ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি শিশু বক্করের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী ডিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে কষ্টি পাথরসদৃশ বস্তু জব্দ, আটক ১১ যমুনায় ফের ইউরিয়া উৎপাদন শুরু জামালপুরে শরৎকালীন টেনিস টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত এপেক সম্মেলনের আগে কিমের দরজায় কড়া নাড়ছেন ট্রাম্প বন্যার পানিতে ডুবতে থাকা গাড়ি থেকে চালককে উদ্ধার করলেন অস্ট্রেলীয় টিভি সাংবাদিক কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ডে ৪ সেনা নিহত, আহত ৩৯ এআইয়ের মাধ্যমে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত, বিশ্বজুড়ে বন্ধ বহু ওয়েবসাইট সাইবার সিকিউরিটিসহ অন্যান্য আইন সংশোধনের কাজ চলছে : তথ্যমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে ইউএনওর প্রেসব্রিফিং

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেসব্রিফিং করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেসব্রিফিং করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে সরকারি খাস জমিতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত সরকারি ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেসবিফিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা।

১৮ জুন বেলা ১১টায় নিজ কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিং করে ঘরগুলোর কাজের অগ্রগতি, গুণমান ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা।

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাসসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা প্রেসব্রিফিংয়ে জানান, আগামী ২০ জুন সারাদেশের ন্যায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতে ৫০টি পরিবারের জন্য নির্মিত সরকারি ঘর উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের মাঝে ঘর ও জমির দলিল পত্রাদি হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, ‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ স্লোগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন অর্থাৎ যাদের জমিও নেই ঘরও নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০টি পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।

২ শতাংশ খাস জমিতে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট আধাপাকা ঘরের সাথে বারান্দা, রান্না ঘর ও সংযুক্ত টয়লেটসহ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ঘরের উচ্চতা প্রথম পযায়ের ঘরের চেয়ে এক ফুট বাড়ানো হয়েছে। ৩টি দরজার পরিবর্তে নতুন ডিজাইনে ৪টি করে দরজা দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষ এবার ঘরের সুবিধা পাচ্ছেন। এর মধ্যে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি রবিদাস সম্প্রদায়, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা নারী, বৃদ্ধাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি

বকশীগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে ইউএনওর প্রেসব্রিফিং

আপডেট সময় ০৬:২০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১
আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেসব্রিফিং করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে সরকারি খাস জমিতে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য নির্মিত সরকারি ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রেসবিফিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা।

১৮ জুন বেলা ১১টায় নিজ কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিং করে ঘরগুলোর কাজের অগ্রগতি, গুণমান ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা।

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাসসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা প্রেসব্রিফিংয়ে জানান, আগামী ২০ জুন সারাদেশের ন্যায় বকশীগঞ্জ উপজেলাতে ৫০টি পরিবারের জন্য নির্মিত সরকারি ঘর উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে উপকারভোগীদের মাঝে ঘর ও জমির দলিল পত্রাদি হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, ‘আশ্রয়ণের অধিকার, শেখ হাসিনার উপহার’ স্লোগান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ‘ক’ শ্রেণির ভূমিহীন অর্থাৎ যাদের জমিও নেই ঘরও নেই তাদের পুনর্বাসনের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০টি পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে।

২ শতাংশ খাস জমিতে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে দুই কক্ষবিশিষ্ট আধাপাকা ঘরের সাথে বারান্দা, রান্না ঘর ও সংযুক্ত টয়লেটসহ নির্মাণ করা হয়েছে। তবে ঘরের উচ্চতা প্রথম পযায়ের ঘরের চেয়ে এক ফুট বাড়ানো হয়েছে। ৩টি দরজার পরিবর্তে নতুন ডিজাইনে ৪টি করে দরজা দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষ এবার ঘরের সুবিধা পাচ্ছেন। এর মধ্যে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি রবিদাস সম্প্রদায়, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা নারী, বৃদ্ধাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।