ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিপজ্জনক পরিস্থিতির ব্যাপারে ওয়াচডগ-এর সতর্কতা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘের পরমাণু প্রধান ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশে বিপজ্জনক পরিস্থিতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

রাশিয়ার জাপোরিঝিয়া স্টেশনের কাছ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার ফলে এই অঞ্চলে সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গত বছর রুশ বাহিনী দখল করার পর থেকে ইন্টারন্যাশনাল এটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের ছয়-চুল্লির পারমানবিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। খবর এএফপি’র।

ইউক্রেনের দিক থেকে গোলাবর্ষণে অগ্রসর হওয়ার অভিযোগ এনে রাশিয়া গত সপ্তাহে পরিবারগুলিকে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে অস্থায়ীভাবে নিকটবর্তী শহর এনারহোদার ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

আইএইএ-এর প্রধান রাফায়েল গ্রসি শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকার সাধারণ পরিস্থিতি ক্রমশ অপ্রত্যাশিত ও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।’

তিনি বলেন, আমি প্ল্যান্টের পারমাণবিক নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়া সম্পর্কে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।

গ্রসি আরো বলেন,পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মীরা অনসাইটে অবস্থান করলেও, আইএইএ বিশেষজ্ঞরা তথ্য পেয়েছেন যে, বেশিরভাগ প্ল্যান্টের কর্মীদের আবাসস্থল নিকটবর্তী শহর এনেরহোদার থেকে বাসিন্দাদের ঘোষিত স্থানান্তর শুরু হয়েছে এবং তারা পারমাণবিক প্রভাবের আশঙ্কাজনক যে কোনো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

জাপোরিঝিয়া ওব্লাস্টের নগরী মেলিটোপোলের মেয়র ইভান ফেডোরভ, শুক্রবার থেকে প্রতি ২০-৩০ মিনিটে বাস ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে রাশিয়ান বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ায় খুব দ্রুত অগ্রসর হওয়ার অভিযোগ করেছেন।
ক্রেমলিন সহ একাধিক হামলা ও নাশকতার অভিযানের জন্য মস্কো কিয়েভ এবং তার পশ্চিমা সমর্থকদের দায়ী করেছে।

ইউক্রেন কয়েক মাস ধরে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোনো বিশ্লেষক সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিকে আসন্ন হামলার আলামত হিসেবে দেখছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইউক্রেনের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিপজ্জনক পরিস্থিতির ব্যাপারে ওয়াচডগ-এর সতর্কতা

আপডেট সময় ০৪:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ মে ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : জাতিসংঘের পরমাণু প্রধান ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশে বিপজ্জনক পরিস্থিতির বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

রাশিয়ার জাপোরিঝিয়া স্টেশনের কাছ থেকে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার ফলে এই অঞ্চলে সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গত বছর রুশ বাহিনী দখল করার পর থেকে ইন্টারন্যাশনাল এটমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ) ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের ছয়-চুল্লির পারমানবিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। খবর এএফপি’র।

ইউক্রেনের দিক থেকে গোলাবর্ষণে অগ্রসর হওয়ার অভিযোগ এনে রাশিয়া গত সপ্তাহে পরিবারগুলিকে শিশু ও বয়স্কদের নিয়ে অস্থায়ীভাবে নিকটবর্তী শহর এনারহোদার ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

আইএইএ-এর প্রধান রাফায়েল গ্রসি শনিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকার সাধারণ পরিস্থিতি ক্রমশ অপ্রত্যাশিত ও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।’

তিনি বলেন, আমি প্ল্যান্টের পারমাণবিক নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখোমুখি হওয়া সম্পর্কে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।

গ্রসি আরো বলেন,পারমাণবিক কেন্দ্রের কর্মীরা অনসাইটে অবস্থান করলেও, আইএইএ বিশেষজ্ঞরা তথ্য পেয়েছেন যে, বেশিরভাগ প্ল্যান্টের কর্মীদের আবাসস্থল নিকটবর্তী শহর এনেরহোদার থেকে বাসিন্দাদের ঘোষিত স্থানান্তর শুরু হয়েছে এবং তারা পারমাণবিক প্রভাবের আশঙ্কাজনক যে কোনো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

জাপোরিঝিয়া ওব্লাস্টের নগরী মেলিটোপোলের মেয়র ইভান ফেডোরভ, শুক্রবার থেকে প্রতি ২০-৩০ মিনিটে বাস ছেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে রাশিয়ান বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ায় খুব দ্রুত অগ্রসর হওয়ার অভিযোগ করেছেন।
ক্রেমলিন সহ একাধিক হামলা ও নাশকতার অভিযানের জন্য মস্কো কিয়েভ এবং তার পশ্চিমা সমর্থকদের দায়ী করেছে।

ইউক্রেন কয়েক মাস ধরে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কোনো বিশ্লেষক সাম্প্রতিক ঘটনাগুলিকে আসন্ন হামলার আলামত হিসেবে দেখছেন।