ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী জামালপুরে জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বসতভিটা দখলের চেষ্টাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুরে শেষ হল তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা

জামালপুর : ফল মেলায় বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব রারো মাস’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে জামালপুরে তিনদিনের জাতীয় ফল মেলা শেষ হয়েছে। ২০ জুন, শনিবার বিকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে আয়োজন করা হয় ফল মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খানের সভাপতিত্বে ফল মেলা সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আগের দিনের মানুষ বেশি দিন বাঁচার কারণ হচ্ছে। তারা যা কিছু খাবার খেতো তার মধ্যে কোন ফরমালিন বা কেমিক্যাল ছিল না। আর আমরা এখন যা কিছু খাই তা হল হাইব্রিড বা ফরমালিনযুক্ত খাবার। মাছ থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুতেই ফরমালিন। আমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যার বাড়িতে দুই একটা গাছ লাগানোর জায়গা নেই। যে লোক ভিক্ষা করে খায় তার বাড়িতেও দুটা গাছ লাগানোর জায়গা আছে।

তিনি আরও বলেন, আসলে আমরা কেউ উদ্যোগ নেই না। বাড়ির আঙ্গিনায় যদি ফলের বা কাঠের গাছও লাগাই। তাহলে দেখা যাবে এক সময় সেই গাছটি বিক্রি করে এক বা দুই লাখ টাকা পাওয়া যাবে। আর সেই গাছ বিক্রির টাকা পরিবারের বিপদের সময় কাজে লাগবে। আর যদি আমরা ফলের গাছও লাগাই তাহলে আমাদের সন্তানেরা ফরমালিনমুক্ত টাটকা ফল খেতে পারবে। আমরা যদি সবাই উৎসাহিত হয়ে গাছ লাগাই তাহলে এক সময় সবাই এর সুফল পাব। তাই বাড়ির আঙ্গিনাসহ সব জায়গাতেই বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা।

জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব গাউসুল আলম শাহীন, উদ্যােক্তা শিমু বেগম প্রমুখ।

জামালপুর : ফল মেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

আলোচনা সভা শেষে ফল মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে সকলের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ বিতরণ করা হয়।

পরে জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহয়তা কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষক ও প্রতিষ্ঠানপর্যায়ে বিনামূল্যে গাছের চারা ও সার, আমন ধানের বীজ ও সার, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, হাইব্রিড মরিচ এবং লেবুর চারা বিতরণ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

জামালপুরে শেষ হল তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা

আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব রারো মাস’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে জামালপুরে তিনদিনের জাতীয় ফল মেলা শেষ হয়েছে। ২০ জুন, শনিবার বিকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে আয়োজন করা হয় ফল মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খানের সভাপতিত্বে ফল মেলা সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন বলেন, আগের দিনের মানুষ বেশি দিন বাঁচার কারণ হচ্ছে। তারা যা কিছু খাবার খেতো তার মধ্যে কোন ফরমালিন বা কেমিক্যাল ছিল না। আর আমরা এখন যা কিছু খাই তা হল হাইব্রিড বা ফরমালিনযুক্ত খাবার। মাছ থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুতেই ফরমালিন। আমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যার বাড়িতে দুই একটা গাছ লাগানোর জায়গা নেই। যে লোক ভিক্ষা করে খায় তার বাড়িতেও দুটা গাছ লাগানোর জায়গা আছে।

তিনি আরও বলেন, আসলে আমরা কেউ উদ্যোগ নেই না। বাড়ির আঙ্গিনায় যদি ফলের বা কাঠের গাছও লাগাই। তাহলে দেখা যাবে এক সময় সেই গাছটি বিক্রি করে এক বা দুই লাখ টাকা পাওয়া যাবে। আর সেই গাছ বিক্রির টাকা পরিবারের বিপদের সময় কাজে লাগবে। আর যদি আমরা ফলের গাছও লাগাই তাহলে আমাদের সন্তানেরা ফরমালিনমুক্ত টাটকা ফল খেতে পারবে। আমরা যদি সবাই উৎসাহিত হয়ে গাছ লাগাই তাহলে এক সময় সবাই এর সুফল পাব। তাই বাড়ির আঙ্গিনাসহ সব জায়গাতেই বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা।

জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আখতার, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব গাউসুল আলম শাহীন, উদ্যােক্তা শিমু বেগম প্রমুখ।

জামালপুর : ফল মেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

আলোচনা সভা শেষে ফল মেলায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। পুরস্কার বিতরণ শেষে সকলের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ বিতরণ করা হয়।

পরে জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পুনর্বাসন সহয়তা কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষক ও প্রতিষ্ঠানপর্যায়ে বিনামূল্যে গাছের চারা ও সার, আমন ধানের বীজ ও সার, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, হাইব্রিড মরিচ এবং লেবুর চারা বিতরণ করা হয়।