ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে।

২ জুলাই ভোররাতের এ ভূমিকম্পের পরে ওই এলাকায় আরও দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয় বলে জানিয়েছে তারা, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ইরানের পারস্য উপসাগর উপকূলীয় প্রদেশ হরমোজগানের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মেহরদাদ হাসানজাদেহ রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে বলেন, “এ ভূমিকম্পে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে আর এ পর্যন্ত ১২ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ চলমান আছে, জরুরি আশ্রয়ের জন্য আমরা এখন তাঁবুর ব্যবস্থা করছি।”

রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এবং ৬ দশমিক ১ মাত্রার আরও দুটি ভূমিকম্প হয়, এতে পারস্য উপসাগর উপকূলের গ্রাম সায়েহ খোশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এরপর থেকে এক ডজনেরও বেশি পরাঘাত অনুভূত হয়।

আইআরএনএর দেওয়া উদ্ধৃতিতে বন্দর লেনগেহ কাউন্টির গভর্নর ফোয়াদ মোরাদজাদেহ বলেন, “যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা সবাই প্রথম ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে, এ ভূমিকম্পের পর সবাই বাড়ির বাইরে চলে আসায় পরবর্তীগুলোতে আর কারও মৃত্যু হয়নি।”

বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ভূতাত্ত্বিক ফল্ট লাইন (ভূ-চ্যুতি) ইরানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে চলে গেছে। এর ফলে দেশটিতে প্রায়ই বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প হয়। ২০০৩ সালে কেরমান প্রদেশে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ৩১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রাচীন নগরী বামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০১:০০:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ জুলাই ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে।

২ জুলাই ভোররাতের এ ভূমিকম্পের পরে ওই এলাকায় আরও দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয় বলে জানিয়েছে তারা, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ইরানের পারস্য উপসাগর উপকূলীয় প্রদেশ হরমোজগানের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান মেহরদাদ হাসানজাদেহ রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে বলেন, “এ ভূমিকম্পে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে আর এ পর্যন্ত ১২ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার কাজ চলমান আছে, জরুরি আশ্রয়ের জন্য আমরা এখন তাঁবুর ব্যবস্থা করছি।”

রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এবং ৬ দশমিক ১ মাত্রার আরও দুটি ভূমিকম্প হয়, এতে পারস্য উপসাগর উপকূলের গ্রাম সায়েহ খোশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। এরপর থেকে এক ডজনেরও বেশি পরাঘাত অনুভূত হয়।

আইআরএনএর দেওয়া উদ্ধৃতিতে বন্দর লেনগেহ কাউন্টির গভর্নর ফোয়াদ মোরাদজাদেহ বলেন, “যাদের মৃত্যু হয়েছে তারা সবাই প্রথম ভূমিকম্পের শিকার হয়েছে, এ ভূমিকম্পের পর সবাই বাড়ির বাইরে চলে আসায় পরবর্তীগুলোতে আর কারও মৃত্যু হয়নি।”

বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ভূতাত্ত্বিক ফল্ট লাইন (ভূ-চ্যুতি) ইরানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে চলে গেছে। এর ফলে দেশটিতে প্রায়ই বড় ধরনের ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প হয়। ২০০৩ সালে কেরমান প্রদেশে ৬ দশমিক ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ৩১ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং প্রাচীন নগরী বামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।