ঢাকা ০১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ দেশের জন্য গর্বের বিষয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী শসা চাষে বদলাচ্ছে মাদারগঞ্জের কৃষকের ভাগ্য সোনার মানুষ সেবা সম্মাননা পেলেন জনশক্তির সহকারী পরিচালক ইকরামুন নাহার অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : বকশীগঞ্জে ড্রেজার, ডিজেল ইঞ্জিন জব্দ ডিবির অভিযানে ডলার প্রতারক চক্রের সদস্য আটক বকশীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৫০ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ মাদারগঞ্জে জীবন্ত পাখি খাদক সাদুল্লাহ গ্রেপ্তার ডেঙ্গু নিয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ই-নথির দাপ্তরিক কাজে জামালপুর জেলার নাম প্রথম স্থানে

জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক

জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

ই-নথিতে বা অনলাইনে দাপ্তরিক কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করে ভোগান্তি কমিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের সেবা পৌঁছে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জামালপুর। গত এপ্রিল মাসের ই-নথির দাপ্তরিক কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১০ জুন জামালপুর জেলাকে বি-ক্যাটাগরির ২৭টি জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।

সূত্র জানায়, জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক এই জেলায় দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ২০১৯ সালের ২৬ আগস্ট। তখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে ই-নথি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিকদের সেবাদান ও দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনায় জামালপুর জেলা ছিল ২৭টি জেলার মধ্যে ২৬তম অবস্থানে।

জেলা প্রশাসকের গতিশীল নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী বিভিন্ন কলাকৌশলসহ ডিজিটাল নথির মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনায় ই-নথি কার্যক্রমে সফলতা পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত এপ্রিল মাসের ই-নথির দাপ্তরিক কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১০ জুন জামালপুর জেলাকে বি-ক্যাটাগরির ২৭টি জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। ই-নথি কার্যক্রমে জামালপুর জেলা প্রথম স্থান অধিকার করায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক তার কার্যালয়ের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক এ প্রসঙ্গে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘সরকারের জনবান্ধবনীতি বাস্তবায়নে, জনগণের ভোগান্তি কমাতে ও সহজ করতেই আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ই-নথি তথা অনলাইনে দাপ্তরিক কাজে একদিকে মানুষ যেমন খুব দ্রুত সেবা পাচ্ছে। অন্যদিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হচ্ছে।’

এই সফলতা ধরে রাখতে এই কার্যালয়ের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ দিয়ে তিনি আরও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দু’দিন ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ই-নথির দাপ্তরিক কাজে জামালপুর জেলার নাম প্রথম স্থানে

আপডেট সময় ০৮:৩২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০
জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

ই-নথিতে বা অনলাইনে দাপ্তরিক কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করে ভোগান্তি কমিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের সেবা পৌঁছে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জামালপুর। গত এপ্রিল মাসের ই-নথির দাপ্তরিক কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১০ জুন জামালপুর জেলাকে বি-ক্যাটাগরির ২৭টি জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।

সূত্র জানায়, জামালপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক এই জেলায় দায়িত্বভার গ্রহণ করেন ২০১৯ সালের ২৬ আগস্ট। তখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে ই-নথি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিকদের সেবাদান ও দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনায় জামালপুর জেলা ছিল ২৭টি জেলার মধ্যে ২৬তম অবস্থানে।

জেলা প্রশাসকের গতিশীল নেতৃত্ব, উদ্ভাবনী বিভিন্ন কলাকৌশলসহ ডিজিটাল নথির মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনায় ই-নথি কার্যক্রমে সফলতা পাওয়া গেছে। সর্বশেষ গত এপ্রিল মাসের ই-নথির দাপ্তরিক কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১০ জুন জামালপুর জেলাকে বি-ক্যাটাগরির ২৭টি জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। ই-নথি কার্যক্রমে জামালপুর জেলা প্রথম স্থান অধিকার করায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক তার কার্যালয়ের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক এ প্রসঙ্গে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘সরকারের জনবান্ধবনীতি বাস্তবায়নে, জনগণের ভোগান্তি কমাতে ও সহজ করতেই আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরই অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ই-নথি তথা অনলাইনে দাপ্তরিক কাজে একদিকে মানুষ যেমন খুব দ্রুত সেবা পাচ্ছে। অন্যদিকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হচ্ছে।’

এই সফলতা ধরে রাখতে এই কার্যালয়ের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ দিয়ে তিনি আরও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার জন্য তাদের প্রতি অনুরোধ জানান।