ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী ঘুষি মেরে অটোচালকের নাক ফাটিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ বিধবা ইয়াসমিনকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদল আইন সহায়তা ফাউন্ডেশনের বগারচর ইউনিয়ন শাখার কমিটি অনুমোদন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার

সরকার সকল শিশুর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশের সকল শিশুর সমঅধিকার নিশ্চিত করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। শিশুর সার্বিক বিকাশ ও অধিকার বাস্তবায়নে এবং শিশুদের প্রতি সহিংস আচরণ ও নির্যাতন বন্ধের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, পরিবার ও সমাজের সকলকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আগামীকাল ৪ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বিশ্ব বর্তমানে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন। শিশুরাও এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ নয়। আওয়ামী লীগ সরকার এই মহামারি মোকাবিলায় সবদিক থেকে তৎপর রয়েছে। আমি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসহ সকল সচেতন নাগরিককে শিশুদের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২১’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শিশুকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এবারের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর জন্য বিনিয়োগ করি, সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

তিনি বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে শিশু অধিকার সনদ প্রণয়ন করে। জাতিসংঘের ১৫ বছর পূর্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে ‘শিশু আইন’ প্রণয়ন করেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের অন্যতম অনুস্বাক্ষরকারী দেশ। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সরকার জাতীয় শিশুনীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে।

শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দিবে। আওয়ামী লীগ সরকার শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। আমরা শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, শিশু আইন-২০১৩, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩ এবং শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র আইন-২০২১ প্রণয়ন করেছি।

তিনি বলেন, পথ শিশু, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশু, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে আমরা আর্থিক সহায়তা প্রদান করছি। আমরা পরিত্যক্ত শিশুদের সেবা ও ভাতা প্রদান, পথ শিশুদের পুনর্বাসনসহ তাদের জীবনমান উন্নত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। শিশুর শিক্ষা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল, শিশুর জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছি। শিশুর পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য প্রায় ১১ লাখ মাকে মাতৃত্বকালীন ও ল্যাকটেটিং মাদার ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বর্তমান সরকার হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য শিশুবিকাশ কেন্দ্র কার্যক্রম প্রসারণ এবং চা-বাগান ও গার্মেন্টস কর্মীদের শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনা করছে।”

তিনি বলেন, “আমি আশা করি, দেশের শিশুদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্ষম হব, ইনশাল্লাহ।”

তিনি ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২১’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সরকার সকল শিশুর সমঅধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অক্টোবর ২০২১
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশের সকল শিশুর সমঅধিকার নিশ্চিত করে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। শিশুর সার্বিক বিকাশ ও অধিকার বাস্তবায়নে এবং শিশুদের প্রতি সহিংস আচরণ ও নির্যাতন বন্ধের ক্ষেত্রে পিতা-মাতা, পরিবার ও সমাজের সকলকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আগামীকাল ৪ অক্টোবর ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বিশ্ব বর্তমানে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন। শিশুরাও এই পরিস্থিতিতে নিরাপদ নয়। আওয়ামী লীগ সরকার এই মহামারি মোকাবিলায় সবদিক থেকে তৎপর রয়েছে। আমি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসহ সকল সচেতন নাগরিককে শিশুদের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২১’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শিশুকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এবারের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর জন্য বিনিয়োগ করি, সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়ি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।”

তিনি বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে শিশু অধিকার সনদ প্রণয়ন করে। জাতিসংঘের ১৫ বছর পূর্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে ‘শিশু আইন’ প্রণয়ন করেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের অন্যতম অনুস্বাক্ষরকারী দেশ। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে সরকার জাতীয় শিশুনীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে।

শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের শিশুরাই আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দিবে। আওয়ামী লীগ সরকার শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। আমরা শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, শিশু আইন-২০১৩, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০১৩ এবং শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র আইন-২০২১ প্রণয়ন করেছি।

তিনি বলেন, পথ শিশু, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শিশু, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া ও প্রতিবন্ধী শিশুদের কল্যাণে আমরা আর্থিক সহায়তা প্রদান করছি। আমরা পরিত্যক্ত শিশুদের সেবা ও ভাতা প্রদান, পথ শিশুদের পুনর্বাসনসহ তাদের জীবনমান উন্নত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। শিশুর শিক্ষা ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল, শিশুর জন্য নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছি। শিশুর পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য প্রায় ১১ লাখ মাকে মাতৃত্বকালীন ও ল্যাকটেটিং মাদার ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বর্তমান সরকার হতদরিদ্র ও ছিন্নমূল শিশুদের জন্য শিশুবিকাশ কেন্দ্র কার্যক্রম প্রসারণ এবং চা-বাগান ও গার্মেন্টস কর্মীদের শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনা করছে।”

তিনি বলেন, “আমি আশা করি, দেশের শিশুদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার মাধ্যমে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্ষম হব, ইনশাল্লাহ।”

তিনি ‘বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২১’- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।