ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্কুলজীবনে শিক্ষকদের স্মৃতি : শাহ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ছাগল পেল ১২০ পরিবার মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জনগণের সঠিক ধারণা নির্ভর করে গণমাধ্যমের ওপর : তথ্যমন্ত্রী কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জি এম ফাতিউল ইসলাম বাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই শিক্ষকের বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই। ৯ জুন রবিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন জানান, তার বড় ছেলে হাফিজুর রহমান বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় তার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে বৃদ্ধ মাছেমা ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সাত বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করা জমির কবলা দলিল করে না দিয়ে নানান তালবাহানা করতে থাকেন।

এ নিয়ে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছেলে আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ ধারার মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েকদিন আগে হাফিজুর রহমান তার মা আছেমা খাতুনকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম। সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার ভাই অসহায় ও তার জমিজমা না থাকায় তাকে আমার বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা আমার জমিটি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৮:০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জি এম ফাতিউল ইসলাম বাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই শিক্ষকের বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই। ৯ জুন রবিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন জানান, তার বড় ছেলে হাফিজুর রহমান বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় তার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে বৃদ্ধ মাছেমা ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সাত বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করা জমির কবলা দলিল করে না দিয়ে নানান তালবাহানা করতে থাকেন।

এ নিয়ে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছেলে আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ ধারার মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েকদিন আগে হাফিজুর রহমান তার মা আছেমা খাতুনকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম। সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার ভাই অসহায় ও তার জমিজমা না থাকায় তাকে আমার বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা আমার জমিটি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে।