ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

পেরুর আন্দিজ হিমবাহের অর্ধেক বরফ গলে গেছে

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে পেরুর আন্দিজ পর্বতের অর্ধেকেরও বেশি এলাকার বরফ গলে গেছে। বিশ্বের বেশিরভাগ গ্রীষ্মমন্ডলীয় হিমবাহের প্রতিনিধিত্ব করে আন্দিজ পর্বতমালা। দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ গ্লেসিয়ার অ্যান্ড ইকো সিস্টেমের গবেষণা রিপোর্টে জানায়, সর্বশেষ হিসাবে ১৯৬২ সাল থেকে হিমবাহগুলো ১,৩৪৮বর্গ কিলোমিটার (৫২০ বর্গ মাইল) হ্রাস পেয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পেরুর উত্তর আনকাশ অঞ্চলে প্রায় ৫,২৫০ মিটার (১৭,২০০ ফুট) উঁচু মাউন্ট পাস্তুরি দেশটি পর্যটন সেক্টরের সেরা আকর্ষণগুলোর অন্যতম। এর বরফ ঢাকা পৃষ্ঠের ৫০ শতাংশেরও বেশি অংশ হারিয়ে যাওয়ায় পর্যটনের ওপর সবচেয়ে বড় ধরনের হুমকি এসেছে।

গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়, ‘এই বরফ গলন থেকে নতুন উপহ্রদ বা লেক তৈরি হচ্ছে।’

পেরু বলেছে, গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ হিমবাহের অবস্থান পেরুতে।

ইনস্টিটিউট বলেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের চমৎকার, সংবেদনশীল সূচক নির্ধারণে গ্রীষ্মমন্ডলীয় হিমবাহগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাট্যসাধনায় অনন্য: নাট্যকার ও নির্দেশক বীরমুক্তিযোদ্ধা আসাদুল্লাহ ফারাজী

পেরুর আন্দিজ হিমবাহের অর্ধেক বরফ গলে গেছে

আপডেট সময় ০৭:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে পেরুর আন্দিজ পর্বতের অর্ধেকেরও বেশি এলাকার বরফ গলে গেছে। বিশ্বের বেশিরভাগ গ্রীষ্মমন্ডলীয় হিমবাহের প্রতিনিধিত্ব করে আন্দিজ পর্বতমালা। দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ গ্লেসিয়ার অ্যান্ড ইকো সিস্টেমের গবেষণা রিপোর্টে জানায়, সর্বশেষ হিসাবে ১৯৬২ সাল থেকে হিমবাহগুলো ১,৩৪৮বর্গ কিলোমিটার (৫২০ বর্গ মাইল) হ্রাস পেয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পেরুর উত্তর আনকাশ অঞ্চলে প্রায় ৫,২৫০ মিটার (১৭,২০০ ফুট) উঁচু মাউন্ট পাস্তুরি দেশটি পর্যটন সেক্টরের সেরা আকর্ষণগুলোর অন্যতম। এর বরফ ঢাকা পৃষ্ঠের ৫০ শতাংশেরও বেশি অংশ হারিয়ে যাওয়ায় পর্যটনের ওপর সবচেয়ে বড় ধরনের হুমকি এসেছে।

গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়, ‘এই বরফ গলন থেকে নতুন উপহ্রদ বা লেক তৈরি হচ্ছে।’

পেরু বলেছে, গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ হিমবাহের অবস্থান পেরুতে।

ইনস্টিটিউট বলেছে, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের চমৎকার, সংবেদনশীল সূচক নির্ধারণে গ্রীষ্মমন্ডলীয় হিমবাহগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’