ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে এপি কর্মীদের মাসিক সমন্বয় সভা

জামালপুরে এপির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে এপির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ওয়ার্ল্ড ভিশনের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) এর মাসিক কর্মী সমন্বয় সভা ৪ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড ভিশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের এপি ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন। এতে অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা, মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, সহকারী পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল, ওয়ার্ল্ড ভিশনের এপি ব্যবস্থাপক সাগর ডি কস্তা, স্পন্সরশীপ কর্মকর্তা সরোজ গ্রেগরি প্রমুখ। সভায় কর্মসূচির সকল কর্মীরা অংশ নেন।

সভায় নতুন বছরের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরিসহ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যৌথ মনিটরিং সেল গঠন, পরিবেশবান্ধব গ্রাম প্রতিষ্ঠা, শিশুদের আত্মরক্ষা ও সুরক্ষায় মার্শাল আর্ট কার্যক্রম পরিচালনা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি কোভিড মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জানা যায়, শিশুদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্যে খানার স্থায়ী আয়ের উৎসে সহযোগিতা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা এবং অংশগ্রহণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের অবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে জামালপুরে শুরু হয়েছে এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) নামে ১০ বছর মেয়াদি কর্মসূচি।

সভা সূত্র জানায়, এরিয়া প্রোগ্রামটি জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর, শরিফপুর ইউনিয়ন এবং জামালপুর পৌরসভার ১, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩৯টি গ্রামে ২৩ হাজার ২৮২টি উপকারভোগী পরিবার নির্বাচন করা হয়েছে। কর্মসূচির সকল কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ নিয়ে গ্রাম উন্নয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কার্যক্রমের মধ্যে জীবিকায়ন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াস এবং স্পন্সরশিপ অন্যতম। এরমধ্যে খানা জরিপ, দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশসম্মত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, জিঙ্ক ধান উৎপাদন, অতিদারিদ্রের উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, দল গঠন, সক্ষমতার বিকাশ ঘটানো, প্রসবপূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা, শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিপদাপন্ন শিশুর তালিকা তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে এপি কর্মীদের মাসিক সমন্বয় সভা

আপডেট সময় ০৬:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২
জামালপুরে এপির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: ওয়ার্ল্ড ভিশনের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) এর মাসিক কর্মী সমন্বয় সভা ৪ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড ভিশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের এপি ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন। এতে অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লা, মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, সহকারী পরিচালক কর্মসূচি মুর্শেদ ইকবাল, ওয়ার্ল্ড ভিশনের এপি ব্যবস্থাপক সাগর ডি কস্তা, স্পন্সরশীপ কর্মকর্তা সরোজ গ্রেগরি প্রমুখ। সভায় কর্মসূচির সকল কর্মীরা অংশ নেন।

সভায় নতুন বছরের বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা তৈরিসহ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যৌথ মনিটরিং সেল গঠন, পরিবেশবান্ধব গ্রাম প্রতিষ্ঠা, শিশুদের আত্মরক্ষা ও সুরক্ষায় মার্শাল আর্ট কার্যক্রম পরিচালনা, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি কোভিড মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জানা যায়, শিশুদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্যে খানার স্থায়ী আয়ের উৎসে সহযোগিতা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা এবং অংশগ্রহণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের অবস্থা উন্নতির লক্ষ্যে জামালপুরে শুরু হয়েছে এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) নামে ১০ বছর মেয়াদি কর্মসূচি।

সভা সূত্র জানায়, এরিয়া প্রোগ্রামটি জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর, শরিফপুর ইউনিয়ন এবং জামালপুর পৌরসভার ১, ১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩৯টি গ্রামে ২৩ হাজার ২৮২টি উপকারভোগী পরিবার নির্বাচন করা হয়েছে। কর্মসূচির সকল কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ নিয়ে গ্রাম উন্নয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কার্যক্রমের মধ্যে জীবিকায়ন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াস এবং স্পন্সরশিপ অন্যতম। এরমধ্যে খানা জরিপ, দক্ষতা উন্নয়ন, পরিবেশসম্মত গ্রাম প্রতিষ্ঠা, জিঙ্ক ধান উৎপাদন, অতিদারিদ্রের উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, দল গঠন, সক্ষমতার বিকাশ ঘটানো, প্রসবপূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা, শিশু অধিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিপদাপন্ন শিশুর তালিকা তৈরিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা শুরু হয়েছে।