ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাহাদুরাবাদ-বালাসি দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ২৬ দিন পর দেশে ফিরল ইরাকে নিহত দুই প্রবাসীর কফিনবন্দি মরদেহ জামালপুরে শেষ হল তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা মাদকের সাথে জড়িত বিএনপি নেতা-কর্মীদের সর্বপ্রথম গ্রেপ্তার করুন : ওয়ারেছ আলী মামুন জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাভারে নিহত ২ পরিবারকে জামালপুর উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারকে সহায়তা।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারকে সহায়তা।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জামালপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা সাফোরান আক্তার সদ্য (১৪) ও ফারুক মিয়া (৪০) পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এ খবর জানতে পেরে ১৯ আগস্ট সোমবার নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করে জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসন।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই সাভারে মুরগির দোকানের কর্মচারী ফারুক মিয়া (৪০) কর্মরত অবস্থায় ছিলেন। সেখানে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে গুলি ছুড়লে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় হাসপতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি গৃহহীন দরিদ্র ফারুক মিয়ার মৃত্যুতে স্ত্রীসহ দুই সন্তান চরম দুরাবস্থায় পড়ে। মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকে মৃত ফারুকের পরিবার। খবর পেয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা বেগম ও সন্তানদের ডেকে আনেন। তাদের হাতে ২০ হাজার টাকা নগদ, তিন বান্ডেল ঢেউটিন, শুকনা খাবার এবং ঘর মেরামতের জন্য ৯ হাজার নগদ টাকা তুলে দেন। এসময় জামালপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, শরিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রফিকুল ইসলাম আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। নিহত ফারুক মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের ডেঙ্গারগড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত হায়দর আলীর ছেলে।

অপরদিকে গত ৫ আগস্ট জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আক্তারুজ্জামানের ছেলে সাফোরান আক্তার সদ্য পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। সদ্য সাভার ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় আন্দোলনকারী ছিল বলে জানা যায়। জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়। নিহত সদ্যের পরিবারকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে জামালপুর পৌরসভাধীন রশিদপুর গ্রামের বাসিন্দা বিজয় চন্দ্র দাম এর বাড়ি ৫ আগস্ট রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা, ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান বিজয় চন্দ্র দামের হাতে তিন বান্ডেল টিন, ৯ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী জানান, নিহত দুই পরিবারসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সাধ্যমত সহায়তা নিয়ে পাশে থাকবে। নিহত ফারুক মিয়ার পরিবারকে খাস জমির বন্দোবস্তসহ বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন। তিনি সকলের সহায়তা কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহাদুরাবাদ-বালাসি দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাভারে নিহত ২ পরিবারকে জামালপুর উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারকে সহায়তা।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জামালপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা সাফোরান আক্তার সদ্য (১৪) ও ফারুক মিয়া (৪০) পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এ খবর জানতে পেরে ১৯ আগস্ট সোমবার নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করে জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসন।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই সাভারে মুরগির দোকানের কর্মচারী ফারুক মিয়া (৪০) কর্মরত অবস্থায় ছিলেন। সেখানে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে গুলি ছুড়লে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় হাসপতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি গৃহহীন দরিদ্র ফারুক মিয়ার মৃত্যুতে স্ত্রীসহ দুই সন্তান চরম দুরাবস্থায় পড়ে। মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকে মৃত ফারুকের পরিবার। খবর পেয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা বেগম ও সন্তানদের ডেকে আনেন। তাদের হাতে ২০ হাজার টাকা নগদ, তিন বান্ডেল ঢেউটিন, শুকনা খাবার এবং ঘর মেরামতের জন্য ৯ হাজার নগদ টাকা তুলে দেন। এসময় জামালপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, শরিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রফিকুল ইসলাম আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। নিহত ফারুক মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের ডেঙ্গারগড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত হায়দর আলীর ছেলে।

অপরদিকে গত ৫ আগস্ট জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আক্তারুজ্জামানের ছেলে সাফোরান আক্তার সদ্য পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। সদ্য সাভার ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় আন্দোলনকারী ছিল বলে জানা যায়। জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়। নিহত সদ্যের পরিবারকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে জামালপুর পৌরসভাধীন রশিদপুর গ্রামের বাসিন্দা বিজয় চন্দ্র দাম এর বাড়ি ৫ আগস্ট রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা, ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান বিজয় চন্দ্র দামের হাতে তিন বান্ডেল টিন, ৯ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী জানান, নিহত দুই পরিবারসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সাধ্যমত সহায়তা নিয়ে পাশে থাকবে। নিহত ফারুক মিয়ার পরিবারকে খাস জমির বন্দোবস্তসহ বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন। তিনি সকলের সহায়তা কামনা করেন।