ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন

গৃহবধূ হত্যা মামলার রায়ে দুই ভাসুরসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জের গৃহবধূ শাহিদা আক্তার হত্যা মামলার রায়ে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন- ওই গৃহবধূর দুই ভাসুর রবিউল কাশেম ও আমিনুর এবং রবিউল কাশেমের ছেলে নিক্সন। তাদের মধ্যে নিক্সন পলাতক রয়েছেন। ২৮ জুন দুপুরে জামালপুরের সিনিয়র দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তাঁর আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ভেলামারী গ্রামের মজিবর রহমান তার মেয়ে শাহিদা আক্তারকে একই গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে শাহীন মিয়ার সাথে বিয়ে দেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পাঁচ বছর পর দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে রেখে শাহিন মিয়া সৌদী আরবে চাকরি করতে চলে যান। সৌদী আরব থেকে সংসারের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে স্বামীর পাঠানো টাকা নিয়ে শাহিদার ভাসুর রবিউল কাশেম ও আমিনুর এবং রবিউল কাশেমের ছেলে নিক্সন বিভিন্ন সময়ে শাহিদাকে নির্যাতন করতেন।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের ধারাবাহিক নির্যাতনের জের ধরে ২০১০ সালের ২০ জানুয়ারি সকালে শ্বশুরবাড়িতে নিহত হন শাহিদা আক্তার। এ ঘটনায় নিহত শাহিদার বাবা মজিবর রহমান বাদী হয়ে শাহিদার দুই ভাসুর ও এক ভাসুরের ছেলেকে আসামি করে মাদারগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বিদেশ থেকে স্বামীর পাঠানো টাকাকে কেন্দ্র করেই মারপিট এবং শ্বাসরোধ করে শাহিদাকে হত্যার প্রমাণ মিলে।

মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২৮ জুন আদালত উপরোক্ত রায় দেন। মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও মো. আনোয়ারুল করিম শাহজাহান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

গৃহবধূ হত্যা মামলার রায়ে দুই ভাসুরসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ জুন ২০২১

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জের গৃহবধূ শাহিদা আক্তার হত্যা মামলার রায়ে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত। সাজা পাওয়া আসামিরা হলেন- ওই গৃহবধূর দুই ভাসুর রবিউল কাশেম ও আমিনুর এবং রবিউল কাশেমের ছেলে নিক্সন। তাদের মধ্যে নিক্সন পলাতক রয়েছেন। ২৮ জুন দুপুরে জামালপুরের সিনিয়র দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান তাঁর আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ভেলামারী গ্রামের মজিবর রহমান তার মেয়ে শাহিদা আক্তারকে একই গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে শাহীন মিয়ার সাথে বিয়ে দেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পাঁচ বছর পর দুই সন্তানসহ স্ত্রীকে নিজ বাড়িতে রেখে শাহিন মিয়া সৌদী আরবে চাকরি করতে চলে যান। সৌদী আরব থেকে সংসারের প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে স্বামীর পাঠানো টাকা নিয়ে শাহিদার ভাসুর রবিউল কাশেম ও আমিনুর এবং রবিউল কাশেমের ছেলে নিক্সন বিভিন্ন সময়ে শাহিদাকে নির্যাতন করতেন।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের ধারাবাহিক নির্যাতনের জের ধরে ২০১০ সালের ২০ জানুয়ারি সকালে শ্বশুরবাড়িতে নিহত হন শাহিদা আক্তার। এ ঘটনায় নিহত শাহিদার বাবা মজিবর রহমান বাদী হয়ে শাহিদার দুই ভাসুর ও এক ভাসুরের ছেলেকে আসামি করে মাদারগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বিদেশ থেকে স্বামীর পাঠানো টাকাকে কেন্দ্র করেই মারপিট এবং শ্বাসরোধ করে শাহিদাকে হত্যার প্রমাণ মিলে।

মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২৮ জুন আদালত উপরোক্ত রায় দেন। মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি নির্মল কান্তি ভদ্র এবং আসামি পক্ষ সমর্থন করেন আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ ও মো. আনোয়ারুল করিম শাহজাহান।