ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে : স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বিজিবি’র অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ প্রাইভেট কার জব্দ, আটক ২ মাদারগঞ্জে অজ্ঞাত রোগে মরে যাচ্ছে মরিচগাছ, কৃষকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ সাংবাদিক আলিফ হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন ইসলামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু লড়াই করেও পারল না বাংলাদেশ, চ্যাম্পিয়ন ভারত সয়েল ফিভারে থাইল্যান্ডে ৫৭০ জন আক্রান্ত, মৃত্যু ৪৫ দীর্ঘ ৫ বছর পর ছেলের সাথে ফোনে কথা বললেন অং সান সু চি

সমাপ্ত হলো শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজা

ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজার মেলায় পুণ্যার্থীদের ভিড়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজার মেলায় পুণ্যার্থীদের ভিড়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য আর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজা। উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের শ্রীশ্রী কালিমাতা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের কালিপূজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ মে সকাল থেকে শুরু হয়ে ১০ মে রাত পর্যন্ত চলে কালিপূজা ও মেলা।

আয়োজকরা জানান, এবার মেলায় পুণ্যার্থীসহ প্রায় অর্ধলাখ মানুষের সমাগম ঘটে। মেলা কর্তৃপক্ষ বলছেন, এই পূজা আর মেলা শতবছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। যতই দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে এর ভক্তদের সংখ্যা।

জানা যায়, বাংলা বর্ষের বৈশাখ মাসের শেষ সপ্তাহে চরণতলা কালিমাতার মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালিপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য আর আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ৯ মে সকাল থেকে শুরু হয় কালিপূজা। একই সাথে বসে গ্রামীণ মেলা। এ উৎসবকে ঘিরে আয়োজকরা পূজা ও মেলা প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে তুলেন রঙিন সাজে। মেলায় সকাল থেকে আসতে থাকে সব বয়সের হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। রাত যত ঘনীভূত হয় লোকের সমাগম ততই বাড়তে থাকে।

পূজা অয়োজন কমিটির সদস্য নির্মল পাল এ প্রতিবেদককে বলেন, ভক্তরা ফুল, কলা, জল আর পাঠা বলি দিয়ে মায়ের চরণে প্রার্থনা করেন। মনের বাসনা আর মানত পূরণে মন্দিরের সামনে মোমবাতি জ্বালিয়েও প্রার্থনা করেন ভক্তরা। এই কালিপূজাকে ঘিরে মেলায় বিভিন্ন খেলনা সামগ্রী থেকে শুরু করে নানা পসরা নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। এতে দর্শনার্থীদের মহামিলন মেলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। আইনশৃংখলা বাহিনীও থাকে সতর্ক অবস্থানে।

চরণতলা বারোয়ারি কালিপূজা কমিটির সভাপতি পীযুষ কান্তি মোদক এ প্রতিবেদককে বলেন, এই পূজার প্রধান আকর্ষণ পাঠা বলি। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মানত পূরণে রাত ১২টার পর থেকে শুরু হয় পাঠা বলি। চলে ভোর পর্যন্ত। সবার সহযোগিতায় এই পূজা উপলক্ষে দর্শনার্থীরা আনন্দ উপভোগ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

সমাপ্ত হলো শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজা

আপডেট সময় ০৭:৪১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩
ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজার মেলায় পুণ্যার্থীদের ভিড়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য আর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী চরণতলার কালীপূজা। উপজেলার বিষ্ণপুর গ্রামের শ্রীশ্রী কালিমাতা মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের কালিপূজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ মে সকাল থেকে শুরু হয়ে ১০ মে রাত পর্যন্ত চলে কালিপূজা ও মেলা।

আয়োজকরা জানান, এবার মেলায় পুণ্যার্থীসহ প্রায় অর্ধলাখ মানুষের সমাগম ঘটে। মেলা কর্তৃপক্ষ বলছেন, এই পূজা আর মেলা শতবছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। যতই দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে এর ভক্তদের সংখ্যা।

জানা যায়, বাংলা বর্ষের বৈশাখ মাসের শেষ সপ্তাহে চরণতলা কালিমাতার মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালিপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য আর আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ৯ মে সকাল থেকে শুরু হয় কালিপূজা। একই সাথে বসে গ্রামীণ মেলা। এ উৎসবকে ঘিরে আয়োজকরা পূজা ও মেলা প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে তুলেন রঙিন সাজে। মেলায় সকাল থেকে আসতে থাকে সব বয়সের হিন্দু সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ। রাত যত ঘনীভূত হয় লোকের সমাগম ততই বাড়তে থাকে।

পূজা অয়োজন কমিটির সদস্য নির্মল পাল এ প্রতিবেদককে বলেন, ভক্তরা ফুল, কলা, জল আর পাঠা বলি দিয়ে মায়ের চরণে প্রার্থনা করেন। মনের বাসনা আর মানত পূরণে মন্দিরের সামনে মোমবাতি জ্বালিয়েও প্রার্থনা করেন ভক্তরা। এই কালিপূজাকে ঘিরে মেলায় বিভিন্ন খেলনা সামগ্রী থেকে শুরু করে নানা পসরা নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। এতে দর্শনার্থীদের মহামিলন মেলার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। আইনশৃংখলা বাহিনীও থাকে সতর্ক অবস্থানে।

চরণতলা বারোয়ারি কালিপূজা কমিটির সভাপতি পীযুষ কান্তি মোদক এ প্রতিবেদককে বলেন, এই পূজার প্রধান আকর্ষণ পাঠা বলি। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মানত পূরণে রাত ১২টার পর থেকে শুরু হয় পাঠা বলি। চলে ভোর পর্যন্ত। সবার সহযোগিতায় এই পূজা উপলক্ষে দর্শনার্থীরা আনন্দ উপভোগ করেন।