ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না সন্তানের প্রথম আশ্রয় মা, শিক্ষক, আজীবনের পথপ্রদর্শক : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের আস্থা অর্জন করতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান পুলিশের যৌক্তিক দাবিসমূহ পূরণ করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াকিমুলের তৈরি স্মার্ট কারে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো পুনরায় চালু করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মেলান্দহে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সভাপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন মাদারগঞ্জ-সারিয়াকান্দি নৌরুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী গ্রেপ্তার

সরিষাবাড়ীতে প্রচণ্ড শীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ! স্যালাইন সংকট

সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তার স্বজনরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তার স্বজনরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় প্রচণ্ড শীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত দু’দিনে শিশু, নারী-পুরুষসহ ৩২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তীব্র শীত ও শৈত্য প্রবাহে ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও পানিবাহিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে।

এ নিয়ে জানুয়ারি মাসের শৈত্য প্রবাহে ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৪৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এতে অতিরিক্ত ডায়রিয়ার রোগী ভর্তি হওয়ায় কলেরা স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যান্য রোগীদের বিছানা না থাকায় প্রচণ্ড শীতের মধ্যে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

জানা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল। ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৪ লাখ মানুষের বসবাস। এ ছাড়াও পার্শ্ববতী সিরাজগঞ্জ, মাদারগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার রোগীরা এ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

২৩ জানুয়ারি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা হলো- ডোয়াইলের বালিয়া গ্রামের ৮ মাসের শিশু রাকিবুল ইসলাম, ভাটারা ইউনিয়নের ফুলদহ গ্রামের রদিমনি (৩), রাফি ৭ মাস ও পৌর শহরের শাহনাজ বেগম (৪৫), মহাদানের মাফিয়া খাতুন (১), বাউসী মধ্যপাড়া গ্রামের ১০ মাসের শিশু ফাতিহা খাতুন, সৈয়দপুর গ্রামের শাকিম মিয়া (৩), কামরাবাদের ৮ মাসের শিশু তামিম ও তারাকান্দি গ্রামের ১০ মাসের শিশু সিয়াম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। স্থানীয়রা চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।

চিকিৎসা নিতে আসা শাকিমের মা, সিয়ামের নানীসহ আরো অনেকেই জানান, দু’দিন ধরে রোগী হাসপাতালে এনেছি খাওয়ার স্যালাইন ছাড়া আর কোন ওষুধ দেয়নি এখান থেকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সাহেদুর রহমান জানান, শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডায়রিয়ায় ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়েই চলছে। তিনি আরও জানান, একজন শিশুর ডায়রিয়ায় ও নিউমোনিয়া এক সাথে হলে চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কলেরা স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ থাকায় ডায়রিয়া রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটো ফিচার : সন্তান কখনো বাবার কাছে বোঝা হয় না

সরিষাবাড়ীতে প্রচণ্ড শীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ! স্যালাইন সংকট

আপডেট সময় ০৭:০৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২০
সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তার স্বজনরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় প্রচণ্ড শীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সরিষাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত দু’দিনে শিশু, নারী-পুরুষসহ ৩২ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। তীব্র শীত ও শৈত্য প্রবাহে ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও পানিবাহিত নানা রোগ দেখা দিয়েছে।

এ নিয়ে জানুয়ারি মাসের শৈত্য প্রবাহে ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ২৪৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এতে অতিরিক্ত ডায়রিয়ার রোগী ভর্তি হওয়ায় কলেরা স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যান্য রোগীদের বিছানা না থাকায় প্রচণ্ড শীতের মধ্যে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে রোগীদের।

জানা যায়, জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল। ৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ৪ লাখ মানুষের বসবাস। এ ছাড়াও পার্শ্ববতী সিরাজগঞ্জ, মাদারগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার রোগীরা এ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

২৩ জানুয়ারি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীরা হলো- ডোয়াইলের বালিয়া গ্রামের ৮ মাসের শিশু রাকিবুল ইসলাম, ভাটারা ইউনিয়নের ফুলদহ গ্রামের রদিমনি (৩), রাফি ৭ মাস ও পৌর শহরের শাহনাজ বেগম (৪৫), মহাদানের মাফিয়া খাতুন (১), বাউসী মধ্যপাড়া গ্রামের ১০ মাসের শিশু ফাতিহা খাতুন, সৈয়দপুর গ্রামের শাকিম মিয়া (৩), কামরাবাদের ৮ মাসের শিশু তামিম ও তারাকান্দি গ্রামের ১০ মাসের শিশু সিয়াম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। স্থানীয়রা চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।

চিকিৎসা নিতে আসা শাকিমের মা, সিয়ামের নানীসহ আরো অনেকেই জানান, দু’দিন ধরে রোগী হাসপাতালে এনেছি খাওয়ার স্যালাইন ছাড়া আর কোন ওষুধ দেয়নি এখান থেকে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সাহেদুর রহমান জানান, শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ডায়রিয়ায় ও নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়েই চলছে। তিনি আরও জানান, একজন শিশুর ডায়রিয়ায় ও নিউমোনিয়া এক সাথে হলে চিকিৎসা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কলেরা স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ থাকায় ডায়রিয়া রোগীদের চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।