ঢাকা ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল শিশুদের স্কুলমুখী করতে মিড ডে মিল চালু করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত নকলায় আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বপ্ননীড় একাদশ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনা ভাইরাসের কারণে দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আতঙ্কিত নয়, সতর্ক থাকুন। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ভয়ের কোনও কারণ নাই। আশা করি, করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে আসবে না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৮ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দুই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা দুই ধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছি। একটি হচ্ছে- ভাইরাসটি যাতে কোনোভাবেই দেশের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে এবং এই ভাইরাস বহনকারী কেউ যদি দেশে প্রবেশ করেই ফেলে, সেক্ষেত্রে সংক্রমন ঠেকাতে কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পৃথক ওয়ার্ড খুলেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর, নৌবন্দরে মনিটরিং করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্ক্যানার বসানো হয়েছে। এছাড়াও, আমরা হ্যান্ড স্ক্যানার সরবরাহ করেছি। বিমানবন্দরে বেশি নজর রাখা হচ্ছে। চীন থেকে যারা আসছেন, তাদের নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। ১৪ দিন পর্যন্ত এই পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে। কারণ, ভাইরাসটি আক্রমণ করলে উপসর্গ দেখা দেয় ১৪ দিন পর।

তিনি বলেন, কুর্মিটোলায় ২০০ চিকিৎসক রয়েছেন। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ডাব্লিউএইচও-এর গাইড লাইন অনুসারে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। দেশের সব হাসপাতালে এই গাইড লাইন পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

এই সময়ে বাংলাদেশীদের চীন ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে জাহিদ মালেক বলেন, চীনের উহানে বাংলাদেশের তিনশ’ শিক্ষার্থী রয়েছে। সেখানে কেউ এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- তারা যদি আসতে চায়, তাদের যেনো দেশে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চীন সরকার কাউকে এই সময়ে দেশত্যাগের অনুমতি দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, ১৪ দিন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা কাউকেই দেশত্যাগের অনুমতি দেবে না। এই ১৪ দিনের বাধ্যবাধকতা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। এই মুহূর্তে চীনে যাতায়াত না করার পরামর্শ দিচ্ছি। তবে কোনও ‘ট্রাভেল ব্যান’ নাই। ডাব্লিউএইচও কোনও নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।

বাংলাদেশে কর্মরত চীনা নাগরিকদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনেক চীনা নাগরিক কাজ করেন। তারা যেখানে থাকেন, সেখানে নজরদারি করা হচ্ছে। তবে বেশি নজরদারি রাখছি বিমানবন্দরে। এই সময় যারা চীন থেকে বাংলাদেশে আসছেন, তাদেরও ১৪ দিন মনিটরিং করবো।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আ খ ম মুহিউল ইসলামসহ স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, পররাষ্ট্র, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনা ভাইরাসের কারণে দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আতঙ্কিত নয়, সতর্ক থাকুন। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। ভয়ের কোনও কারণ নাই। আশা করি, করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে আসবে না।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ২৮ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দুই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা দুই ধরনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়েছি। একটি হচ্ছে- ভাইরাসটি যাতে কোনোভাবেই দেশের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে এবং এই ভাইরাস বহনকারী কেউ যদি দেশে প্রবেশ করেই ফেলে, সেক্ষেত্রে সংক্রমন ঠেকাতে কুর্মিটোলা হাসপাতাল এবং সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পৃথক ওয়ার্ড খুলেছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সকল সমুদ্রবন্দর, স্থলবন্দর, নৌবন্দরে মনিটরিং করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে স্ক্যানার বসানো হয়েছে। এছাড়াও, আমরা হ্যান্ড স্ক্যানার সরবরাহ করেছি। বিমানবন্দরে বেশি নজর রাখা হচ্ছে। চীন থেকে যারা আসছেন, তাদের নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। ১৪ দিন পর্যন্ত এই পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে। কারণ, ভাইরাসটি আক্রমণ করলে উপসর্গ দেখা দেয় ১৪ দিন পর।

তিনি বলেন, কুর্মিটোলায় ২০০ চিকিৎসক রয়েছেন। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ডাব্লিউএইচও-এর গাইড লাইন অনুসারে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। দেশের সব হাসপাতালে এই গাইড লাইন পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

এই সময়ে বাংলাদেশীদের চীন ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করে জাহিদ মালেক বলেন, চীনের উহানে বাংলাদেশের তিনশ’ শিক্ষার্থী রয়েছে। সেখানে কেউ এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- তারা যদি আসতে চায়, তাদের যেনো দেশে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চীন সরকার কাউকে এই সময়ে দেশত্যাগের অনুমতি দিচ্ছে না।

তিনি বলেন, ১৪ দিন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা কাউকেই দেশত্যাগের অনুমতি দেবে না। এই ১৪ দিনের বাধ্যবাধকতা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। এই মুহূর্তে চীনে যাতায়াত না করার পরামর্শ দিচ্ছি। তবে কোনও ‘ট্রাভেল ব্যান’ নাই। ডাব্লিউএইচও কোনও নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।

বাংলাদেশে কর্মরত চীনা নাগরিকদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনেক চীনা নাগরিক কাজ করেন। তারা যেখানে থাকেন, সেখানে নজরদারি করা হচ্ছে। তবে বেশি নজরদারি রাখছি বিমানবন্দরে। এই সময় যারা চীন থেকে বাংলাদেশে আসছেন, তাদেরও ১৪ দিন মনিটরিং করবো।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আ খ ম মুহিউল ইসলামসহ স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, পররাষ্ট্র, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।