ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় গ্রিডে দিনে আরো ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে জামালপুরে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নে কনসালটেন্ট সভা অনুষ্ঠিত কুলকান্দিতে ইউনিয়ন বিএনপিরকর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত স্থানান্তরের আবেদন নেই : জাল কাগজে বদলে গেল সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থীর ভোটার এলাকা জামালপুরে রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে মাদকবিরোধী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে ইউএনও’র অভিযানে ২৩ বস্তা সার জব্দ বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসানুল করিমের দাফন সম্পন্ন, দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় সম্মান স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের অপরাধে যুবকের কারাদণ্ড দেওয়ানগঞ্জে নদী থেকে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার

শেরপুরে সংবাদকর্মীর ওপর মেয়রের হামলা, ক্যামেরা ভাংচুর

নকলায় সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নকলায় সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরের নকলায় ইউপি নির্বাচনের খবর সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে এক সংবাদকর্মীর ওপর পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মেয়রের সহযোগীরা ওই সংবাদকর্মীর সাথে থাকা ক্যামেরা ও ট্রাইপড কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে।

২৮ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার গৌরদ্বার ইউপি’র ৯ নম্বর পাইস্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র থেকে ফেরার পথে ওই সংবাদকর্মী হামলার শিকার হন। তার নাম জুবাইদুল ইসলাম। তিনি বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টুয়েন্টিফোর এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার শেরপুর জেলা সংবাদদাতা।

পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে অন্যান্য গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা ঢাকা-নকলা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে প্রায় দেড়ঘন্টা ওই সড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় সড়কের দুই পাশে বিপুল পরিমাণ যানবাহন আটকা পড়ে।

এমন তথ্য পেয়ে নকলার ইউএনও এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে মেয়রকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের শর্তে তুলে নেয়া হয় অবরোধ কর্মসূচী।

ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী জুবাইদুল ইসলাম জানান, তিনি পাইস্কা কেন্দ্রর ভোট গ্রহণের চিত্র ক্যামেরাবন্দী করে ফিরছিলেন। এ সময় নকলা পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন তার পথ আটকিয়ে ওই এলাকা দ্রুত ত্যাগ করতে নির্দেশ দেন।

জুবাইদুল আরও জানান, এ কথা শোনার পরপরই তিনি তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে রওনা হওয়ার সময় মেয়র হাফিজুর পেছন থেকে তাকে আঘাত করেন। এ সময় তার সাথে থাকা সাঙ্গপাঙ্গরা তার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে কিল-ঘুষি মেরে মারাত্মকভাবে আহত করে। সেই সাথে তার হাতে থাকা ক্যামেরা ও ট্রাইপড কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে। এবং নানা রকম হুমকি-ধামকি দেয়।

এ ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

বিষয়টি নির্বাচন আচরণবিধি লংঘন কি না খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শানিয়াজ্জামান।

শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমান বলেন, ঘটনাটি খুবই দু:খজনক। এ বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে এ ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আপলোডকারীর তথ্য

জাতীয় গ্রিডে দিনে আরো ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

শেরপুরে সংবাদকর্মীর ওপর মেয়রের হামলা, ক্যামেরা ভাংচুর

আপডেট সময় ০৬:০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১
নকলায় সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের সড়ক অবরোধ। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম: শেরপুরের নকলায় ইউপি নির্বাচনের খবর সংগ্রহ শেষে ফেরার পথে এক সংবাদকর্মীর ওপর পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মেয়রের সহযোগীরা ওই সংবাদকর্মীর সাথে থাকা ক্যামেরা ও ট্রাইপড কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে।

২৮ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার গৌরদ্বার ইউপি’র ৯ নম্বর পাইস্কা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র থেকে ফেরার পথে ওই সংবাদকর্মী হামলার শিকার হন। তার নাম জুবাইদুল ইসলাম। তিনি বেসরকারি টিভি চ্যানেল নিউজ টুয়েন্টিফোর এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার শেরপুর জেলা সংবাদদাতা।

পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে অন্যান্য গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা ঢাকা-নকলা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে প্রায় দেড়ঘন্টা ওই সড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় সড়কের দুই পাশে বিপুল পরিমাণ যানবাহন আটকা পড়ে।

এমন তথ্য পেয়ে নকলার ইউএনও এবং জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে মেয়রকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের শর্তে তুলে নেয়া হয় অবরোধ কর্মসূচী।

ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী জুবাইদুল ইসলাম জানান, তিনি পাইস্কা কেন্দ্রর ভোট গ্রহণের চিত্র ক্যামেরাবন্দী করে ফিরছিলেন। এ সময় নকলা পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন তার পথ আটকিয়ে ওই এলাকা দ্রুত ত্যাগ করতে নির্দেশ দেন।

জুবাইদুল আরও জানান, এ কথা শোনার পরপরই তিনি তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে রওনা হওয়ার সময় মেয়র হাফিজুর পেছন থেকে তাকে আঘাত করেন। এ সময় তার সাথে থাকা সাঙ্গপাঙ্গরা তার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে কিল-ঘুষি মেরে মারাত্মকভাবে আহত করে। সেই সাথে তার হাতে থাকা ক্যামেরা ও ট্রাইপড কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে। এবং নানা রকম হুমকি-ধামকি দেয়।

এ ঘটনার পর থেকে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

বিষয়টি নির্বাচন আচরণবিধি লংঘন কি না খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শানিয়াজ্জামান।

শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমান বলেন, ঘটনাটি খুবই দু:খজনক। এ বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে এ ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।