ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রাস্তায় রিকশাচালক

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন রুপচাঁন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন রুপচাঁন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

নভেল করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই শেরপুরের নকলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রিকশা, ভ্যান, সিএনজি চালিত অটো রিকশা চলছে অবাধে। সরেজমিনে ৩১ মার্চ দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা গেলে চোখে পড়ে এক ভিন্ন চিত্র। পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট সংক্ষেপে যা পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন একজনচালক। জানা গেল তার নাম রুপচাঁন মিয়া। তিনি নকলা পৌরসভার মমিনাকান্দা গ্রামের শমসের আলী ছেলে।

কথা প্রসঙ্গে রুপচাঁন মিয়া বলেন, ঘরে খাবার নাই। তাই পরিবারের ভরণ পোষণের তাগিদে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে গত কয়েকদিন যাবৎ রিকশা চালাচ্ছি। কিছু টাকা উপার্জনের চেষ্টা করছি।

একজন রিকশাচালক হয়ে কোথা থেকে এসব সামগ্রী পেলেন এর উত্তরে রুপচাঁন বলেন, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতাম। সেখান থেকে এ সরঞ্জামগুলো সংগ্রহ করেছি।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রাস্তায় রিকশাচালক

আপডেট সময় ০৪:০৭:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০
পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন রুপচাঁন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

নভেল করোনাভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই শেরপুরের নকলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে রিকশা, ভ্যান, সিএনজি চালিত অটো রিকশা চলছে অবাধে। সরেজমিনে ৩১ মার্চ দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা গেলে চোখে পড়ে এক ভিন্ন চিত্র। পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট সংক্ষেপে যা পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে রিকশা চালাচ্ছেন একজনচালক। জানা গেল তার নাম রুপচাঁন মিয়া। তিনি নকলা পৌরসভার মমিনাকান্দা গ্রামের শমসের আলী ছেলে।

কথা প্রসঙ্গে রুপচাঁন মিয়া বলেন, ঘরে খাবার নাই। তাই পরিবারের ভরণ পোষণের তাগিদে পিপিই, মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও হ্যালমেট পড়ে গত কয়েকদিন যাবৎ রিকশা চালাচ্ছি। কিছু টাকা উপার্জনের চেষ্টা করছি।

একজন রিকশাচালক হয়ে কোথা থেকে এসব সামগ্রী পেলেন এর উত্তরে রুপচাঁন বলেন, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতাম। সেখান থেকে এ সরঞ্জামগুলো সংগ্রহ করেছি।