ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দেবে : উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধূমকেতু রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : একটি ঐতিহাসিক বয়ান দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চক্রান্ত চলছে : সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল মাদারগঞ্জে ১০৭৫ মিটার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জি এম ফাতিউল ইসলাম বাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই শিক্ষকের বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই। ৯ জুন রবিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন জানান, তার বড় ছেলে হাফিজুর রহমান বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় তার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে বৃদ্ধ মাছেমা ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সাত বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করা জমির কবলা দলিল করে না দিয়ে নানান তালবাহানা করতে থাকেন।

এ নিয়ে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছেলে আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ ধারার মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েকদিন আগে হাফিজুর রহমান তার মা আছেমা খাতুনকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম। সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার ভাই অসহায় ও তার জমিজমা না থাকায় তাকে আমার বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা আমার জমিটি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০৮:০৭:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাছেমা খাতুন। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জি এম ফাতিউল ইসলাম বাবু
নিজস্ব প্রতিবেদক, বকশীগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ছেলের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই শিক্ষকের বৃদ্ধ মা ও ছোট ভাই। ৯ জুন রবিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সূর্যনগর নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় ওই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন জানান, তার বড় ছেলে হাফিজুর রহমান বগারচর ইউনিয়নের সারমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। হাফিজুর রহমান সূর্যনগর বাজার এলাকায় তার ছোট ভাই আবুল হাসেমের কাছে ৮ লাখ টাকায় ৩৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। ওই জমিতে ২০১৭ সালে বৃদ্ধ মাছেমা ও ছোট ছেলে আবুল হাসেম তার পরিবার নিয়ে বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সাত বছর পার হলেও শিক্ষক হাফিজুর রহমান ছোট ভাইয়ের কাছে বিক্রি করা জমির কবলা দলিল করে না দিয়ে নানান তালবাহানা করতে থাকেন।

এ নিয়ে বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছেলে আবুল হাসেম জমির কবলা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান তাকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ৭ ধারার মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে আবুল হাসেমের পক্ষে কথা বলায় কয়েকদিন আগে হাফিজুর রহমান তার মা আছেমা খাতুনকে থাকার ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্রি করা জমি ফিরে পেতে ও মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বৃদ্ধ মাছেমা খাতুন ও তার ছোট ছেলে আবুল হাসেম। সংবাদ সম্মেলনে মাছেমা খাতুন ছাড়াও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার ভাই অসহায় ও তার জমিজমা না থাকায় তাকে আমার বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা আমার জমিটি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছে।