
বিল্লাল হোসেন মন্ডল
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের ১৯ দিন পর ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে শিশু মাহমুদুল হাসান মুজাহিদের (৫) মরদেহের সন্ধান মিলেছে। ৩০ মে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী পশ্চিমপাড়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। সে পাটাধোয়াপাড়া গ্রামের বাবুল আক্তারের ছেলে।
জানা গেছে, উপজেলার সানন্দবাড়ী এলাকার স্থানীয় একটি মাদরাসার শিশু শ্রেণির ছাত্র মুজাহিদ ৯ মে দুপুরে তার মায়ের ট্রাংক থেকে ৫০০ টাকা নিয়ে দোকানে কিছু কিনতে যায়। এ সময় একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে শামীম হোসেন তাকে ফুঁসলিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে নিয়ে ৫০০ টাকা কেড়ে নেয়। টাকা নেয়ার বিষয়টি শিশু মুজাহিদ তার মাকে বলে দেওয়ার কথা বললে শামীম তাকে ধাক্কা দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের পানিতে ফেলে দিলে সে নিখোঁজ হয়।
শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল এবং স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি। এ ঘটনায় নিখোঁজ শিশু মুজাহিদের বাবা বাবুল আক্তার বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার অভিযোগে ১২ মে শামীম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শামীম বর্তমানে জেলা কারাগারে আটক রয়েছে।
অবশেষে ৩০ মে সকালে সানন্দবাড়ী পশ্চিমপাড়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে গলিত এক শিশুর মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশ ও শিশু মুজাহিদের বাবা-মা ঘটনাস্থলে যান। গলিত মরদেহের পরনের কালো শার্ট ও প্যান্ট দেখে শিশু মুজাহিদের মরদেহ বলে শনাক্ত করেন তার বাবা-মা। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাস এ প্রতিবেদককে জানান, ৩০ মে দুপুরে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক শামীম হোসেন বর্তমানে জেলা কারাগারে আটক রয়েছে।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 



















