ঢাকা ১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য পক্ষ : জামালপুরে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : সরিষাবাড়ীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও প্রেরণা বিএনপিকে পথ দেখায়: মির্জা ফখরুল শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিন : জামালপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে ইসলামপুরে বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভারতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ভারতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ১৬ জানুয়ারি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

উদ্বোধনের আগে দেওয়া ভাষণে মোদী জনগণকে স্মরণ করিয়ে দেন টিকার দুটি ডোজই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকাদান কর্মসূচি শুরুর মানে এই নয় যে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বন্ধ করে দিবো। আমাদের নিয়মিত মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি শারীরিক দুরত্বও বজায় রেখে চলতে হবে।’

ভাষণকালে তিনি রুদ্ধ কন্ঠে ভাইরাস সংক্রমণে প্রাণ হারানো শত শত স্বাস্থ্যকর্র্মী ও সম্মুখ সারির কর্মীদের স্মরণ করেন।

এছাড়া টিকাদানকালে ধৈর্য ধরতে তিনি দেশবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান।

মোদী অতি অল্প সময়ের মধ্যে টিকা আবিষ্কার করার জন্য গবেষকদের এবং করোনা মহামারি মোকাবেলায় অবদানের জন্য দেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘অতি অল্প সময়ের মধ্যে আমরা দু’টি টিকা তৈরি করেছি। এটাই আমাদের গবেষকদলের সক্ষমতা প্রমাণ করে।’

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি সিরাম ইনষ্টিটিউটের তৈরী ‘কোভিশিল্ড’ এবং ভারত বায়োটেকের তৈরী ‘কোভ্যাক্সিন’ নামের দু’টি টিকা ব্যবহারে জরুরি অনুমোদন দেয় দেশটির অষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারতের এ টিকাদান কমূসূচি বিশ্বের মধ্যে বৃহৎ। টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে ৩,০০৬ টি টিকাদান কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব কেন্দ্রে টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

ঝুঁকি বিবেচনায় প্রথম দফায় টিকা পেতে যাচ্ছে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ের তিন লাখ স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের টিকা দেয়ার খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিকে, সরকারের টিকাদান কর্মসূচির নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচের কোনো শিশু এবং গর্ভবতী নারীরা এই কার্যক্রমের আওতায় পড়বে না।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভারতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ভারতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ১৬ জানুয়ারি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

উদ্বোধনের আগে দেওয়া ভাষণে মোদী জনগণকে স্মরণ করিয়ে দেন টিকার দুটি ডোজই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকাদান কর্মসূচি শুরুর মানে এই নয় যে আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বন্ধ করে দিবো। আমাদের নিয়মিত মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি শারীরিক দুরত্বও বজায় রেখে চলতে হবে।’

ভাষণকালে তিনি রুদ্ধ কন্ঠে ভাইরাস সংক্রমণে প্রাণ হারানো শত শত স্বাস্থ্যকর্র্মী ও সম্মুখ সারির কর্মীদের স্মরণ করেন।

এছাড়া টিকাদানকালে ধৈর্য ধরতে তিনি দেশবাসীর প্রতিও আহ্বান জানান।

মোদী অতি অল্প সময়ের মধ্যে টিকা আবিষ্কার করার জন্য গবেষকদের এবং করোনা মহামারি মোকাবেলায় অবদানের জন্য দেশের সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, ‘অতি অল্প সময়ের মধ্যে আমরা দু’টি টিকা তৈরি করেছি। এটাই আমাদের গবেষকদলের সক্ষমতা প্রমাণ করে।’

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি সিরাম ইনষ্টিটিউটের তৈরী ‘কোভিশিল্ড’ এবং ভারত বায়োটেকের তৈরী ‘কোভ্যাক্সিন’ নামের দু’টি টিকা ব্যবহারে জরুরি অনুমোদন দেয় দেশটির অষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ভারতের এ টিকাদান কমূসূচি বিশ্বের মধ্যে বৃহৎ। টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে ৩,০০৬ টি টিকাদান কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব কেন্দ্রে টিকা সরবরাহ করা হয়েছে।

ঝুঁকি বিবেচনায় প্রথম দফায় টিকা পেতে যাচ্ছে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ের তিন লাখ স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের টিকা দেয়ার খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিকে, সরকারের টিকাদান কর্মসূচির নীতিমালা অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচের কোনো শিশু এবং গর্ভবতী নারীরা এই কার্যক্রমের আওতায় পড়বে না।