ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী ঘুষি মেরে অটোচালকের নাক ফাটিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ বিধবা ইয়াসমিনকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদল আইন সহায়তা ফাউন্ডেশনের বগারচর ইউনিয়ন শাখার কমিটি অনুমোদন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রাস্তায় রিকশাচালক

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন রুপচাঁন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন রুপচাঁন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

নভেল করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই শেরপুরের নকলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রিকশা, ভ্যান, সিএনজি চালিত অটো রিকশা চলছে অবাধে। সরেজমিনে ৩১ মার্চ দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা গেলে চোখে পড়ে এক ভিন্ন চিত্র। পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট সংক্ষেপে যা পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন একজনচালক। জানা গেল তার নাম রুপচাঁন মিয়া। তিনি নকলা পৌরসভার মমিনাকান্দা গ্রামের শমসের আলী ছেলে।

কথা প্রসঙ্গে রুপচাঁন মিয়া বলেন, ঘরে খাবার নাই। তাই পরিবারের ভরণ পোষণের তাগিদে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে গত কয়েকদিন যাবৎ রিকশা চালাচ্ছি। কিছু টাকা উপার্জনের চেষ্টা করছি।

একজন রিকশাচালক হয়ে কোথা থেকে এসব সামগ্রী পেলেন এর উত্তরে রুপচাঁন বলেন, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতাম। সেখান থেকে এ সরঞ্জামগুলো সংগ্রহ করেছি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রাস্তায় রিকশাচালক

আপডেট সময় ০৪:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০
পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন রুপচাঁন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

নভেল করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই শেরপুরের নকলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রিকশা, ভ্যান, সিএনজি চালিত অটো রিকশা চলছে অবাধে। সরেজমিনে ৩১ মার্চ দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা গেলে চোখে পড়ে এক ভিন্ন চিত্র। পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট সংক্ষেপে যা পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন একজনচালক। জানা গেল তার নাম রুপচাঁন মিয়া। তিনি নকলা পৌরসভার মমিনাকান্দা গ্রামের শমসের আলী ছেলে।

কথা প্রসঙ্গে রুপচাঁন মিয়া বলেন, ঘরে খাবার নাই। তাই পরিবারের ভরণ পোষণের তাগিদে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে গত কয়েকদিন যাবৎ রিকশা চালাচ্ছি। কিছু টাকা উপার্জনের চেষ্টা করছি।

একজন রিকশাচালক হয়ে কোথা থেকে এসব সামগ্রী পেলেন এর উত্তরে রুপচাঁন বলেন, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতাম। সেখান থেকে এ সরঞ্জামগুলো সংগ্রহ করেছি।