ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই : শামা নকলায় চলন্ত বাসে যাত্রী তোলা নিয়ে মারামারি, পথচারী নিহত যৌতুক : স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা মামলার রায়ে আসামি স্বামীর মৃত্যুদণ্ড বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে ডাক কর্মচারীদের ধর্মঘট জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত সীমান্তে সড়ক সংস্কারে এলজিইডিকে নির্দেশ দিলেন বিভাগীয় কমিশনার প্রতিশ্রুতির বন্যা : জনসেবা নাকি ভোটের রাজনীতি? মাদারগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহারের দায়ে পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

ভয়াল সূর্যদী গণহত্যা দিবস

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে ২৪ নভেম্বর শেরপুর সদরের কামারিয়া ইউনিয়নের সূর্যদী গ্রামে পাক হানাদারদের হামলায় ৩৯ জন শহীদ হন। স্থানীয়ভাবে এখানে স্মৃতিফলক নির্মিত হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদদের কবরগুলো চিহ্নিত কিংবা কোনো স্মৃতিস্তম্ভ¢ নির্মাণ করা হয়নি।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও এ ব্যাপারে কোনো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রইস উদ্দিন জানান, জেলা সদর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরের সূর্যদী গ্রামে একাত্তরের নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে রাজাকার ও পাক হানাদারদের গতিবিধি লক্ষ্য করতে একদল মুক্তিযোদ্ধা এখানে আসেন।

কিন্তু স্থানীয় আলবদর বাহিনীর সদস্য ইয়াদ আলী খাঁ, জিয়ারত আলী খাঁ ও আব্দুর রশীদ গংদের মাধ্যমে ওই খবর পেয়ে যায় পাকবাহিনী।

এরপর রাজাকার ও আলবদরদের নিয়ে হানাদার বাহিনী ২৪ নভেম্বর গ্রামটিতে হামলা চালিয়ে ৩৯ জনকে হত্যা করে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এসব শহীদদের স্মরণে সূর্যদী গ্রামে এলাকাবাসীরা একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করলেও অযত্নে অবহেলায় তা আজ ধ্বংসের মুখে।

মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত উদ্যেগে শহীদ আফসার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হলেও সরকারিভাবে এখানে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি।

একই সঙ্গে এলাকার গণকবরগুলো চিহ্নিত করাসহ সূর্যদী এলাকায় সরকারিভাবে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নিমার্ণেরও দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্য জুলহাস আলী ও আফছার উদ্দিন।

সূত্র জানায়, শহীদ আইজউদ্দিন ফাউন্ডেশন ও প্রজন্ম একাত্তরের আয়োজনে ২৪ নভেম্বর সকাল ১০টায় শহীদ আইজউদ্দিন মাদ্রাসা প্রঙ্গণে মিলাদ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া বিকালে স্থানীয় আহাম্মদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী

ভয়াল সূর্যদী গণহত্যা দিবস

আপডেট সময় ০৬:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: মুক্তিযুদ্ধের শেষদিকে ২৪ নভেম্বর শেরপুর সদরের কামারিয়া ইউনিয়নের সূর্যদী গ্রামে পাক হানাদারদের হামলায় ৩৯ জন শহীদ হন। স্থানীয়ভাবে এখানে স্মৃতিফলক নির্মিত হলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদদের কবরগুলো চিহ্নিত কিংবা কোনো স্মৃতিস্তম্ভ¢ নির্মাণ করা হয়নি।

স্বাধীনতার ৫১ বছর পরও এ ব্যাপারে কোনো রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রইস উদ্দিন জানান, জেলা সদর থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরের সূর্যদী গ্রামে একাত্তরের নভেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে রাজাকার ও পাক হানাদারদের গতিবিধি লক্ষ্য করতে একদল মুক্তিযোদ্ধা এখানে আসেন।

কিন্তু স্থানীয় আলবদর বাহিনীর সদস্য ইয়াদ আলী খাঁ, জিয়ারত আলী খাঁ ও আব্দুর রশীদ গংদের মাধ্যমে ওই খবর পেয়ে যায় পাকবাহিনী।

এরপর রাজাকার ও আলবদরদের নিয়ে হানাদার বাহিনী ২৪ নভেম্বর গ্রামটিতে হামলা চালিয়ে ৩৯ জনকে হত্যা করে।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের এসব শহীদদের স্মরণে সূর্যদী গ্রামে এলাকাবাসীরা একটি স্মৃতিফলক নির্মাণ করলেও অযত্নে অবহেলায় তা আজ ধ্বংসের মুখে।

মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যক্তিগত উদ্যেগে শহীদ আফসার মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হলেও সরকারিভাবে এখানে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি।

একই সঙ্গে এলাকার গণকবরগুলো চিহ্নিত করাসহ সূর্যদী এলাকায় সরকারিভাবে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নিমার্ণেরও দাবি জানিয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্য জুলহাস আলী ও আফছার উদ্দিন।

সূত্র জানায়, শহীদ আইজউদ্দিন ফাউন্ডেশন ও প্রজন্ম একাত্তরের আয়োজনে ২৪ নভেম্বর সকাল ১০টায় শহীদ আইজউদ্দিন মাদ্রাসা প্রঙ্গণে মিলাদ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া বিকালে স্থানীয় আহাম্মদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।