ঢাকা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দেবে : উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধূমকেতু রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : একটি ঐতিহাসিক বয়ান দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চক্রান্ত চলছে : সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল মাদারগঞ্জে ১০৭৫ মিটার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

ইজিবাইক চালক হত্যা মামলার রায় : চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি রুবেল ও মনি তাহেরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকতম

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি রুবেল ও মনি তাহেরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় চাঞ্চল্যকর ইজিবাইক চালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার রায়ে চারজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। ৯ জুন রবিবার দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ মুহা. আনোয়ার ছাদাত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি চারজন হলেন সরিষাবাড়ী উপজেলার সামর্থবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে সোহাগ, ঝালুপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদিন তাহেরীর ছেলে মনি তাহেরী ওরফে মনির হোসেন, সামর্থবাড়ী ঝালুপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে মো. জাকির হোসেন ও একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া। তাদের মধ্যে আসামি সোহাগ ও মো. জাকির হোসেন জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক রয়েছেন। পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ উল্লেখ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার রায় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সরিষাবাড়ী উপজেলার মুলবাড়ি এলাকায় জনৈক লিকু মিয়ার মুরগির ফার্মের কাছেই পাকা রাস্তা থেকে লাইজু মিয়ার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে যায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা। একই সঙ্গে আসামিরা রিকশাচালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে রুবেল মিয়া ও মো. মনি তাহেরীকে গ্রেপ্তার করে মামলাটিতে আসামিভুক্ত করা হয়। তারা দুজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই সঙ্গে লাইজু মিয়াকে হত্যার ঘটনায় সহযোগী সোহাগ ও জাকির হোসেনের জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৯ জুন রবিবার দুপুরে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট আদালত।

আপলোডকারীর তথ্য

জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত

ইজিবাইক চালক হত্যা মামলার রায় : চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ

আপডেট সময় ০৯:৩২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি রুবেল ও মনি তাহেরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় চাঞ্চল্যকর ইজিবাইক চালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা মামলার রায়ে চারজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। ৯ জুন রবিবার দুপুরে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ মুহা. আনোয়ার ছাদাত এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি চারজন হলেন সরিষাবাড়ী উপজেলার সামর্থবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে সোহাগ, ঝালুপাড়া গ্রামের জয়নাল আবেদিন তাহেরীর ছেলে মনি তাহেরী ওরফে মনির হোসেন, সামর্থবাড়ী ঝালুপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে মো. জাকির হোসেন ও একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. রুবেল মিয়া। তাদের মধ্যে আসামি সোহাগ ও মো. জাকির হোসেন জামিনে মুক্ত হয়ে পলাতক রয়েছেন। পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ উল্লেখ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার রায় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে সরিষাবাড়ী উপজেলার মুলবাড়ি এলাকায় জনৈক লিকু মিয়ার মুরগির ফার্মের কাছেই পাকা রাস্তা থেকে লাইজু মিয়ার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চুরি করে নিয়ে যায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা। একই সঙ্গে আসামিরা রিকশাচালক লাইজু মিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ওই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে রুবেল মিয়া ও মো. মনি তাহেরীকে গ্রেপ্তার করে মামলাটিতে আসামিভুক্ত করা হয়। তারা দুজন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই সঙ্গে লাইজু মিয়াকে হত্যার ঘটনায় সহযোগী সোহাগ ও জাকির হোসেনের জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ৯ জুন রবিবার দুপুরে উপরোক্ত রায় ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট আদালত।