ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

একনেকে অনুমোদন : ৩১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকায় মাদারগঞ্জে হবে সোলার পার্ক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,
বাংলারচিঠিডটকম

একনেকের সভায় ‘সোলারপার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর’ নামে ৩১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ আগস্ট ঢাকায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। গণভবন থেকে ভারচুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সভা পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের সবচেয়ে বড় এই সোলার পার্কটি স্থাপিত হবে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার যমুনা নদীতীরবর্তী কাজিয়ারচর এলাকায়। এই প্রকল্পের নামে প্রায় সাড়ে ৩০০ একর জমির দলিলও হস্তান্তর করা হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার কাছে। এই সোলার পার্কে স্থাপন করা হবে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এই প্রকল্পের রূপকার হলেন জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ‘শেখ হাসিনা সোলার পার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর’-এই নামে প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশন হয়ে যায় একনেক সভায়। সভার সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পের নামের আগে তার নিজের নাম বাদ দিয়ে ‘সোলার পার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর’ নামে প্রকল্পটির অনুমোদন দেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের জানান, এই প্রকল্পটি নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ভারত সরকারের ঋণের টাকায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস সময়ে মধ্যে বাস্তবায়ন করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল)। তিনি আরও জানান, একনেকে এই প্রকল্পসহ সাত হাজার ৯৮৫ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের একটি সূত্র জানায়, এই সোলার পার্কটি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়ায় স্থাপনের প্রস্তাব করা হলেও ফিজিবিলিটি স্ট্যাডিতে তা নাকচ হয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রকল্পটি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের নজরে এলে তার নির্বাচনী এলাকা মাদারগঞ্জের কাজিয়ারচরে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রকল্পটি মাদারগঞ্জে স্থাপনের বিষয়ে চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে মাদারগঞ্জে কাজিয়ারচরে এই প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডিতে প্রকল্পটি মাদারগঞ্জেই হওয়ার আশা জাগে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নাম বাদ দিয়ে হলেও সোলার পার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর নামেই প্রকল্পটির অনুমোদন দিলেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জামালপুর জেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় যুক্ত হলো দেশের বৃহত্তম এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি। দেশের বৃহত্তম এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের নাম থেকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তার নাম বাদ দেওয়ায় মাদারগঞ্জের এই প্রকল্প এলাকার অনেকেই অখুশি হয়েছেন। তারা প্রকল্পটির নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামেই করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নিজে তার নাম বাদ দিলেও প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়ায় মাদারগঞ্জের অধিকাংশ মানুষ খুশি হয়েছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

একনেকে অনুমোদন : ৩১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকায় মাদারগঞ্জে হবে সোলার পার্ক

আপডেট সময় ০৯:৩২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,
বাংলারচিঠিডটকম

একনেকের সভায় ‘সোলারপার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর’ নামে ৩১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন একনেক সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ আগস্ট ঢাকায় এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। গণভবন থেকে ভারচুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সভা পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের সবচেয়ে বড় এই সোলার পার্কটি স্থাপিত হবে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার যমুনা নদীতীরবর্তী কাজিয়ারচর এলাকায়। এই প্রকল্পের নামে প্রায় সাড়ে ৩০০ একর জমির দলিলও হস্তান্তর করা হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার কাছে। এই সোলার পার্কে স্থাপন করা হবে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এই প্রকল্পের রূপকার হলেন জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ‘শেখ হাসিনা সোলার পার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর’-এই নামে প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশন হয়ে যায় একনেক সভায়। সভার সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পের নামের আগে তার নিজের নাম বাদ দিয়ে ‘সোলার পার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর’ নামে প্রকল্পটির অনুমোদন দেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের জানান, এই প্রকল্পটি নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ভারত সরকারের ঋণের টাকায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাস সময়ে মধ্যে বাস্তবায়ন করবে রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল)। তিনি আরও জানান, একনেকে এই প্রকল্পসহ সাত হাজার ৯৮৫ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের একটি সূত্র জানায়, এই সোলার পার্কটি বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়ায় স্থাপনের প্রস্তাব করা হলেও ফিজিবিলিটি স্ট্যাডিতে তা নাকচ হয়ে যায়। পরবর্তীতে প্রকল্পটি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের নজরে এলে তার নির্বাচনী এলাকা মাদারগঞ্জের কাজিয়ারচরে এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রকল্পটি মাদারগঞ্জে স্থাপনের বিষয়ে চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে মাদারগঞ্জে কাজিয়ারচরে এই প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডিতে প্রকল্পটি মাদারগঞ্জেই হওয়ার আশা জাগে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার নাম বাদ দিয়ে হলেও সোলার পার্ক, মাদারগঞ্জ, জামালপুর নামেই প্রকল্পটির অনুমোদন দিলেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জামালপুর জেলায় অভূতপূর্ব উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় যুক্ত হলো দেশের বৃহত্তম এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি। দেশের বৃহত্তম এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের নাম থেকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই তার নাম বাদ দেওয়ায় মাদারগঞ্জের এই প্রকল্প এলাকার অনেকেই অখুশি হয়েছেন। তারা প্রকল্পটির নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামেই করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নিজে তার নাম বাদ দিলেও প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়ায় মাদারগঞ্জের অধিকাংশ মানুষ খুশি হয়েছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন।