ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

কবর থেকে তোলা হলো কণার মরদেহ

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সৎমা গলাটিপে হত্যার চারদিন পর কণা আক্তার নামে চার বছরের এক শিশুর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ১৪ জুন দুপুর উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের মাজালিয়া ভুইয়াপাড়া গ্রামে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা নির্বাহী হাকিম এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদের উপস্থিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার মাজালিয়া ভুইয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল কালামের মেয়ে কণা আক্তার। আবুল কালামের প্রথম স্ত্রীর দুই বছর আগে মেয়ে কণা আক্তারকে রেখে মা মারা যান। পরে আব্দুল কালাম দ্বিতীয় বিয়ে করেন রিনা আক্তারকে। শিশুটির জন্য রিনা আক্তারকে বিয়ে করলেও নিজ গর্ভে সন্তান নিতে না দেওয়ায় স্বামী আবুল কালামের উপর রাগে ক্ষোভে ১০ জুন রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করে বাড়ির পাশে ডোবায় ফেলে দেন সৎমা রিনা আক্তার। পরে শিশুটি পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে দাফন করা হয়।

এনিয়ে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশের হেল্প লাইন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে রিনা বেগমকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেই রিনা বেগম শিশুটিকে গলাটিপে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে। পরে শিশুটির বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে স্ত্রী রিনা বেগমকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। ১৩ জুন রিনা বেগম আদালতে ফৌজদায়ি কার্যবিধি ১৬৪ দ্বারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে আদালত ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দেয়। পরে জেলা নির্বাহী হাকিম ও সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ১৪ জুন বিকালে লাশ জেলা মর্গে পাঠান।

সরিষাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান, আদালত শিশু কণা আক্তারের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা নির্বাহী হাকিম এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদের উপস্থিতে লাশ উত্তোলন করা হয়। ময়না তদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

কবর থেকে তোলা হলো কণার মরদেহ

আপডেট সময় ১১:০৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২০

সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সৎমা গলাটিপে হত্যার চারদিন পর কণা আক্তার নামে চার বছরের এক শিশুর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ১৪ জুন দুপুর উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের মাজালিয়া ভুইয়াপাড়া গ্রামে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা নির্বাহী হাকিম এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদের উপস্থিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার মাজালিয়া ভুইয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল কালামের মেয়ে কণা আক্তার। আবুল কালামের প্রথম স্ত্রীর দুই বছর আগে মেয়ে কণা আক্তারকে রেখে মা মারা যান। পরে আব্দুল কালাম দ্বিতীয় বিয়ে করেন রিনা আক্তারকে। শিশুটির জন্য রিনা আক্তারকে বিয়ে করলেও নিজ গর্ভে সন্তান নিতে না দেওয়ায় স্বামী আবুল কালামের উপর রাগে ক্ষোভে ১০ জুন রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করে বাড়ির পাশে ডোবায় ফেলে দেন সৎমা রিনা আক্তার। পরে শিশুটি পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে দাফন করা হয়।

এনিয়ে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে পুলিশের হেল্প লাইন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে পুলিশ গিয়ে রিনা বেগমকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজেই রিনা বেগম শিশুটিকে গলাটিপে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে। পরে শিশুটির বাবা আবুল কালাম বাদী হয়ে স্ত্রী রিনা বেগমকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করলে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়। ১৩ জুন রিনা বেগম আদালতে ফৌজদায়ি কার্যবিধি ১৬৪ দ্বারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে আদালত ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ দেয়। পরে জেলা নির্বাহী হাকিম ও সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ১৪ জুন বিকালে লাশ জেলা মর্গে পাঠান।

সরিষাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান, আদালত শিশু কণা আক্তারের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা নির্বাহী হাকিম এম আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ আহমেদের উপস্থিতে লাশ উত্তোলন করা হয়। ময়না তদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।