ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর জেলা যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল জামালপুরে খবরের কাগজ বন্ধুজনের সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে ৩০০ পরিবার পেল জাকাত ফাউন্ডেশন অব আমেরিকার খাদ্য সহায়তা নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল শেরপুরে জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্পসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় গ্রিডে দিনে আরো ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে জামালপুরে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নে কনসালটেন্ট সভা অনুষ্ঠিত কুলকান্দিতে ইউনিয়ন বিএনপিরকর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাভারে নিহত ২ পরিবারকে জামালপুর উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারকে সহায়তা।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারকে সহায়তা।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জামালপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা সাফোরান আক্তার সদ্য (১৪) ও ফারুক মিয়া (৪০) পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এ খবর জানতে পেরে ১৯ আগস্ট সোমবার নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করে জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসন।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই সাভারে মুরগির দোকানের কর্মচারী ফারুক মিয়া (৪০) কর্মরত অবস্থায় ছিলেন। সেখানে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে গুলি ছুড়লে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় হাসপতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি গৃহহীন দরিদ্র ফারুক মিয়ার মৃত্যুতে স্ত্রীসহ দুই সন্তান চরম দুরাবস্থায় পড়ে। মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকে মৃত ফারুকের পরিবার। খবর পেয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা বেগম ও সন্তানদের ডেকে আনেন। তাদের হাতে ২০ হাজার টাকা নগদ, তিন বান্ডেল ঢেউটিন, শুকনা খাবার এবং ঘর মেরামতের জন্য ৯ হাজার নগদ টাকা তুলে দেন। এসময় জামালপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, শরিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রফিকুল ইসলাম আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। নিহত ফারুক মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের ডেঙ্গারগড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত হায়দর আলীর ছেলে।

অপরদিকে গত ৫ আগস্ট জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আক্তারুজ্জামানের ছেলে সাফোরান আক্তার সদ্য পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। সদ্য সাভার ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় আন্দোলনকারী ছিল বলে জানা যায়। জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়। নিহত সদ্যের পরিবারকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে জামালপুর পৌরসভাধীন রশিদপুর গ্রামের বাসিন্দা বিজয় চন্দ্র দাম এর বাড়ি ৫ আগস্ট রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা, ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান বিজয় চন্দ্র দামের হাতে তিন বান্ডেল টিন, ৯ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী জানান, নিহত দুই পরিবারসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সাধ্যমত সহায়তা নিয়ে পাশে থাকবে। নিহত ফারুক মিয়ার পরিবারকে খাস জমির বন্দোবস্তসহ বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন। তিনি সকলের সহায়তা কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জামালপুর জেলা যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সাভারে নিহত ২ পরিবারকে জামালপুর উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারকে সহায়তা।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে জামালপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা সাফোরান আক্তার সদ্য (১৪) ও ফারুক মিয়া (৪০) পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। এ খবর জানতে পেরে ১৯ আগস্ট সোমবার নিহতদের পরিবারকে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করে জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসন।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই সাভারে মুরগির দোকানের কর্মচারী ফারুক মিয়া (৪০) কর্মরত অবস্থায় ছিলেন। সেখানে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে গুলি ছুড়লে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয় হাসপতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার পর ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। উপার্জনের একমাত্র ব্যক্তি গৃহহীন দরিদ্র ফারুক মিয়ার মৃত্যুতে স্ত্রীসহ দুই সন্তান চরম দুরাবস্থায় পড়ে। মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকে মৃত ফারুকের পরিবার। খবর পেয়ে জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী নিহতের স্ত্রী সন্ধ্যা বেগম ও সন্তানদের ডেকে আনেন। তাদের হাতে ২০ হাজার টাকা নগদ, তিন বান্ডেল ঢেউটিন, শুকনা খাবার এবং ঘর মেরামতের জন্য ৯ হাজার নগদ টাকা তুলে দেন। এসময় জামালপুর সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুর রহমান, শরিফপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রফিকুল ইসলাম আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। নিহত ফারুক মিয়া জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের ডেঙ্গারগড় গ্রামের বাসিন্দা মৃত হায়দর আলীর ছেলে।

অপরদিকে গত ৫ আগস্ট জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা আক্তারুজ্জামানের ছেলে সাফোরান আক্তার সদ্য পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। সদ্য সাভার ক্যান্টমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। সে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় আন্দোলনকারী ছিল বলে জানা যায়। জামালপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে নিহতের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়। নিহত সদ্যের পরিবারকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হবে বলে জানা যায়।

অন্যদিকে জামালপুর পৌরসভাধীন রশিদপুর গ্রামের বাসিন্দা বিজয় চন্দ্র দাম এর বাড়ি ৫ আগস্ট রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা, ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রধান বিজয় চন্দ্র দামের হাতে তিন বান্ডেল টিন, ৯ হাজার টাকা ও শুকনা খাবার তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকী জানান, নিহত দুই পরিবারসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সাধ্যমত সহায়তা নিয়ে পাশে থাকবে। নিহত ফারুক মিয়ার পরিবারকে খাস জমির বন্দোবস্তসহ বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ারও আশ্বাস দেন। তিনি সকলের সহায়তা কামনা করেন।