়ান্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এখানে প্রায় ১ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। এটা থেকে বুঝা যায় যে আগে যদি ভালো সরকার থাকতো তাহলে আরও ব্যয় সংকোচন করা যেত।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ৩০ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায়  শরীয়তপুর জেলার জাজিরা সার্ভিস এরিয়া-২’র কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় কথা বলেন।

এরআগে তিনি পদ্মা সেতু পরিদর্শন করেন।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ব্যয় সংকোচন নীতি গ্রহণ করে মূল সেতুতে ৫৩০ কোটি টাকা, নদী শাসনে ৮০ কেটি টাকা, সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এড়িয়ায় ১৭৮ কোটি টাকা, ভূমি অধিগ্রহণ ১০৩ কোটি টাকা ও অন্যান্য সকল ব্যয় ১ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা সাশ্রয় করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে যে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে, তা নিরসনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শুধু সংখ্যাগত উন্নয়ন হলেই হবে না, গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, তিনি মূলত খুলনা যাচ্ছেন রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করতে। খুলনার রূপসায় ৮৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্যাস সরবরাহ নাই। কিন্তু উন্নয়ন দেখানো হয়েছে, বিভ্রান্ত করা হয়েছে যে জিডিপি বাড়ছে, গ্রোথ বাড়ছে। কিন্তু এ গ্রোথ তো কাজের না। যদি বিদ্যুৎ না থাকে তাহলে তো এ গ্রোথ একটা সংখ্যা মাত্র । রূপসা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কি করা যায়, তা নিয়ে পরদর্শন শেষে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এসময় সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মুনজুর হোসেন, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. নূরুল আলম, শরীয়তপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইফুদ্দিন গিয়াসসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।