ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাদারগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ গরু, দগ্ধ আরও দুটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জি এম ফাতিউল ইসলাম বাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই শিক্ষকের বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই। ৯ জুন রবিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন জানান, তার বড় ছেলে হাফিজুর রহমান বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় তার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে বৃদ্ধ মাছেমা ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সাত বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করা জমির কবলা দলিল করে না দিয়ে নানান তালবাহানা করতে থাকেন।

এ নিয়ে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছেলে আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ ধারার মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েকদিন আগে হাফিজুর রহমান তার মা আছেমা খাতুনকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম। সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার ভাই অসহায় ও তার জমিজমা না থাকায় তাকে আমার বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা আমার জমিটি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৮:০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জি এম ফাতিউল ইসলাম বাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই শিক্ষকের বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই। ৯ জুন রবিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন জানান, তার বড় ছেলে হাফিজুর রহমান বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় তার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে বৃদ্ধ মাছেমা ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সাত বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করা জমির কবলা দলিল করে না দিয়ে নানান তালবাহানা করতে থাকেন।

এ নিয়ে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছেলে আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ ধারার মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েকদিন আগে হাফিজুর রহমান তার মা আছেমা খাতুনকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম। সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার ভাই অসহায় ও তার জমিজমা না থাকায় তাকে আমার বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা আমার জমিটি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে।